/indian-express-bangla/media/media_files/2025/11/11/blast-2025-11-11-07-30-42.jpg)
Red Fort blast: বিস্ফোরণের পর ঘটনাস্থলের ছবি।
Red Fort blast: লালকেল্লা বিস্ফোরণ কাণ্ডে তদন্তে বড় অগ্রগতি। তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, যে হুন্ডাই i20 গাড়িটি বিস্ফোরণের উৎস ছিল, সেটি কাশ্মীরের পুলওয়ামার এক ৩৪ বছর বয়সি বাসিন্দা গত ২৯ অক্টোবর কিনেছিলেন। তাঁর পরিচয় এখনও প্রকাশ করা হয়নি বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।
বিস্ফোরণের কয়েক ঘণ্টা পরেই দিল্লি পুলিশ গুরগাঁওয়ের এক বাসিন্দাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে, যার নামে আগে ওই গাড়িটি রেজিস্টার ছিল। তদন্তকারীদের তিনি জানিয়েছেন, বহু আগেই গাড়িটি বিক্রি করে দিয়েছেন। এরপরই পুলিশ রিজিওনাল ট্রান্সপোর্ট অফিস (আরটিও)-এর সঙ্গে যোগাযোগ করে মালিকানা হস্তান্তরের নথি খতিয়ে দেখে। তদন্তে জানা যায়, গাড়িটি একাধিকবার হাতবদল হয়ে শেষ পর্যন্ত পুলওয়ামার ওই ব্যক্তির কাছে পৌঁছায়।
আরও পড়ুন- Red Fort blast: লালকেল্লা বিস্ফোরণ, ঘটনার আগে বিস্ফোরক বোঝাই গাড়ি কোথায়, কতক্ষণ ছিল?
এছাড়া, প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, সোমবার বিস্ফোরণের আগে গাড়িটি লালকেল্লা সংলগ্ন পার্কিং এলাকায় তিন ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে পার্ক করা ছিল। সূত্রের দাবি, সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে, গাড়িটি দুপুর ৩টা ১৯ মিনিটে পার্কিং লটে প্রবেশ করছে এবং ৬টা ৪৮ মিনিটে সেখান থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে। “গাড়িটি যখন পার্কিং থেকে বেরোয়, তখন আশপাশে যানজট ছিল,” বলেন এক তদন্তকারী।
গাড়িটিকে দরিয়াগঞ্জ, লালকেল্লা এলাকা, কাশ্মীরি গেট, এবং সোনেহরি মসজিদ সংলগ্ন জায়গাতেও দেখা গিয়েছে বলে সূত্রের খবর। সিসিটিভি ফুটেজে আরও দেখা যায়, এক ব্যক্তি গাড়ির চালকের আসনে বসে পার্কিং স্লিপ সংগ্রহ করছেন।
তবে দিল্লি পুলিশ কমিশনার সতীশ গোলচা জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে গাড়িটিতে একাধিক ব্যক্তি ছিলেন। যদিও ফুটেজে আপাতত একজনকেই দেখা যাচ্ছে, তবে তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন পরে আর কেউ গাড়িতে ওঠেন কি না।
বিস্ফোরণের ঘটনার তদন্তে যুক্ত রয়েছে দিল্লি পুলিশের বিশেষ সেল, ক্রাইম ব্রাঞ্চ, এবং ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (NIA)। এক আধিকারিক বলেন, “আমরা আশপাশের রাস্তা ও টোল প্লাজার ফুটেজ বিশ্লেষণ করছি, যাতে গাড়িটির সম্পূর্ণ গতিপথ কি ছিল তা জানা যায়।”
উল্লেখ্য, বিস্ফোরণের মাত্র এক দিন আগে হরিয়ানার ফরিদাবাদে দুটি আবাসিক ভবন থেকে প্রায় ৩,০০০ কেজি বিস্ফোরক উদ্ধার করেছিল জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ। দিল্লি পুলিশ এখন খতিয়ে দেখছে এই দুটি ঘটনার মধ্যে কোনও যোগসূত্র রয়েছে কি না। গাড়ির মালিকানা রহস্য উদ্ধার করতে পারলে তদন্তে নয়া তথ্য উঠে আসতে পারে বলে মনে করছে তদন্তকারীরা।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us