/indian-express-bangla/media/media_files/2026/03/02/pol-2026-03-02-09-39-12.jpg)
wb assembly election 2026: ভোটের মুখে রাজ্য সফরে এসে তৃণমূলকে তুলোধনা নাড্ডার।
২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের রণদামামা বাজিয়ে সীমান্ত জেলা নদীয়ায় দাঁড়িয়ে রাজ্যের শাসকদলকে তীব্র আক্রমণ শাণালেন বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা। রবিবার কৃষ্ণনগরের কাছে দিগনগরে 'সংকল্প পরিবর্তন যাত্রা'য় অংশ নিয়ে তিনি সাফ জানান, অনুপ্রবেশ বন্ধ করতে এবং সীমান্ত সুরক্ষিত করতে পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতার পরিবর্তন অপরিহার্য।
সীমান্ত সুরক্ষা ও ফেন্সিং ইস্যু
এদিনের জনসভা থেকে নাড্ডা অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকারের অসহযোগিতার কারণেই সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার কাজ থমকে আছে। তিনি বলেন, "তৃণমূল সরকার জমি দিচ্ছে না, তাই ফেন্সিং করা যাচ্ছে না। বিজেপি ক্ষমতায় এলে সীমান্ত সিল করা হবে এবং অনুপ্রবেশ সম্পূর্ণ বন্ধ হবে।" উল্লেখ্য, নদিয়ার ২২২ কিমি ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের মধ্যে এখনও প্রায় ২৩.৭ কিমি এলাকা কাঁটাতারহীন, যার সুযোগ নিয়ে অতীতে সুব্রত বাইন বা শাকিল গাজীর মতো জঙ্গিরা এই জেলাকে করিডোর হিসেবে ব্যবহার করেছে।
ভোটের মুখে 'অনুপ্রবেশ'ই হাতিয়ার
রাজনৈতিক মহলের মতে, আসন্ন নির্বাচনে বিজেপি যে অনুপ্রবেশ এবং সীমান্ত নিরাপত্তাকেই প্রধান ইস্যু করতে চলেছে, নাড্ডার বক্তব্য তারই ইঙ্গিত। বিশেষ করে মুরুটিয়া, তেহট্ট, হাঁসখালি ও ধানতলার মতো নদীমাতৃক ও স্থল সীমান্ত এলাকায় পাচার ও অনুপ্রবেশ রুখতে বিএসএফ-এর সমস্যার কথা তুলে ধরে তৃণমূলকে কোণঠাসা করার কৌশল নিয়েছে গেরুয়া শিবির।
আরও পড়ুন- West Bengal Weather: গরম না কি বৃষ্টি? দোলের দিন আবহাওয়া কার পক্ষে? জেনে নিন এক ক্লিকে!
SIR ইস্যুতে ক্ষোভ, মাঠ ছাড়লেন জনতা
এদিন নাড্ডার বক্তব্যে দুর্নীতি ও কাটমানি ইস্যু থাকলেও, নদীয়ার জ্বলন্ত সমস্যা 'স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন' (SIR) বা ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়া নিয়ে তিনি নীরব ছিলেন। জেলায় প্রায় ৬২ হাজার মানুষের নাম বাদ পড়া এবং ২ লক্ষ ৩০ হাজারের বেশি নাম বিচারাধীন থাকা নিয়ে মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ছিল। বিকেলের সভায় নাড্ডা এই বিষয়ে কোনো আলোকপাত না করায় উপস্থিত জনতার একাংশকে ক্ষোভে মাঠ ছাড়তে দেখা যায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে বিজেপি কর্মীদের ছোটাছুটি করতেও দেখা গেছে।
আরও পড়ুন-ভোটের খেলা শুরু রাজ্যে, কবে ব্রিগেডে মোদীর সভা? জানিয়ে দল বিজেপি, আজই রাজ্যে শাহ
এদিনের কর্মসূচিতে জেপি নাড্ডা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার, রাহুল সিনহা-সহ রাজ্যের প্রথম সারির বিজেপি নেতৃত্ব। সব মিলিয়ে, নির্বাচনের আগে নদীয়ার মাটি থেকে রাজ্য রাজনীতিতে মেরুকরণের পারদ আরও চড়ালেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us