/indian-express-bangla/media/media_files/2025/11/11/ppp-2025-11-11-07-12-36.jpg)
Red Fort blast: বিস্ফোরণের পর ঘটনাস্থলের ছবি।
Lal Kella blast: লাল কেল্লা বিস্ফোরণ কাণ্ডে ইতিমধ্যে ৯ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। এই বিস্ফোরণের ঘটনায় প্রাথমিক তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য হাতে পেয়েছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, যে হুন্ডাই i20 গাড়িটি বিস্ফোরণের উৎস ছিল, সেটি লালকেল্লা সংলগ্ন পার্কিং এলাকায় তিন ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে পার্ক করা ছিল। তারপর সেখান থেকে গাড়িটি বেরিয়ে যায়।
তদন্তকারী সূত্রে খবর, সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে সোমবার দুপুর ৩টা ১৯ মিনিটে গাড়িটি পার্কিং এলাকায় প্রবেশ করছে এবং ৬টা ৪৮ মিনিট নাগাদ সেখান থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে। একটি সূত্রের দাবি, “গাড়িটি যখন পার্কিং থেকে বেরোচ্ছে, তখন আশপাশে প্রচুর যানজট ছিল।”
ওই সূত্র আরও জানিয়েছে, গাড়িটিকে দরিয়াগঞ্জ, লালকেল্লা এলাকা, কাশ্মীরি গেট এবং সোনেহরি মসজিদের আশেপাশে ঘোরাঘুরি করতে দেখা গিয়েছে। পুলিশ জানায়, সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে গাড়ির আরোহী বা আরোহীদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। “ফরেনসিক দল ও বোম্ব ডিসপোজাল স্কোয়াড ঘটনাস্থলে গিয়ে গাড়ির অবশিষ্টাংশ পরীক্ষা করছে,” বলে জানিয়েছেন এক কর্মকর্তা।
দিল্লি পুলিশের বিশেষ সেল, ক্রাইম ব্রাঞ্চ এবং ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (NIA)-এর একাধিক দলকে এই ঘটনার তদন্তে যুক্ত করা হয়েছে। তাঁরা গাড়িটি পার্কিং এলাকায় আসার আগে কোন কোন পথে চলেছিল, তা খতিয়ে দেখছেন। এক আধিকারিকের কথায়, “আমরা আশপাশের রাস্তা ও টোল বুথের ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করছি, যাতে গাড়ির সম্পূর্ণ গতিপথ নির্ধারণ করা যায়।”
দিল্লি পুলিশ কমিশনার সতীশ গোলচা জানিয়েছেন, প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী গাড়িটিতে একাধিক ব্যক্তি ছিলেন। এদিকে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ(Amit Shah) ঘটনার পরপরই দিল্লি পুলিশ কমিশনার ও ঘটনাস্থলে উপস্থিত অন্য সিনিয়র আধিকারিকদের কাছ থেকে ঘটনার বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়েছেন বলে জানিয়েছে গৃহ মন্ত্রক (MHA)।
গতকাল সোমবার সন্ধ্যা প্রায় ৬টা ৫৩ মিনিটে লাল কেল্লা মেট্রো স্টেশনের গেট নম্বর ১-এর কাছে একটি ধীর গতিতে চলা গাড়ি ট্রাফিক সিগন্যালে থামার সময় হঠাৎ ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের অভিঘাতে আশেপাশে থাকা আরও কয়েকটি যানবাহণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের তিনটি গাড়িতেও। এখনও পর্যন্ত ওই ঘটনায় ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। প্রকৃতই এই গাড়ির মালিকানা এখন কার রয়েছে, তার আগে কার ছিল, কিভাবে এই গাড়ি কার পার্কিংয়ে এল, এসব নিয়ে বিস্তারিত তদন্ত চলছে।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us