কোচিং নিতে কোটায়, রেস্তোরাঁ বিপর্যয়ে মর্মান্তিক মৃত্যু বাংলার মেধাবী পড়ুয়ার, গুরুতর আহত মা'ও, ভর্তি হাসপাতালে

রাজস্থানের কোটায় শনিবার ভরসন্ধ্যায় হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল একটি বহুতল। ওই বহুতলটিতে একাধিক রেস্তোরাঁ ছিল বলে জানা গিয়েছে। ঘটনায় দুজনের মৃত্যু হয়েছে এবং প্রায় ১৩ জন আহত হয়েছেন।

রাজস্থানের কোটায় শনিবার ভরসন্ধ্যায় হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল একটি বহুতল। ওই বহুতলটিতে একাধিক রেস্তোরাঁ ছিল বলে জানা গিয়েছে। ঘটনায় দুজনের মৃত্যু হয়েছে এবং প্রায় ১৩ জন আহত হয়েছেন।

author-image
IE Bangla Web Desk
আপডেট করা হয়েছে
New Update
kota-building-collapse-rajasthan-death-injured

রাজস্থানের কোটায় শনিবার ভরসন্ধ্যায় হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল একটি বহুতল

রাজস্থানের কোটায় শনিবার ভরসন্ধ্যায় হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল একটি বহুতল। ওই বহুতলটিতে একাধিক রেস্তোরাঁ ছিল বলে জানা গিয়েছে। দুর্ঘটনায় দুজনের মৃত্যু হয়েছে এবং প্রায় ১৩ জন আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে একজন পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দাও রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। নিহত যুবক কোটায় পড়াশোনা করার জন্য এসেছিলেন এবং একটি বেসরকারি কোচিং ইনস্টিটিউটে প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। আহতদের মধ্যে ছয়জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। জানা গিয়েছে মৃত যুবকের বাড়ি কোচবিহারে। মৃতের নাম আরিয়ান। গুরুতর আহত তার মা। তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। 

Advertisment

ঘটনাটি জওহর নগর থানার অন্তর্গত ইন্দ্র বিহারের অপেরা হাসপাতালের গেটের সামনে ঘটেছে। রাত ৮:৪৫ নাগাদ রেস্তোরাঁয় তখন বেশ ভিড় ছিল,ঠিক সেই সময় তিনতলা ভবনের একটি অংশ হঠাৎ ধসে পড়ে। ধ্বংসস্তূপের নিচে অনেকের আটকে থাকার আশঙ্কায় জরুরি ভিত্তিতে শুরু হয় উদ্ধার অভিযান।

Advertisment

প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, ভবনের পিছনে চলমান  কাজের কারণে ভবনের ভিত নড়ে গিয়েই বহুতল ওই ভবনটি ধসে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সুপারিনটেনডেন্ট ডাঃ আশুতোষ শর্মা জানিয়েছেন, মোট ১১ জনকে হাসপাতালে আনা হয়েছিল, যাদের মধ্যে দুজনকে মৃত ঘোষণা করা হয়। মৃত ছাত্র কোচবিহারের বাসিন্দা। প্রশাসন মৃতের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করছে।

আরও পড়ুন- 'আরএসএস কারও বিরুদ্ধে নয়, কুস্তির আখড়াও নয়' বিরাট বার্তা সংঘ প্রধান মোহন ভাগবতের

প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, “হঠাৎ এমন শব্দ হয় যেন পটকা জাতীয় কিছু ফাটছে। কিছুক্ষণের মধ্যেই বিকট শব্দের সঙ্গে পুরো ভবনটি ভেঙে পড়ে। ভিতর থেকে ‘বাঁচাও, বাঁচাও’ চিৎকার ।” স্থানীয়দের আরও দাবি, পাশের একটি ভবনে বেশ কয়েকদিন ধরে নির্মাণকাজ চলছিল। সেখানে নিয়মিত ড্রিল মেশিন ও ভারী হাতুড়ি ব্যবহারের ফলে আশপাশের ভবনগুলিতে প্রবল কম্পন হচ্ছিল। এই কম্পনের জেরেই দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে। 

rajasthan