/indian-express-bangla/media/media_files/2025/01/09/CBF7JvTT9ozUtGIcku8h.jpg)
অর্থসংকটে ভুগছে শতাব্দী প্রাচীন পুরসভা, তড়িঘড়ি বিরাট সিদ্ধান্ত
কৃষ্ণনগর পুরসভার আর্থিক সঙ্কট মোকাবিলায় বড় সিদ্ধান্ত প্রশাসনের। জানানো হয়েছে, এবার থেকে পুরসভায় কাজ করলে তবেই মিলবে মজুরি, ছুটির দিনে আর কোনও অতিরিক্ত টাকা দেওয়া হবে না। ১ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হয়েছে এই নতুন নির্দেশিকা। কৃষ্ণনগর পুরসভার পুরপ্রশাসক ও সদর মহকুমাশাসক শারদ্বতী চৌধুরী এই নির্দেশ জারি করেছেন।
'ঈশ্বরের পা ছুঁয়ে 'বিরাট' প্রণাম', 'জীবন সার্থক' আরামবাগের যুবকের
জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরেই মারাত্মক আর্থিক সমস্যায় জর্জরিত কৃষ্ণনগর পুরসভা। নিকাশি থেকে শুরু করে বিভিন্ন পরিষেবায় অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত এই পুরসভায় গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব বাড়তে থাকায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। নাগরিক পরিষেবা ভেঙে পড়ায় ক্ষোভ ছড়ায় শহরজুড়ে। পরিস্থিতি সামাল দিতে সেপ্টেম্বর মাসে তৃণমূল নেতৃত্ব কাউন্সিলরদের কলকাতায় বৈঠকে ডেকে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে। কোনও সমাধান না মিললে বোর্ড ভেঙে দিয়ে পুরসভার দায়িত্ব দেওয়া হয় মহকুমাশাসক শারদ্বতী চৌধুরীকে।
বছরের শেষ মাসের প্রথম দিনে হুড়মুড়িয়ে কমল সোনার দাম, কলকাতার দর শুনে চমকে যাবেন
পুরপ্রশাসকের অর্ডার অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ১৩ আগস্ট ইউডিএমএ দফতরের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও পুরসভায় অনিয়মিত ভাবে প্রায় ৩০০ ক্যাজুয়াল কর্মী নিয়োগ করা হয়। বর্তমানে কৃষ্ণনগর পুরসভায় মোট ১৩২৬ জন কর্মী রয়েছেন। স্থায়ী কর্মী মাত্র ২৯১ জন, বাকি সবাই ক্যাজুয়াল স্টাফ। এদের অনেকে ঠিক কী নথিতে নিয়োগ পেয়েছেন তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। এমনকি একজন কর্মীর দুই জায়গা থেকে বেতন পাওয়ার উদাহরণও রয়েছে।
সূত্রের খবর, ক্যাজুয়াল কর্মীদের ৩১ দিনের বেতন দেওয়া হচ্ছে শুধু কৃষ্ণনগর পুরসভাতেই, যেখানে অন্যত্র ২২ বা ২৪ দিনের বেতনই প্রচলিত। প্রতি মাসে পুরসভার বেতন বাবদ খরচ হয় ১ কোটি ৩৬ লক্ষ টাকা, যার মধ্যে ৬৬ লক্ষ টাকা যায় ক্যাজুয়াল স্টাফদের বেতনে। গত ১০ মাস ধরে রাজস্ব আয় প্রায় নেই বললেই চলে, সঞ্চিত অর্থ দিয়েই কোনওরকমে বেতন দেওয়া হয়েছে।
রাজ্যে কবে বিধানসভা নির্বাচন? জানিয়েই দিলেন শুভেন্দু অধিকারী
এই পরিস্থিতিতে ব্যয় কমানো জরুরি হয়ে পড়ায় পুরপ্রশাসক নির্দেশ দিয়েছেন, ছুটির দিনে কাজ না করলে কোনও মজুরি দেওয়া হবে না। রবিবারসহ ছুটির দিনে কাজ না করার বিষয়টি অর্ডারে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে।
এই প্রসঙ্গে পুরপ্রশাসক শারদ্বতী চৌধুরী বলেন,“পুরসভা পরিচালনায় সরকারি নিয়মই মানতে হবে। ক্যাজুয়াল স্টাফদের ৩১ দিনের বেতন কোথাও হয় না। কোষাগারের অবস্থা খুবই খারাপ। তাই পরিস্থিতি ঠিক করতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।” অন্যদিকে বিষয়টি নিয়ে কৃষ্ণনগর পুরসভার প্রাক্তন ভাইস চেয়ারম্যান ও তৃণমূলের জেলা সাধারণ সম্পাদক মলয় দত্ত বলেছেন,“এ বিষয়ে বিস্তারিত জানি না, তাই মন্তব্য করতে পারব না।”
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us