খামেনিকে কীভাবে হত্যা করা হয়েছিল? মার্কিন-ইজরায়েলর পুরো পরিকল্পনা জানলে গায়ে কাঁটা দেবে

খামেনির হত্যার দাবি প্রথম করেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু, তিনি জানান, “আমরা আজ একটি অভিযানে খামেনিকে হত্যা করেছি।” এরপর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও খামেনিকে হত্যার দাবিতে এগিয়ে আসেন।

খামেনির হত্যার দাবি প্রথম করেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু, তিনি জানান, “আমরা আজ একটি অভিযানে খামেনিকে হত্যা করেছি।” এরপর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও খামেনিকে হত্যার দাবিতে এগিয়ে আসেন।

author-image
IE Bangla Web Desk
New Update
Iran Supreme Leader killed, Ali Khamenei death news, US Israel joint strike Iran, Iranian Revolutionary Guards commander killed, Ali Shamkhani news, Benjamin Netanyahu statement, Donald Trump reaction Iran, Tehran attack news, Iran retaliation warning, Middle East geopolitical crisis, Iran state media report, Khamenei family killed, Imam Hussein comparison, historic Karbala reference, Iran breaking news

খামেনিকে কীভাবে হত্যা করা হয়েছিল?

মার্কিন-ইজরায়েল হামলায় নিহত ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে রাষ্ট্রীয় সংবাদ মাধ্যম। সূত্রের খবর, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের যৌথ  হামলার সময় খামেনি নিহত হন। 

Advertisment

মার্কিন সূত্র অনুযায়ী, খামেনি নিরাপত্তা পরিষদের উপদেষ্টা আলী শামখানি এবং ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ডের প্রধান মোহাম্মদ পাকপুর-এর সঙ্গে বৈঠক করছিলেন, তখনই ইজরায়েল হামলা চালায়। 

খালিজ টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইজরায়েল ও মার্কিন  যুক্তরাষ্ট্র ক্রমাগত আলী শামখানির ওপর নজর রাখছিল। শনিবার তিনি খামেনির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে দুই দেশ যৌথভাবে আক্রমণ চালায়, যার ফলে ৮৬ বছর বয়সী সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যু হয়। জানা গেছে, খামেনির মরদেহ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-কে দেখানো হয়েছিল।

Advertisment

খামেনির হত্যার দাবি প্রথম করেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু, তিনি জানান, “আমরা আজ একটি অভিযানে খামেনিকে হত্যা করেছি।” এরপর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও খামেনিকে হত্যার দাবিতে এগিয়ে আসেন। 

মার্কিন মিডিয়া অনুযায়ী, ট্রাম্পকে প্রথমে খামেনির মৃতদেহ দেখানো হয়, এরপর তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন। অভিযানটি তেহরানে নিরাপদ স্থানে পরিকল্পিতভাবে পরিচালিত হয়।

এর আগে, ২০২৫ সালের জুনে ইজরায়েল আলী শামখানির ওপর হামলা চালায়। ইজরায়েল তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে ঘোষণা করলেও এক মাস পর শামখানিকে জীবিত অবস্থায় পাওয়া যায়। জানা গেছে, শামখানি ছিলেন ইজরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং খামেনির মধ্যে মূল সংযোগকারী। যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে, ইরানি সেনাবাহিনী খামেনিকে তেহরান থেকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়।

ইরান আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জানিয়েছে, “আমেরিকা খামেনির মৃত্যুর প্রতিশোধ পাবে। আমরা চুপ করে বসে থাকব না।” রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, এই হামলায় খামেনির মেয়ে, জামাই- নাতি ও নাতনিও নিহত হয়েছেন।

আরও পড়ুন- মার্কিন–ইজরায়েল বিমান হামলায় নিহত আলি খামেনেই, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আশঙ্কা আরও জোরালো, বিশ্বজুড়ে তোলপাড়

ali khamenei Ayatollah Ali Khamenei