অভিষেক সরব হতেই 'অ্যাকশনে' পুলিশ, বিজেপির দলীয় কার্যালয় উচ্ছেদ অভিযানে ধুন্ধুমার

জবরদখল করে গড়ে ওঠা বিজেপির দলীয় কার্যালয় উচ্ছেদ করতে গিয়ে বাধার মুখে পড়ে পিছিয়ে আসতে হলো পুলিশকে। বুধবার আদালতের নির্দেশে নদিয়ার কৃষ্ণনগরে রজনী মুখার্জ্জী লেনের ওই পার্টি অফিস উচ্ছেদ করতে যায় পুলিশের একটি বড় দল।

জবরদখল করে গড়ে ওঠা বিজেপির দলীয় কার্যালয় উচ্ছেদ করতে গিয়ে বাধার মুখে পড়ে পিছিয়ে আসতে হলো পুলিশকে। বুধবার আদালতের নির্দেশে নদিয়ার কৃষ্ণনগরে রজনী মুখার্জ্জী লেনের ওই পার্টি অফিস উচ্ছেদ করতে যায় পুলিশের একটি বড় দল।

author-image
Mousumi Das Patra
New Update
Krishnanagar BJP office, BJP party office eviction, Nadia news, land encroachment controversy, police obstruction, Sujata Sarkar, Sanjib Saha, Abhishek Banerjee, BJP vs TMC, West Bengal political tension, court ordered eviction, Ranji Mukherjee Lane

অভিষেক সরব হতেই 'অ্যাকশনে' পুলিশ, বিজেপির দলীয় কার্যালয় উচ্ছেদ অভিযানে ধুন্ধুমার

জবরদখল করে গড়ে ওঠা বিজেপির দলীয় কার্যালয় উচ্ছেদ করতে গিয়ে বাধার মুখে পড়ে পিছিয়ে আসতে হলো পুলিশকে। বুধবার আদালতের নির্দেশে নদিয়ার কৃষ্ণনগরে রজনী মুখার্জ্জী লেনের ওই পার্টি অফিস উচ্ছেদ করতে যায় পুলিশের একটি বড় দল। কিন্তু অফিসের আগে চ্যালেঞ্জ মোড়ে বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা পথ অবরোধ করে বসে পড়েন। পুলিশের বিরুদ্ধে স্লোগানও দেওয়া হয়। পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং দু’পক্ষের মধ্যে ধাক্কাধাক্কির ঘটনাও ঘটে। বেলা গড়ালেও অবরোধ না ওঠায় শেষ পর্যন্ত পুলিশ আর এগোতে পারেনি।

Advertisment

আরও পড়ুন-শুভেন্দুর উপস্থিতিতেই মারধর, সম্মানহানি, জল গড়াল থানায়, পাল্টা সিইওকে চিঠি বিজেপির 

বাড়ির মালিক সুজাতা সরকারের জামাই সঞ্জীব সাহা পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তাঁর অভিযোগ, “এর জন্য পুলিশই দায়ী। পুলিশ যদি একটু সচেষ্ট হতো তাহলে উচ্ছেদ করা যেত। আমরা আবার আদালতের দ্বারস্থ হব।” এর আগে সুজাতা সরকার দাবি করেছিলেন, তাঁর স্বামী উচ্ছেদের মামলা করে জয়ী হন। মামলায় জেতার পর ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে তাঁর স্বামীর মৃত্যু হয়। তারপর একাধিক নোটিশ পাঠানো হলেও দখলদাররা বাড়ি ছাড়েননি এবং কোনও ভাড়াও দেননি। বর্তমানে তিনি সামান্য পেনশনের ওপর নির্ভরশীল বলেও জানান।

Advertisment

এই জমিতে বিজেপির দলীয় কার্যালয় গড়ে ওঠা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক বিতর্ক চলছে। সম্প্রতি চাপড়ায় এসে তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিষয়টি প্রকাশ্যে  তোলেন। তাঁর অভিযোগ ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হয়।

এদিন সকাল থেকেই ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন ডিএসপি শিল্পী পাল এবং কোতোয়ালি থানার আইসি অমলেন্দু বিশ্বাস-সহ বিশাল পুলিশ বাহিনী। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত বিজেপির উত্তর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি অর্জুন বিশ্বাস-সহ একাধিক নেতা ও কর্মী সেখানে অবস্থান করেন। অর্জুন বিশ্বাস বলেন, “এই পার্টি অফিস দীর্ঘদিনের। কর্মীদের আবেগ জড়িয়ে আছে। পার্টি অফিস রক্ষা করতে কর্মীরা এসেছিলেন। এর মধ্যে দিয়ে যেতে হলে পুলিশকে লাঠিচার্জ করতে হতো। তাই পুলিশ এগোয়নি।”

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আদালতের নির্দেশ ছিল শান্তিপূর্ণভাবে উচ্ছেদ করার। সেখানে মহিলা ও বহু কর্মী উপস্থিত থাকায় এবং আইনশৃঙ্খলার কথা মাথায় রেখে জোরপূর্বক পদক্ষেপ করা হয়নি। ঘটনাকে কেন্দ্র করে দিনভর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

আরও পড়ুন-রাজ্যে চলছে 'মহাজঙ্গল রাজ’, হাওড়ায় প্রমোটার খুনে তৃণমূলকে তুলোধোনা বিজেপির

West Bengal Nadia