/indian-express-bangla/media/media_files/2025/06/16/kx5J8rcn6U7xSkpCOyNU.jpg)
Kolkata to Bhutan flight: প্রতীকী ছবি।
Middle East crisis impact on aviation: ইরানে বিমান হানার পর মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে তৈরি হওয়া চরম অস্থিরতার প্রভাব সরাসরি পড়ল কলকাতার বিমান পরিষেবায়। আকাশপথ বন্ধ হওয়া এবং একের পর এক আন্তর্জাতিক উড়ান বাতিল হওয়ার ফলে কার্যত দিশেহারা হয়ে পড়েছেন তিলোত্তমার পর্যটক থেকে শুরু করে সাধারণ যাত্রীরা। ইরান, ইরাক এবং কুয়েতের মতো গুরুত্বপূর্ণ আকাশপথগুলি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পশ্চিমের দেশগুলিতে যাওয়ার প্রধান ‘গেটওয়ে’ বা প্রবেশপথটি বর্তমানে রুদ্ধ।
কলকাতা বিমানবন্দরে অচলাবস্থা
নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে (NSCBI) রবিবার দিনভর দেখা গেল চরম অনিশ্চয়তার ছবি। এমিরেটস, কাতার এয়ারওয়েজ এবং ইতিহাদের মতো প্রথম সারির বিমান সংস্থাগুলি তাদের পরিষেবা স্থগিত বা ঘুরিয়ে দিতে বাধ্য হয়েছে। বিমানবন্দর সূত্রের খবর, শুধুমাত্র রবিবারই ১০টি আন্তর্জাতিক উড়ান বাতিল করা হয়েছে, যার মধ্যে ৫টি আসা এবং ৫টি যাওয়ার উড়ান ছিল।
আরও পড়ুন- ভোটের আগেই নিরাপত্তার বজ্র আঁটুনি! কোন জেলায় কত বাহিনী?
এর মধ্যে এমিরেটসের ৪টি উড়ান বাতিল হয়েছে। এছাড়াও কাতার এয়ারওয়েজ, ইতিহাদ এবং এয়ার আরাবিয়ার পরিষেবাও বিঘ্নিত হয়েছে। হংকং থেকে দোহাগামী কাতার এয়ারওয়েজের একটি পণ্যবাহী বিমান শনিবার বিকেল থেকে কলকাতা বিমানবন্দরে দাঁড়িয়ে রয়েছে। মুম্বাই বা করাচি বিমানবন্দর অতিরিক্ত চাপ নিতে না পারায় এই বিমানটিকে কলকাতায় নামানো হয়েছিল।
আরও পড়ুন-SIR: ভোটার তালিকা না কি মরণফাঁদ? পরিবারের ৯ জনের নাম ‘বিচারাধীন’ শুনেই হৃদরোগে আক্রান্ত বৃদ্ধ
দুবাই কলকাতার মানুষের কাছে অন্যতম পছন্দের গন্তব্য এবং আমেরিকা বা ইউরোপ যাওয়ার প্রধান ট্রানজিট হাব। কিন্তু বর্তমান সংকটে পাল্টে গেছে সব হিসেব।বিমান ভাড়া এক ধাক্কায় ২০ শতাংশের বেশি বেড়েছে। কলকাতা থেকে দুবাই যাওয়ার এক পিঠের টিকিটের দাম বর্তমানে ৪০,০০০ টাকার কাছাকাছি পৌঁছেছে।আগে মধ্যপ্রাচ্য হয়ে আমেরিকা যেতে যেখানে ২১ ঘণ্টা সময় লাগত, এখন সিঙ্গাপুর বা ব্যাংকক হয়ে ঘুরে যেতে সময় লাগছে ৩০ থেকে ৪৫ ঘণ্টা।
আরও পড়ুন-দোলের দিন দুবেলাই কী বন্ধ থাকবে মদের দোকান? পরের দিন হোলিতেও 'ড্রাই ডে'?
ট্রাভেল এজেন্টরা এখন যাত্রীদের দুবাইয়ের বদলে সিঙ্গাপুর, ব্যাংকক বা কুয়ালালামপুর দিয়ে পাঠানোর পরামর্শ দিচ্ছেন। ট্রাভেল ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়া (ইস্টার্ন চ্যাপ্টার)-এর চেয়ারম্যান অনিল পাঞ্জাবি বলেন, “দুবাই কলকাতা ভ্রমণকারীদের কাছে একটি লাইফলাইন। বর্তমান পরিস্থিতি ব্যবসা এবং ভ্রমণ, উভয়কেই বিপর্যস্ত করে তুলেছে।”
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ভারতীয় দূতাবাস থেকে নাগরিকদের অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ইন্ডিগো এবং এয়ার ইন্ডিয়ার মতো দেশীয় সংস্থাগুলিও ২ মার্চ পর্যন্ত তাদের মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক উড়ান স্থগিত রেখেছে। বিশেষ করে ইরানে আটকে থাকা প্রায় ১,২০০ ভারতীয় ডাক্তারি পড়ুয়াদের নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।
নিরাপত্তার খাতিরে অনেকেই এখন বিদেশ ভ্রমণের পরিকল্পনা বাতিল করছেন। শাড়ি রপ্তানিকারক শ্রুতি রাজগারিয়ার কথায়, “ঝুঁকি না নিয়ে এখন বিদেশের বদলে দেশের ভেতরেই কোথাও ঘুরে আসা ভালো।”
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us