/indian-express-bangla/media/media_files/2026/02/15/katwa-station-azimganj-passenger-train-fire-investigation-2026-02-15-20-31-01.jpg)
পুড়ে খাক রেলের আস্ত কামরা,কারণ কি নাশকতা?
কারণ কি নাশকতা? যদিও তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া (Katwa) স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা ৫৩৪৩৫ আপ আজিমগঞ্জ প্যাসেঞ্জার ট্রেনের একটি কামরায় হঠাৎ আগুন লাগার ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মুহূর্তের মধ্যে আগুন গোটা কামরায় ছড়িয়ে পড়ে এবং প্রায় সম্পূর্ণ কামরাটি পুড়ে খাক হয়ে যায়। ঘটনায় রেল দফতর বিস্মিত। ইতিমধ্যেই রেলের (rail) তরফে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত শুরু হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে উঠে আসা তথ্য ঘুম কেড়েছে রেল কর্তাদের।
আরও পড়ুন- তারেক রহমানের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত মোদী, ভারত-বাংলাদেশ সোনালি অধ্যায়ের সূচনা?
রবিবার ভোরে কাটোয়া স্টেশনের ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে ছিল ৫৩৪৩৫ আপ আজিমগঞ্জ প্যাসেঞ্জার ট্রেনটি। সকাল ৬টায় ট্রেনটির কাটোয়া থেকে আজিমগঞ্জের উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়ার কথা ছিল। তার প্রায় দেড় ঘণ্টা আগে, ভোর সাড়ে চারটে নাগাদ হঠাৎ ট্রেনের একটি কামরায় দাউদাউ করে আগুন জ্বলে ওঠে। স্টেশনে উপস্থিত যাত্রীদের মধ্যে তুমুল আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, প্রথমে ওই কামরা থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়, তারপর মুহূর্তের মধ্যে আগুনের শিখা আকাশছোঁয়া রূপ নেয়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় জিআরপি ও আরপিএফ। তাদের তরফে দমকল বিভাগকে খবর দেওয়া হলে অল্প সময়ের মধ্যেই দমকলের দুটি ইঞ্জিন এসে আগুন নেভানোর কাজে হাত লাগায়। দমকলকর্মীদের তৎপরতায় আগুন দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসে এবং বড়সড় দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়। কোনও হতাহতের ঘটনা না ঘটলেও অগ্নিকাণ্ডে ট্রেনটির একটি কামরা সম্পূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ঘটনার জেরে সাময়িকভাবে কাটোয়া স্টেশন দিয়ে ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখা হয়। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে রেল পরিষেবা পুনরায় চালু করা হয়। প্রাথমিকভাবে দমকলের অনুমান ছিল, শর্ট সার্কিটের জেরেই আগুন লেগে থাকতে পারে। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আগুন লাগার কারণ নিয়ে রহস্য ঘনীভূত হয়।
ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে হাওড়া রেলওয়ে ডিভিশনের ডিআরএমের নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি কাটোয়া স্টেশনে পৌঁছায়। ক্ষতিগ্রস্ত কামরাটি ডেঞ্জার টেপ দিয়ে ঘিরে দিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ। তদন্তের স্বার্থে স্টেশনে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে।
এই প্রসঙ্গে পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক শিবরাম মাজি বলেন, “ট্রেনটি প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে ছিল। তাই কীভাবে আগুন লাগল, তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আগামীকাল ফরেনসিক দলের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত করবেন। প্রাথমিকভাবে রেল আধিকারিকদের তদন্তে ইঙ্গিত মিলেছে যে আগুন বাইরে থেকে লাগানো হয়ে থাকতে পারে। তবে পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট পাওয়ার পরই আসল কারণ স্পষ্ট হবে।”
আরও পড়ুন- মমতার সাধের লক্ষ্মীর ভান্ডার নিয়ে মারাত্মক অভিযোগ, ভোটের আগে তোলপাড় বাংলা
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us