/indian-express-bangla/media/media_files/2026/01/11/iran-protests-intensify-government-crackdown-2026-2026-01-11-10-50-59.jpg)
হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের পালটা জবাব ইরানেরও
মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান মার্কিন সামরিকশক্তি মোতায়েনের প্রেক্ষিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে কড়া সতর্কবার্তা দিল ইরান। তেহরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, ইরানের উপর যেকোনও ধরনের হামলা তা পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ হিসেবে বিবেচনা করা হবে এবং তার জবাবও হবে কঠোর। ইরানের এই হুঁশিয়ারি এমন এক সময়ে এসেছে, যখন আগামী দিনে একটি মার্কিন বিমানবাহী রণতরী স্ট্রাইক গ্রুপসহ একাধিক সামরিক ইউনিট মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে।
রয়টার্সের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ঊর্ধ্বতন ইরানি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আমেরিকার সাম্প্রতিক সামরিক প্রস্তুতিকে তেহরান অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। তাঁর বক্তব্য, ইরান আশা করে এই মোতায়েন কোনও সরাসরি সংঘাতের উদ্দেশ্যে নয়, তবে দেশটির সামরিক বাহিনী সব ধরনের সম্ভাব্য পরিস্থিতির জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
ওই ইরানি কর্মকর্তা স্পষ্ট করে বলেন, এবার কোনও হামলাকে ছোট করে দেখবে না ইরান। তাঁর কথায়, “যেকোনও আক্রমণই আমাদের বিরুদ্ধে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ হিসেবে ধরা হবে।” তিনি আরও জানান, এমন পরিস্থিতিতে ইরান এমন প্রতিক্রিয়া দেবে, যাতে ভবিষ্যতে কেউ ইরানের বিরুদ্ধে হামলা চালানোর সাহস না পায়।
এর মধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বৃহস্পতিবার জানিয়েছেন, একটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ইরানের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। যদিও তিনি একই সঙ্গে বলেছেন, সেটি ব্যবহার করার কোনও পরিকল্পনা তাঁর নেই বলেই তিনি আশা করছেন। ট্রাম্প ইরানকে সতর্ক করে দিয়ে বলেন, তারা যেন বিক্ষোভকারীদের ক্ষতি না করে এবং পারমাণবিক কর্মসূচি পুনরায় শুরু না করে।
সুপ্রিম-স্বস্তির পরেই ‘মেগা ক্লাস’! আজ অভিষেকের ভার্চুয়াল বৈঠকে কী গোপন বার্তা?
ট্রাম্পের এই মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় ইরানি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আমেরিকা যদি ইরানের সার্বভৌমত্ব বা আঞ্চলিক অখণ্ডতা লঙ্ঘন করে, তবে তেহরান চুপ থাকবে না। ইরানের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে মার্কিন সামরিক চাপ ও হুমকির মুখে থাকা একটি দেশের পক্ষে প্রতিরক্ষা শক্তিকে জোরদার করা ছাড়া আর কোনও বিকল্প থাকে না। ওই কর্মকর্তা বলেন, আত্মরক্ষা এবং আঞ্চলিক ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য ইরান তার সমস্ত সামরিক ও কৌশলগত সম্পদ প্রস্তুত রেখেছে।
উল্লেখ্য, অতীতেও উত্তেজনার সময় মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি বাড়িয়েছে আমেরিকা। যদিও ওয়াশিংটন একে প্রতিরক্ষামূলক পদক্ষেপ বলে দাবি করে, বিশ্লেষকদের মতে, গত বছরের জুনে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ঘিরে হামলার আগে বড় আকারে সামরিকশক্তি মোতায়েন এই অঞ্চলের পরিস্থিতিকে আরও অস্থির করে তুলেছিল। বর্তমান পরিস্থিতিতেও সেই আশঙ্কা নতুন করে মাথাচাড়া দিচ্ছে।


/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us