/indian-express-bangla/media/media_files/2026/01/09/ipac-ed-raid-cbi-probe-demand-mamata-police-role-2026-01-09-13-12-05.jpg)
আই-প্যাক সংক্রান্ত অভিযানের সময় ঘটে যাওয়া ঘটনায় সরব শুভেন্দু
Suvendu adhikari: আই-প্যাক সংক্রান্ত অভিযানের সময় ঘটে যাওয়া ঘটনায় এবার সিবিআই তদন্তের দাবি জানাল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। ইডির পক্ষ থেকে আদালতে দায়ের করা পিটিশনে জানানো হয়েছে, অভিযান চলাকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং কলকাতা পুলিশের ভূমিকা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। প্রয়োজনে এফআইআর দায়েরের অনুমতি চেয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। পাশাপাশি, অভিযানের সময় মুখ্যমন্ত্রী যে ল্যাপটপ, মোবাইল ফোন এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ নথি নিয়ে গিয়েছেন বলে ইডির দাবি, সেগুলি অবিলম্বে ফিরিয়ে দেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে। ওই সমস্ত নথি ও ইলেকট্রনিক ডিভাইস থেকে যাতে কোনও তথ্য বা প্রমাণ নষ্ট না হয়, তা নিশ্চিত করার আর্জিও জানিয়েছে ইডি।
IPAC raid Kolkata: আইপ্যাক তল্লাশিতে 'বাধা', ফাইল ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ, আদালতের দ্বারস্থ ED
গতকালের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে ইডি। গোটা ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের জন্য সিবিআইকে দায়িত্ব দেওয়ার আবেদন জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। ইডির এই পদক্ষেপে এখন হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণের দিকেই নজর রয়েছে দেশজুড়ে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলের।
এদিকে, ইডির আদালতে যাওয়ার সিদ্ধান্তকে সমর্থন করে মুখ খুলেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, "ইডির আদালতের দ্বারস্থ হওয়া একেবারেই সঠিক সিদ্ধান্ত। শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, অভিযুক্তদের গ্রেফতার করতে সিবিআই তদন্ত চেয়েছে ইডি এবং যাদের ছবি ও নাম পিটিশনে উল্লেখ করা হয়েছে, তাদের সবাইকে মামলার পার্টি করা হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, “যা কিছু হয়েছে, সবটাই সবার চোখের সামনেই হয়েছে।”
কেন ইডির আধিকারিকরা মুখ্যমন্ত্রীকে নথি নিয়ে যেতে বাধা দেননি? এই প্রশ্নের উত্তরে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, "বাধা দিলে আধিকারিকদের উপর আক্রমণ হতে পারত। তাঁর অভিযোগ, গোটা ঘটনাটি এক ধরনের ‘গুণ্ডামি’, যেখানে পুলিশকে অসদ্ব্যবহার করা হয়েছে। পাশাপাশি তিনি আরও দাবি করেন, হাওলার মাধ্যমে টাকা গোয়ার নির্বাচনে ব্যাবহার হয়েছে হয়েছে এবং দিল্লির আফগারি দুর্নীতি মামলাতেও আই-প্যাক জড়িত ছিল। পাশাপাশি তিনি অভিযোগ তোলেন জল জীবন মিশনের রাজ্যে বরাত পেয়েছে এমন একটি সংস্থা কাকদ্বীপের অ্যাক্সিস ব্যাঙ্কে চেকের মাধ্যমে ২০২১ সালে নির্বাচনের আগে আইপ্যাকের অ্যাকাউন্টে ১৬ কোটি টাকা ট্রান্সফার করে"। সাংবাদিকদের সামনে চেক নম্বরসহ নথি তুলে ধরে শুভেন্দু বলেন, “এবার বুঝতে পারছেন মুখ্যমন্ত্রীর ব্যথাটা কোথায়? কেন তিনি তড়িঘড়ি প্রতীকের বাড়িতে ছুটে গিয়েছিলেন।”
পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য বড় ঘোষণা! হেল্পলাইন চালু করলেন অভিষেক
আই-প্যাক কাণ্ডের প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “বাংলার মানুষ দেখতে চেয়েছিল, এত বড় ঘটনার পর মুখ্যমন্ত্রী কি ভয় পেয়ে ইডি কার্যক্রমে বাধা দেবেন নাকি সংবিধান অনুযায়ী কাজ করবেন। আমি অত্যন্ত খুশি, আজ ইডি মুখ্যমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের অন্তর্ভুক্ত করার আবেদন করেছে। ইডির এই পদক্ষেপ যথাযথ এবং বাংলার মানুষ কঠিন পদক্ষেপ চায়।” শুভেন্দু বলেন, “মুখ্যমন্ত্রীর এই আচরণ অনৈতিক ও অসাংবিধানিক। রাজীব কুমারের সময়েও এমন ঘটেছে, ফিরহাদ হাকিমদের সময়েও হয়েছে। এটা ওনার অভ্যাসে পরিণত হয়েছে।” পাশাপাশি তিনি রাজ্যের পুলিশ এবং মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা বাহিনীকে অপব্যবহারের অভিযোগও তোলেন।
"মমতা বাঘের বাচ্চা, বিজেপি বেগুনের বাচ্চা"! আটকের পর বিজেপিকে তুলোধোনা মহুয়া মৈত্রের
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us