/indian-express-bangla/media/media_files/2026/01/08/hc-2026-01-08-16-11-33.jpg)
IPAC raid Kolkata: আইপ্যাকে তল্লাশিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগে আদালতের দ্বারস্থ ইডি।
Coal scam: এবার আইপ্যাকে তল্লাশিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তুলে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ ED। মামলা দায়েরের আবেদন কেন্দ্রীয় সংস্থার। যাতে অবিলম্বে বিষয়টিতে হাইকোর্ট হস্তক্ষেপ করে, সেই আর্জি জানিয়েছেন কেন্দ্রের আইনজীবী। বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের এজলাসে মামলার আবেদন জানানো হয়। জানা গিয়েছে, ইডিকে মামলা দায়ের করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
কেন্দ্রের আইনজীবী হাইকোর্টে জানান, বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছিল ইডি। আইপ্যাক সংস্থার কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতে তল্লাশির সময় বাধা দেওয়া হয়। এক প্রকার জোর করে সেখান থেকে কিছু নথিপত্র নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এছাড়াও, আইপ্যাক সংস্থার সল্টলেক সেক্টর ফাইভের অফিসে তল্লাশি চালানোর সময়ও বাধা দেওয়া হয়েছে। আইনজীবী হাইকোর্টে আবেদন জানান, অবিলম্বে এই ঘটনার তদন্তের জন্য আদালতের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার সকালেই কয়লা কেলেঙ্কারির পুরনো মামলার প্রেক্ষিতে কলকাতায় ইডি আইপ্যাক কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি এবং সেক্টর ফাইভের অফিসে অভিযান চালায়। দুই জায়গাতেই সংস্থার অফিসাররা তল্লাশি শুরু করেন।
কিন্তু খবর পেয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রথমে লাউডন স্ট্রিটে আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতে পৌঁছান। ওই বাড়ি থেকে ল্যাপটপ এবং সবুজ রঙের ফাইল হাতে করে বেরতে দেখা যায় তাঁকে। এরপর তিনি সল্টলেক সেক্টর ফাইভে আইপ্যাক অফিসেও যান। সেখানে তল্লাশি চলাকালীন সময় মমতার নিরাপত্তারক্ষীরা গুচ্ছগুচ্ছ ফাইল সংগ্রহ করে গাড়িতে ভরেন।
পরবর্তীতে সাংবাদিকদের সামনে মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, “আইপ্যাক তৃণমূল কংগ্রেসের অথরাইজড টিম। তারা অফিসের সমস্ত টেবিল ফাঁকা করে কাগজপত্র নিয়ে গেছে। এর মানে আমাদের দলের সমস্ত তথ্য ও ভোটের স্ট্র্যাটেজি ট্রান্সফার করা হয়েছে। এটা একটি অপরাধ।” তিনি আরও বলেন, “আমরা একটি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল। আমরা ইনকাম ট্যাক্স দিই। মানি পাওয়ার, মাসেল পাওয়ার ব্যবহার করে আমাদের হয়রানি করা হচ্ছে। সব কাগজপত্র নতুন করে তৈরি করতে গেলে নির্বাচন পেরিয়ে যাবে।”
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us