/indian-express-bangla/media/media_files/2026/01/12/madhyamik-exam-2026-english-preparation-tips-wbbse-2026-01-12-21-12-07.jpg)
৩ ফেব্রুয়ারি, মঙ্গলবার রয়েছে দ্বিতীয় ভাষা ইংরেজি।
হাতে গোনা আর মাত্র কয়েক দিনের অপেক্ষা। তারপরই লক্ষ লক্ষ পড়ুয়ার জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষা মাধ্যমিক। জীবনের এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলস্টোন হিসেবে ধরা হয় এই পরীক্ষাকে। ইতিমধ্যেই মাধ্যমিক পরীক্ষার নির্ঘণ্ট প্রকাশ করেছে পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ (WBBSE)। চলতি বছরে পরীক্ষা শুরু হবে আগামী ২ ফেব্রুয়ারি এবং শেষ হবে ১২ ফেব্রুয়ারি।
পর্ষদের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে মাধ্যমিক পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৯ লক্ষ ১৩ হাজার ৮৮৩ জন। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৭ লক্ষ ৯১ হাজার ৮৮ জন। পাশের হার ছিল ৮৬.৫৬ শতাংশ।
চলতি বছরের পরীক্ষাসূচি অনুযায়ী, ২ ফেব্রুয়ারি, সোমবার প্রথম ভাষা অর্থাৎ বাংলা পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ৩ ফেব্রুয়ারি, মঙ্গলবার রয়েছে দ্বিতীয় ভাষা ইংরেজি। এরপর ৬ ফেব্রুয়ারি, শুক্রবার ইতিহাস, ৭ ফেব্রুয়ারি, শনিবার ভূগোল, ৯ ফেব্রুয়ারি, সোমবার অঙ্ক, ১০ ফেব্রুয়ারি, মঙ্গলবার ভৌত বিজ্ঞান, ১১ ফেব্রুয়ারি, বুধবার জীবন বিজ্ঞান এবং ১২ ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার ঐচ্ছিক বিষয়ের পরীক্ষা নেওয়া হবে।
মাধ্যমিক পরীক্ষা জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষা হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই পরীক্ষার্থীদের মধ্যে চাপ ও উৎকণ্ঠা কাজ করে। বিশেষ করে অধিকাংশ পড়ুয়াই ইংরেজি ও অঙ্ক নিয়ে কিছুটা আতঙ্কিত থাকে। প্রশ্নপত্র কেমন হবে, কীভাবে প্রস্তুতি নিলে চাপমুক্ত হয়ে ভালো নম্বর পাওয়া যাবে এই প্রশ্নই এখন লাখো পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মনে ঘুরপাক খাচ্ছে।
সব বিষয়ে ভালো নম্বর পাওয়ার লক্ষ্য থাকলেও ইংরেজি নিয়ে অনেক পরীক্ষার্থীই বাড়তি দুশ্চিন্তায় ভোগে। তবে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের মতে, সঠিক কৌশলে প্রস্তুতি নিলে ইংরেজিতেও ভালো ফল করা সম্ভব। মাধ্যমিকের ইংরেজি প্রশ্নপত্র মূলত চারটি ভাগে বিভক্ত ‘রিডিং কম্প্রিহেনশন (সিন)’, ‘রিডিং কম্প্রিহেনশন (আনসিন)’, ‘গ্রামার অ্যান্ড ভোকাবুলারি’ এবং ‘রাইটিং স্কিল’।
শিক্ষকদের মতে, ‘রিডিং কম্প্রিহেনশন (সিন)’ অংশের জন্য পাঠ্যবই ভালোভাবে পড়ার কোনও বিকল্প নেই। মাল্টিপল চয়েস, সত্য-মিথ্যা যাচাই, কজ অ্যান্ড এফেক্ট, বাক্য সম্পূর্ণ করার মতো প্রশ্নে দ্রুত ও নির্ভুল উত্তর লেখার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। আর ‘রিডিং কম্প্রিহেনশন (আনসিন)’ অংশে শব্দের অর্থ বোঝার ক্ষমতা থাকলে প্রশ্নের উত্তর দেওয়া অনেক সহজ হয়। নিয়মিত অনুশীলনই এখানে মূল চাবিকাঠি।
গ্রামার অংশে পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি সহায়ক বই ব্যবহার এবং প্রতিদিনের প্র্যাকটিস পরীক্ষার্থীদের বাড়তি সুবিধা দেবে বলে মত বিশেষজ্ঞদের। অন্যদিকে, ‘রাইটিং স্কিল’-এ ভালো নম্বর পেতে হলে সাম্প্রতিক বিষয় নিয়ে প্রতিদিন অন্তত ২০০ শব্দের একটি করে প্রতিবেদন বা অনুচ্ছেদ লেখার অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি। এতে লেখার ভয়, জড়তা ও বাক্যগঠনের সমস্যা অনেকটাই দূর হয়।
শিক্ষকরা বলছেন, নিয়মিত অনুশীলন এবং প্রতিটি ধাপ সঠিকভাবে অনুসরণ করলে ইংরেজিতে ভালো নম্বর পাওয়া কঠিন নয়। সময় থাকতেই পরিকল্পিত প্রস্তুতি নিলে পরীক্ষার চাপ কমবে এবং আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে মাধ্যমিকের ইংরেজি পরীক্ষায় বসতে পারবে পড়ুয়ারা।


/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us