Sheikh Hasina Death Penalty: মৃত্যুদন্ড কার্যকর হতেই হাসিনাকে ফেরতের দাবি, ইউনূসকে কী জবাব দিল ভারত?

Sheikh Hasina Death Penalty:বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি)সেদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার পর দিল্লির উদ্দেশে সরাসরি বার্তা দিল ঢাকা।

Sheikh Hasina Death Penalty:বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি)সেদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার পর দিল্লির উদ্দেশে সরাসরি বার্তা দিল ঢাকা।

author-image
Sayan Sarkar
New Update
sheikh-hasina-slams-yunus-sells-bangladesh-terrorist-support

শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার পর দিল্লির উদ্দেশে সরাসরি বার্তা দিল ঢাকা।

Sheikh Hasina Death Penalty:বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি)সেদেশের  প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার পর দিল্লির উদ্দেশে সরাসরি বার্তা দিল ঢাকা। সোমবার (১৭ নভেম্বর, ২০২৫) রায় ঘোষণার পরই বাংলাদেশ সরকার আনুষ্ঠানিক ভাবে জানিয়েছে, ভারতের উচিত শেখ হাসিনাকে অবিলম্বে ঢাকায় ফেরত পাঠানো।

Advertisment

বাংলাদেশের বিদেশ মন্ত্রকের তরফে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, আদালত জুলাইয়ের গণহত্যা মামলায় পলাতক 'আসামি' শেখ হাসিনাকে দোষী সাব্যস্ত করেছে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, মানবতাবিরোধী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তিদের আশ্রয় দেওয়া ‘অত্যন্ত অ-বন্ধুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ’ এবং এটি ন্যায়বিচারের অপব্যবহার।

ঢাকা স্পষ্ট জানিয়েছে, ২০১৩ সালের ভারত-বাংলাদেশ প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী দোষীদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো বাধ্যতামূলক। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারপ্রধান মহম্মদ ইউনূসও একই দাবি জানিয়ে বলেন, চুক্তির আওতায় শেখ হাসিনাকে দ্রুত হস্তান্তর করা উচিত।

Advertisment

উল্লেখ্য,২০২৪ সালে ছাত্র আন্দোলনের জেরে শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হন এবং পরে ভারতে রাজনৈতিক আশ্রয় নেন।
ক্ষমতাচ্যুতির পর ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আইসিটি পুনর্গঠন করে। সেই ট্রাইব্যুনালই ২০২৪ সালের আন্দোলনে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করে।

এদিকে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি-বিডি) প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার পর প্রথমবার মুখ খুলল ভারতের বিদেশমন্ত্রক (MEA)। দিল্লি জানিয়েছে, তারা বাংলাদেশের মানুষের শান্তি, গণতন্ত্র, স্থিতিশীলতার স্বার্থেই কাজ চালিয়ে যাবে এবং সব পক্ষের সঙ্গে গঠনমূলকভাবে আলোচনা বজায় রাখবে। ২০২৪ সালের আগস্টে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে শেখ হাসিনা দিল্লিতেই আশ্রয় নিয়েছেন। 

বিদেশ মন্ত্রকের তরফে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায় ভারত গভীর ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। কাছের প্রতিবেশী হিসেবে বাংলাদেশের মানুষের শান্তি ও স্থিতিশীলতায় ভারত প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং এ জন্য সব পক্ষের সঙ্গে গঠনমূলকভাবে কাজ করবে।

আরও পড়ুন-কেন আজ পদত্যাগ করলেন না নীতীশ, সিদ্ধান্ত ঘিরে জোর জল্পনা

রায় ঘোষণার পর বাংলাদেশে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূস রায়কে “ঐতিহাসিক রায়” বলে আখ্যা দেন এবং ভারতকে শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের জন্য আহ্বান জানান। যদিও এদিনের রায়ের প্রতিক্রিয়ায় শেখ হাসিনা বলেছেন, এটি ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’। তাঁর দাবি, “ট্রাইব্যুনালে আমাকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হয়নি।” তিনি আরও বলেন, “আদালতে ন্যায্যতার সঙ্গে বিচার হলে আমি অভিযোগকারীদের মুখোমুখি হতে প্রস্তুত।”

বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি)সেদেশের  প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার পর দিল্লির উদ্দেশে সরাসরি বার্তা দিল ঢাকা। সোমবার (১৭ নভেম্বর, ২০২৫) রায় ঘোষণার পরই বাংলাদেশ সরকার আনুষ্ঠানিক ভাবে জানিয়েছে, ভারতের উচিত শেখ হাসিনাকে অবিলম্বে ঢাকায় ফেরত পাঠানো।

আরও পড়ুন-কলকাতার এত কাছে এ যেন স্বর্গ! কোলাহলহীন পাহাড়ি প্রান্তের অপার্থিব নীরবতায় মুন্ত্রমুগ্ধকর স্বস্তি!

বাংলাদেশের বিদেশ মন্ত্রকের তরফে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, আদালত জুলাইয়ের গণহত্যা মামলায় পলাতক 'আসামি' শেখ হাসিনাকে দোষী সাব্যস্ত করেছে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, মানবতাবিরোধী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তিদের আশ্রয় দেওয়া ‘অত্যন্ত অ-বন্ধুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ’ এবং এটি ন্যায়বিচারের অপব্যবহার।

ঢাকা স্পষ্ট জানিয়েছে, ২০১৩ সালের ভারত-বাংলাদেশ প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী দোষীদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো বাধ্যতামূলক। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারপ্রধান মহম্মদ ইউনূসও একই দাবি জানিয়ে বলেন, চুক্তির আওতায় শেখ হাসিনাকে দ্রুত হস্তান্তর করা উচিত।

উল্লেখ্য,২০২৪ সালে ছাত্র আন্দোলনের জেরে শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হন এবং পরে ভারতে রাজনৈতিক আশ্রয় নেন।
ক্ষমতাচ্যুতির পর ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আইসিটি পুনর্গঠন করে। সেই ট্রাইব্যুনালই ২০২৪ সালের আন্দোলনে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করে।

আরও পড়ুন-SIR ফর্ম পূরণের সময় ভুল করেছেন? পেন-পেন্সিল দিয়ে কেটেছেন? 'দুর্ভোগ' এড়াতে পড়ুন এই খবর!

এদিকে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি-বিডি) প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার পর প্রথমবার মুখ খুলল ভারতের বিদেশমন্ত্রক (MEA)। দিল্লি জানিয়েছে, তারা বাংলাদেশের মানুষের শান্তি, গণতন্ত্র, স্থিতিশীলতার স্বার্থেই কাজ চালিয়ে যাবে এবং সব পক্ষের সঙ্গে গঠনমূলকভাবে আলোচনা বজায় রাখবে। ২০২৪ সালের আগস্টে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে শেখ হাসিনা দিল্লিতেই আশ্রয় নিয়েছেন। 

বিদেশ মন্ত্রকের তরফে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায় ভারত গভীর ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। কাছের প্রতিবেশী হিসেবে বাংলাদেশের মানুষের শান্তি ও স্থিতিশীলতায় ভারত প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং এ জন্য সব পক্ষের সঙ্গে গঠনমূলকভাবে কাজ করবে।

আরও পড়ুন-South 24 Parganas News:দলীয় অভিমান না রাজনৈতিক কৌশল? ডাকাবুকো BJP নেত্রীর দলত্যাগ ঘিরে তুঙ্গে জল্পনা!  

রায় ঘোষণার পর বাংলাদেশে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূস রায়কে “ঐতিহাসিক রায়” বলে আখ্যা দেন এবং ভারতকে শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের জন্য আহ্বান জানান। যদিও এদিনের রায়ের প্রতিক্রিয়ায় শেখ হাসিনা বলেছেন, এটি ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’। তাঁর দাবি, “ট্রাইব্যুনালে আমাকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হয়নি।” তিনি আরও বলেন, “আদালতে ন্যায্যতার সঙ্গে বিচার হলে আমি অভিযোগকারীদের মুখোমুখি হতে প্রস্তুত।” 

Sheikh Hasina modi Muhammad Yunus