/indian-express-bangla/media/media_files/2025/06/05/c6HqBHf7TMjOm80BbC7d.jpg)
TMC-BJP: প্রতীকী ছবি।
South 24 Parganas News: দক্ষিণ ২৪ পরগনার জয়নগর ব্লকের বহড়ু ক্ষেত্র গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান সঙ্গীতা হালদার মন্ডল বিজেপি ছাড়ার ঘোষণা করতেই উত্তাপ ছড়াল স্থানীয় রাজনীতিতে। দলীয় নেতৃত্বের প্রতি ক্ষোভ থেকেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে দাবি করেছেন। অভিযোগ, এলাকার নানা সমস্যা নিয়ে বহুবার জেলা ও রাজ্য নেতৃত্বকে জানালেও কোনও সাড়া মেলেনি। ফলে ক্ষোভ ক্রমশ বাড়ছিল তাঁর মধ্যে।
জয়নগর বিধানসভা কেন্দ্রের সাংগঠনিক বৈঠকে দক্ষিণ ২৪ পরগনা তৃণমূলের জেলা পর্যবেক্ষক জাহাঙ্গীর খানের উপস্থিতিতেই তৃণমূলে যোগ দেন সঙ্গীতা। এদিন জাহাঙ্গীর খান জানান, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে লক্ষাধিক ভোটে জয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে তৃণমূল। বিরোধী দলের কর্মী–সমর্থকদের কাছেও পৌঁছে যাওয়ার বার্তা দেন তিনি। জনপ্রতিনিধিদেরকেও দলে টানার নির্দেশ দেন।
এদিন জয়নগর বিধানসভা কেন্দ্রের সাংগঠনিক বৈঠকে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের পর্যবেক্ষক জাহাঙ্গীর খানের উপস্থিতিতেই তৃণমূলে যোগ দেন সঙ্গীতা। তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, স্থানীয় স্তরে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করতেই সঙ্গীতার মতো জনপ্রতিনিধিরা দলে আসছেন, যা আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে দলকে আরও সুবিধাজনক অবস্থানে পৌঁছে দেবে। বৈঠকে ভাষণ দিতে গিয়ে জাহাঙ্গীর খান বলেন, “আসন্ন নির্বাচনে লক্ষাধিক ভোটে জয়ের লক্ষ্য স্থির করেছে তৃণমূল। তাই বিরোধী শিবিরে থাকা কর্মী–সমর্থক থেকে জনপ্রতিনিধিদেরও দলে টানতে হবে। মানুষের কাছে পৌঁছাতে হবে, বাড়ি বাড়ি গিয়ে যোগাযোগ গড়ে তুলতে হবে।”
আরও পড়ুন- West Bengal Weather Update: শীতের মাঝপথে নিম্নচাপের ধাক্কা!, বাড়বে তাপমাত্রা, ফের ঝেঁপে বৃষ্টি?
তবে সঙ্গীতার এই দলবদল নিয়ে চুপ নেই বিরোধী শিবির। এদিকে, বিজেপির জয়নগর সাংগঠনিক জেলা কমিটির সদস্য মিহির মন্ডল দাবি করেছেন, সঙ্গীতাকে ভয় দেখিয়ে এবং নানা প্রলোভন দেখিয়ে তৃণমূলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাঁর কথায়, “তৃণমূল তোলাবাজির দল। ভয় দেখিয়ে আমাদের দলের সদস্যকে ভাঙানো হয়েছে। সঙ্গীতার অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।” একই সুর সিপিএমের তরফেও। দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা সিপিএম কমিটির সদস্য অপুর্ব প্রামানিক বলেন, “বিজেপি ও তৃণমূল আসলে একই মুদ্রার দুই পিঠ। সুযোগসন্ধানী মনোভাব থেকেই এক দল থেকে অন্য দলে যাওয়া–আসা চলছে। গণতন্ত্রের জন্য এটা অত্যন্ত বিপজ্জনক প্রবণতা।”
রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, জয়নগর এলাকায় ভোটের আগে দলবদলের এই প্রবণতা আরও তীব্র হতে পারে। স্থানীয় জনমানসে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের আলোচনা শুরু হয়েছে। সঙ্গীতার দলত্যাগ শুধু একটি গ্রাম পঞ্চায়েতের ঘটনা নয়—এটি নির্বাচনের আগে দক্ষিণ ২৪ পরগনার রাজনৈতিক পরিবেশে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলেই মনে করছেন অনেকে।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us