/indian-express-bangla/media/media_files/2026/01/17/maharashtra-municipal-election-2026-bjp-shiv-sena-modi-reaction-2026-01-17-13-55-53.jpg)
'মোদী ম্যাজিকেই আস্থা', মহারাষ্ট্রে গেরুয়া ঝড়
মহারাষ্ট্রের পুর নির্বাচনে বড় সাফল্য পেল বিজেপি-শিবসেনা (শিন্দে) জোট। বৃহন্মুম্বাই পৌর কর্পোরেশন (বিএমসি) সহ রাজ্যের ২৯টি পৌর কর্পোরেশন নির্বাচনে জয়ের পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী প্রথম প্রতিক্রিয়া জানিয়ে এনডিএ কর্মীদের অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, এই ফলাফল প্রমাণ করে যে মহারাষ্ট্রের মানুষ এনডিএ-র জনকল্যাণমূলক ও সুশাসনের এজেন্ডার উপর আস্থা রেখেছেন।
ইনস্টাগ্রামে এক পোস্টে প্রধানমন্ত্রী মোদী লেখেন, “মহারাষ্ট্রের জনগণের জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করা সমস্ত এনডিএ কর্মীদের জন্য আমি গর্বিত। তারা আমাদের জোটের চমৎকার কাজ সম্পর্কে জনগণকে অবহিত করেছেন, ভবিষ্যতের পরিকল্পনা তুলে ধরেছেন এবং বিরোধীদের মিথ্যাচার কার্যকরভাবে খণ্ডন করেছেন। আমার শুভকামনা সবসময় তাদের সঙ্গে রয়েছে।”
ভোটমুখী বঙ্গে 'সুপার স্যাটারডে'! মালদায় মোদী, জলপাইগুড়িতে মমতা, মুর্শিদাবাদে রোড-শো অভিষেকের
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “ধন্যবাদ মহারাষ্ট্র! রাজ্যের উদ্যমী জনগণ এনডিএ-র সুশাসনের এজেন্ডাকে আশীর্বাদ করেছেন। বিভিন্ন পৌর নির্বাচনের ফলাফল প্রমাণ করে যে মহারাষ্ট্রের মানুষের সঙ্গে এনডিএ-র বন্ধন আরও গভীর হয়েছে। জনগণ আমাদের উন্নয়নমূলক দৃষ্টিভঙ্গির প্রশংসা করেছেন।” তিনি জানান, এই ভোট উন্নয়নের গতি বাড়ানো এবং রাজ্যের গৌরবময় সংস্কৃতিকে উদযাপনের প্রতীক।
বৃহন্মুম্বাই পৌর কর্পোরেশন নির্বাচনে বিজেপি-শিবসেনা জোটের স্পষ্ট আধিপত্য লক্ষ্য করা গেছে। ফলাফলে মহায্যুতি জোট উল্লেখযোগ্য ভালো ফল করেছে। অন্যদিকে, এই নির্বাচনে বড় ধাক্কা খেয়েছে ঠাকরে ব্রাদার্স। উদ্ধব ঠাকরে ও রাজ ঠাকরের শিবির। শিবসেনা (ইউবিটি) এবং মহারাষ্ট্র নবনির্মাণ সেনা (এমএনএস) জোট অধিকাংশ আসনেই পিছিয়ে পড়েছে।
উল্লেখ্য, মুম্বই ও থানে সহ মহারাষ্ট্রের ২৯টি পৌর কর্পোরেশনের জন্য ভোটগ্রহণ হয়েছিল ১৫ জানুয়ারি। শুক্রবার থেকে ফলাফল প্রকাশ পেতেই স্পষ্ট হয়ে যায় যে মুম্বইয়ে বিজেপি-শিবসেনা জোটই প্রধান শক্তি হিসেবে উঠে এসেছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, এই ফলাফল রাজ্যের রাজনীতিতে বিজেপির ক্রমবর্ধমান প্রভাবেরই প্রতিফলন।
West Bengal Weather: ভরা মাঘেই কি শীতের বিদায়ঘণ্টা? কবে থেকে চড়বে পারদ? দিনক্ষণ জানাল হাওয়া অফিস
বিএমসি নির্বাচনের দিকে বিশেষ নজর ছিল গোটা রাজ্যের। প্রবণতায় দেখা গিয়েছে বিজেপি শুধু নতুন এলাকাতেই নয়, বিরোধীদের ঘাঁটিতেও নিজেদের অবস্থান মজবুত করেছে। অন্যদিকে, ঠাকরে ব্রাদার্স মারাঠি ভোট একত্রিত করে শহরের উপর তাদের দীর্ঘদিনের প্রভাব বজায় রাখার চেষ্টা করেছিলেন। তবে তীব্র প্রতিযোগিতার মধ্যেও সেই কৌশল প্রত্যাশিত সাফল্য আনতে পারেনি। শিবসেনা (ইউবিটি) কয়েকটি আসনে জয় পেলেও, সামগ্রিকভাবে বিজেপি-শিবসেনা জোটের আধিপত্যের সামনে তারা পিছিয়ে পড়েছে।
হুড়মুড়িয়ে কমল সোনার দাম, কলকাতায় কতটা সস্তা হল হলুদ ধাতু? সব ছেড়ে এখন পড়ুন এই প্রতিবেদন


/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us