/indian-express-bangla/media/media_files/2025/12/09/jagadguru-rambhadracharya-slams-mamata-on-babri-style-mosque-2025-12-09-09-05-20.jpg)
'মমতাকে আর আমি বোন বলতে পারি না', একথা কেন বললেন জগদ্গুরু রামভদ্রাচার্য?
জগদ্গুরু রামভদ্রাচার্যের নিশানায় এবার বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। রামভদ্রাচার্য অভিযোগ করেন, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতির জন্য দেশের স্বার্থকে পর্যন্ত বিসর্জন দিচ্ছেন। তিনি বলেন, " মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, মনোযোগ দিয়ে শুনুন, মসজিদ নির্মাণে আমাদের কোনও আপত্তি নেই। কিন্তু ভারত আক্রমণকারী বাবরের নামে মসজিদ তৈরি কখনও হতে পারে না। ভারতের মাটিতে আক্রমণকারীর নাম আঁকড়ে ধরার রাজনীতি আমরা বরদাস্ত করব না।” তিনি আরও বলেন, “ভারতে থেকে, ভারতের জল-খাবার খেয়ে, পাকিস্তানের প্রশংসা এটা দেশদ্রোহিতা। ৩০০ কোটি নয়, ৩০০০ কোটি টাকা দিলেও বাবরের নামে মসজিদ হবে না।”
মহম্মদ আলি জিন্নার সঙ্গে তুলনা টানলেন হুমায়ুনের, “মৌলবাদী উগ্রতার প্রকাশ”, বিস্ফোরক শুভেন্দু
জগদ্গুরু রামভদ্রাচার্য আরও বলেন, "মুখ্যমন্ত্রী রাজনৈতিক সুবিধার জন্য দেশকে বন্ধক রাখছেন। তার কথায়, "বাঙালির স্বার্থ নয়, বিশ্বাসঘাতকদের স্বার্থ রক্ষাই এখন মমতার লক্ষ্য। আক্রমণকারীদের নামে কোনও স্থানের নাম রাখা চলবে না।” সোমবার (৮ ডিসেম্বর, ২০২৫) উত্তর প্রদেশের সম্ভলে এক জনসভায় তিনি বলেন, "আমি আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আমার বোন বলতে পারি না। এখন তিনি বিশ্বাসঘাতকদের বোন হয়ে গিয়েছেন, যারা হিন্দুদের উপর অত্যাচার করেছে, আজ মমতা তাদের পথেই হাঁটছেন।”
'তৃণমূলের মুসলিম ভোটব্যাঙ্ক ফিনিশ, পিকচার এখনও বাকি', ভোটের আগে বিরাট হুঙ্কার হুমায়ুনের
উল্লেখ্য সোমবারই সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু অধিকারী অভিযোগ করেন, ৬ ডিসেম্বর মুর্শিদাবাদের রেজিনগরে যে ‘বাবরি মসজিদ’-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে, তা আইনসিদ্ধ নয়। তাঁর দাবি, “১,০০০ পুলিশ মোতায়েন করে প্রশাসনের সহায়তায় মুঘল–পাঠান আক্রমণকারীর নামে উদযাপন হয়েছে সেখানে।” তিনি আরও কঠোর ভাষায় বলেন, “বাবর একজন ধর্ষক, লুটেরা। তিনি ভারতীয় নন। ভারত দখল করতেই এসেছিলেন। মন্দির ধ্বংস করতে, মানুষকে জোর করে ধর্মান্তর করতে। দেশের সোনা–হিরে–রত্ন লুটে বিদেশে নিয়ে গিয়েছিলেন। তাঁর নামে কিছু তৈরি করার বিরোধিতা করাই উচিত।”
৭.৬ মাত্রার শক্তিশালী কম্পনে কেঁপে উঠল জাপান, দেশ জুড়ে জারি সুনামি সতর্কতা
শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, রেজিনগরের অনুষ্ঠান কোনও ধর্মীয় আচার নয়, বরং “মৌলবাদী উগ্রতার প্রকাশ”, শুভেন্দু আরও জানান, মসজিদ বা মন্দির নির্মাণে বিজেপির কোনও আপত্তি নেই। আপত্তি “উস্কানিমূলক প্রতীকী নামকরণ” নিয়ে। হুমায়ুন কবীরকে সরাসরি আক্রমণ করে শুভেন্দুর অভিযোগ, “তিনি যে ভাষা ব্যবহার করছেন, তা হোসেন সোহরাওয়ার্দী আর মহম্মদ আলি জিন্নার 'ভাষার' মতো। এটা সহাবস্থানের ভাষা নয়, যুদ্ধ ঘোষণা।” সেদিনের অনুষ্ঠানে পুলিশি মোতায়েন নিয়েও তিনি সরব হন। শুভেন্দুর অভিযোগ, “সরস্বতী পুজো করতে গেলে আদালতের অনুমতি নিতে হয়, মা কালীকে পর্যন্ত প্রিজন ভ্যানে তোলা হয়। অথচ রেজিনগরে বিনা অনুমতিতে লাখো মানুষের জমায়েত, লাউডস্পিকার, চাঁদা সংগ্রহ,সবই পুলিশি মদতে হয়েছে।”তাঁর অভিযোগ, হুমায়ুন কবিরের আচরণ “মহম্মদ আলি জিন্নাহর মতো”। এই মন্তব্যের পর রাজ্য-রাজনীতিতে রীতিমত শোরগোল পড়ে গিয়েছে।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us