/indian-express-bangla/media/media_files/2026/01/03/jabalpur-vishwa-ramayan-sammelan-swami-rambhadracharya-shah-rukh-khan-boycott-2026-01-03-13-06-18.jpg)
বিশ্ব রামায়ণ সম্মেলনের মঞ্চ থেকে বলিউড বাদশা শাহরুখ খানকে 'বয়কটে'র ডাক
Rambhadracharya on SRK: বিশ্ব রামায়ণ সম্মেলনের মঞ্চ থেকে বলিউড বাদশা শাহরুখ খানকে 'বয়কটে'র ডাক জগদ্গুরু স্বামী রামভদ্রাচার্য মহারাজের। জবলপুরে আয়োজিত বিশ্ব রামায়ণ সম্মেলনে ভাষণ দিতে গিয়ে তিনি বলেন, 'প্রত্যেক সনাতনীর উচিত শাহরুখ খানকে পুরোপুরি বয়কট করা...'। তাঁর এহেন মন্তব্যকে কেন্দ্র করে রীতিমত শোরগোল পড়ে গিয়েছে।
বার কাউন্সিলে SIR-এর ছায়া, নাম বাদ খোদ মুখ্যমন্ত্রীর, হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের
জগদ্গুরু স্বামী রামভদ্রাচার্য মহারাজ শাহরুখ খানকে বয়কটের ডাক দেওয়ার পাশাপাশি তিনি প্রকাশ্যে শাহরুখ খানের দেশপ্রেম নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে স্বামী রামভদ্রাচার্য বলেন, “শাহরুখ খানকে পুরোপুরি বয়কট করা উচিত।” তিনি প্রশ্ন তোলেন, শাহরুখ খান আদৌ কখনও দেশের পক্ষে দাঁড়িয়েছেন।
স্বামী রামভদ্রাচার্য অভিযোগ করেছেন যে শাহরুখ খান বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের খেলায় আমন্ত্রণ জানাচ্ছেন এবং এমন ব্যক্তির কাছ থেকে দেশপ্রেম আশা করাটাই ভুল। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান, তিনি নিজে শাহরুখ খানকে বয়কট করেছেন এবং সনাতনীদেরও একই পথে হাঁটার আহ্বান জানান।
এদিনের বক্তব্যে কংগ্রেস নেতা নানা পাটোলের মন্তব্যেরও তীব্র সমালোচনা করেন স্বামী রামভদ্রাচার্য। তিনি রাহুল গান্ধীর সঙ্গে ভগবান শ্রী রামের তুলনাকে দুর্ভাগ্যজনক বলে আখ্যা দেন। তাঁর কথায়, “অমৃতকে কখনও নর্দমার সঙ্গে তুলনা করা যায় না।” এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।
টেম্পো চালক থেকে বিমান সংস্থার মালিক, হার না মানা অদম্য লড়াইয়ের এ কাহিনী অনুপ্রেরণা জোগাবে
এখানেই থেমে থাকেননি জগদ্গুরু স্বামী রামভদ্রাচার্য। তিনি আবারও রামায়ণ তথা রামচরিতমানসকে জাতীয় গ্রন্থ ঘোষণার দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন। জানান, এই বিষয়ে তিনি ইতিমধ্যেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে আবেদন জানিয়েছেন এবং তাঁর বিশ্বাস, ভবিষ্যতে রামচরিতমানস জাতীয় গ্রন্থের মর্যাদা পাবে। মঞ্চ থেকে মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব এবং কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি ও পরিবেশমন্ত্রী গজেন্দ্র সিং শেখাওয়াতের কাছেও তিনি আবেদন জানান, সংসদে রামচরিতমানসকে জাতীয় গ্রন্থ ঘোষণা করা হলেই বিশ্ব রামায়ণ সম্মেলন সার্থক হবে।
২০২৬-এর লড়াই শুরু! জানুয়ারিতেই বাংলায় মোদীর জোড়া সভা, থাকছে বড় চমক?
বক্তৃতাকালে স্বামী রামভদ্রাচার্য মহারাজ ভারতের জাতীয় সঙ্গীত ‘জন গণ মন’-এর ব্যাখ্যাও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, জাতীয় সঙ্গীতের ভাবার্থ নিয়ে তিনি দীর্ঘদিন ধরেই চিন্তাভাবনা করে আসছেন। ২০০৭ সালে বাচস্পতি পুরস্কার গ্রহণের সময় বিজ্ঞান ভবনে তৎকালীন লোকসভার অধ্যক্ষ সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে তিনি এই বিষয়ে নিজের মত প্রকাশ করেছিলেন বলেও জানান।
স্বামী রামভদ্রাচার্য মহারাজের দাবি, জাতীয় সঙ্গীত আসলে ভগবান শ্রী রামের প্রশংসার প্রতীক। তাঁর ব্যাখ্যায়, ভগবান রামই জন-গণ-মনের শাসক এবং ভারতের ভাগ্যের বিধাতা। তিনি সাতবার উচ্চারিত ‘জয় হে’-কে সাত সমুদ্র ও সাত ভুবনে বিজয়ের প্রতীক হিসেবে ব্যাখ্যা করেন। জবলপুর থেকে দেওয়া তাঁর এই বক্তব্য ঘিরে ইতিমধ্যেই দেশজুড়ে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us