/indian-express-bangla/media/media_files/2026/02/18/adhir-2026-02-18-15-10-25.jpg)
Adhir Ranjan Chowdhury: প্রাক্তন সাংসদ অধীররঞ্জন চৌধুরী।
আই-প্যাক (I-PAC) অফিসে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)-এর তল্লাশি ঘিরে রাজ্য বনাম কেন্দ্র সংঘাত এবার পৌঁছেছে সুপ্রিম কোর্টে। বুধবার শীর্ষ আদালতে জমা দেওয়া হলফনামায় ইডি দাবি করেছে, কলকাতায় আই-প্যাকের অফিসে তাদের অভিযান কোনওভাবেই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত নয়। বরং তদন্তে বাধা দেওয়া এবং ‘বলপ্রয়োগ’ করে অফিসে ঢোকার অভিযোগ উঠেছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে।
দীর্ঘ সওয়াল-জবাবের পর শীর্ষ আদালত জানায়, মামলার পরবর্তী শুনানি হবে আগামী ১৮ মার্চ। ফলে আই-প্যাককে ঘিরে এই আইনি লড়াই আরও দীর্ঘায়িত হওয়ার ইঙ্গিত স্পষ্ট। এদিকে, মামলার শুনানি পিছোনো এবং ইডির ভূমিকা নিয়ে সরব হয়েছেন প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি তথা বহরমপুরের প্রাক্তন সাংসদ অধীর রঞ্জন চৌধুরী।
আরও পড়ুন- বিশ্বমঞ্চে বাংলার জয়জয়কার! রাষ্ট্রপুঞ্জের জোড়া সম্মানে ভূষিত মমতার ‘মাটির সৃষ্টি’ ও সুগন্ধি চাল
তিনি তীব্র ভাষায় ইডির সমালোচনা করে বলেন, “ইডিকে আমি প্রথম দিন থেকেই ‘ইডিয়ট’ বলি। যেদিন ইডি রাহুল গান্ধীকে জেরা করতে নিয়ে গিয়েছিল, সেদিনও বলেছিলাম এরা ইডিয়ট। আজও বলছি, এরা ইডিয়ট, মানে গাধা।”
আরও পড়ুন-I-PAC Case: সুপ্রিম কোর্টে ED বনাম দিদি: আই-প্যাক মামলায় ১৮ মার্চ পর্যন্ত বাড়ল সাসপেন্স!
উল্লেখ্য, এর আগে গত ৩ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা দিয়ে ইডির সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি ছিল, তিনি তদন্তের কোনো নথিতে হাত দেননি বা কোনো বাধা সৃষ্টি করেননি। আই-প্যাক অফিস থেকে তিনি শুধুমাত্র তাঁর দলের (TMC) কিছু প্রয়োজনীয় নথিপত্র নিয়ে এসেছিলেন। উল্লেখ্য, এই ঘটনায় ইডি অফিসারদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হলেও সুপ্রিম কোর্ট তাতে আগেই স্থগিতাদেশ দিয়েছিল।
আরও পড়ুন-বিধানসভার আগে রাজ্যসভার মহারণ! বাংলার ৫ আসনে ভোটের বাজনা বাজাল কমিশন
এদিকে, আই-প্যাককে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তরজা এবং আইনি সংঘাত যে আপাতত থামছে না, তা স্পষ্ট। আগামী ১৮ মার্চের শুনানির দিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us