/indian-express-bangla/media/media_files/2026/02/20/iran-us-war-tension-trump-ultimatum-khamenei-russia-drill-india-alert-2026-02-20-11-16-09.jpg)
খামেনিকে ১৫ দিনের আল্টিমেটাম ট্রাম্পের
যুদ্ধের মুখোমুখি ইরান ও আমেরিকা! খামেনিকে ১৫ দিনের আল্টিমেটাম ট্রাম্পের। তেহরান ও মস্কোর সামরিক মহড়া শুরু। পরিস্থিতির দিকে কড়া নজর ভারতের।
আরও পড়ুন-Adhir Chowdhury: 'বেকারদের লাইনে দাঁড় করিয়ে অপমান কেন? ওদের ইজ্জতে লাগছে'!, রাজ্যকে তুলোধনা অধীরের
পশ্চিম এশিয়ায় ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা ক্রমশ তীব্র হচ্ছে। কূটনৈতিক আলোচনার মধ্যেই উভয় পক্ষের কড়া অবস্থান পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, পারমাণবিক চুক্তি নিয়ে সমঝোতা না হলে পরিস্থিতি সামরিক সংঘাতের দিকেও গড়াতে পারে। ইতিমধ্যেই সম্ভাব্য সংঘাতের আশঙ্কায় একাধিক দেশ ইরান থেকে তাদের নাগরিকদের সরিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে।
পোল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ডোনাল্ড টাস্ক ইরানে বসবাসকারী পোলিশ নাগরিকদের অবিলম্বে দেশ ছাড়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, সশস্ত্র সংঘাত শুরু হলে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে দেশ ত্যাগ করা কঠিন হয়ে পড়বে।
একই সময়ে তেহরানও কঠোর বার্তা দিয়েছে। ইরানের পারমাণবিক শক্তি সংস্থার প্রধান মোহাম্মদ ইসলামী (Mohammad Eslami) জানান, কোনও দেশ ইরানকে পারমাণবিক সমৃদ্ধকরণের অধিকার থেকে বঞ্চিত করতে পারে না। তাঁর দাবি, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থা (আইএইএ)-র নিয়ম মেনেই পরিচালিত হচ্ছে এবং তা সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে।
অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে ১০ থেকে ১৫ দিনের ‘আল্টিমেটাম’ দিয়েছেন। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে অর্থপূর্ণ চুক্তি না হলে যুক্তরাষ্ট্র “পরবর্তী পদক্ষেপ” নিতে বাধ্য হবে। পশ্চিমী দেশগুলি অভিযোগ করছে, তেহরান গোপনে পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচি এগিয়ে নিচ্ছে, যদিও ইরান এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
আরও পড়ুন-West Bengal Weather: সাগরে নিম্নচাপের ভ্রুকুটি! তবে কি বৃষ্টির দাপটে ভিজবে বাংলা? মিলল বড় আপডেট
উত্তেজনার আবহে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পশ্চিম এশিয়ায় সামরিক উপস্থিতি বাড়িয়েছে। মার্কিন বিমানবাহী রণতরী USS Abraham Lincoln ইতিমধ্যেই আরব সাগরে মোতায়েন হয়েছে এবং বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম বিমানবাহী রণতরী USS Gerald R. Ford-কেও ওই অঞ্চলের অভিমূখে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে, ইরান ও রাশিয়া ওমান উপসাগর ও ভারত মহাসাগরে যৌথ নৌমহড়া চালিয়ে তাদের সামরিক অংশীদারিত্বের বার্তা দিয়েছে। এই মহড়া ক্রমবর্ধমান মার্কিন উপস্থিতির প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি বহিরাগত আগ্রাসনের বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিক্রিয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, আর রাশিয়াও স্পষ্ট জানিয়েছে, ইরানের উপর সম্ভাব্য হামলা তারা মেনে নেবে না।
পরোক্ষ কূটনৈতিক আলোচনা চললেও মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আশঙ্কা ঘনিয়ে আসছে বলে আন্তর্জাতিক মহল মনে করছে। পরিস্থিতির দ্রুত পরিবর্তনের দিকে নজর রাখছে বিশ্বরাজনীতি।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us