/indian-express-bangla/media/media_files/2026/02/12/acci-2026-02-12-14-52-14.jpg)
Poolcar accident: নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুলকার উল্টে পড়ল পুকুরে।
ফের বড়সড় দুর্ঘটনার কবলে স্কুল পুলকার। বৃহস্পতিবার সকালে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার মহিষাদলের চাঁপী এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পড়ুয়া বোঝাই একটি পুলকার রাস্তার পাশের গভীর পুকুরে উল্টে যায়। গাড়ির ভেতর থাকা ১৪ জন খুদে পড়ুয়া অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেও, এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।
দুর্ঘটনার বিবরণ
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ মহিষাদল রবীন্দ্র শিশু বিদ্যালয়ের একটি পুলকার ঝাউপাথরা এলাকা থেকে কচিকাঁচাদের নিয়ে স্কুলের দিকে যাচ্ছিল। লক্ষ্যা-২ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার চাঁপী মধ্যপল্লী পুরাতন রেশন দোকানের কাছে গ্রামীণ রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় আচমকাই নিয়ন্ত্রণ হারায় গাড়িটি। রাস্তার পাশেই ছিল একটি পানা ভর্তি গভীর পুকুর। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাড়িটি সটান পুকুরের জলে উল্টে যায়। মুহূর্তের মধ্যে গাড়িটি অর্ধেকের বেশি জলমগ্ন হয়ে পড়ে।
গ্রামবাসীদের তৎপরতায় উদ্ধারকাজ
দুর্ঘটনাটি ঘটা মাত্রই চিৎকার শুরু করেন পথচারীরা। চিৎকার শুনে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন চাঁপী গ্রামের বাসিন্দারা। তাঁরাই প্রথমে উদ্ধারকাজে হাত লাগান। গ্রামবাসীরা প্রাণপণ চেষ্টায় ডুবন্ত গাড়িটিকে টেনে ধরার চেষ্টা করেন এবং জানলার কাচ ভেঙে একে একে ১৪ জন পড়ুয়াকে নিরাপদভাবে বের করে আনেন। স্থানীয়দের দাবি, গ্রামবাসীরা দ্রুত তৎপর না হলে বড়সড় প্রাণহানির আশঙ্কা ছিল।
আরও পড়ুন-উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীকে ফেলে মার, তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করলেন দীপক অধিকারী
পুলিশি পদক্ষেপ ও স্কুল কর্তৃপক্ষের প্রতিক্রিয়া
খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় মহিষাদল থানার পুলিশ। পুলিশ ও স্থানীয়দের সহায়তায় গাড়িটিকে জল থেকে তোলা হয়। বর্তমানে সমস্ত শিশু সুস্থ রয়েছে এবং তাদের পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। ঘটনার গুরুত্ব বিচার করে পুলিশ ওই পুলকারের চালককে আটক করেছে।
মহিষাদল থানার ওসি পীযুষকান্তি মন্ডল বলেন, "খবর পাওয়া মাত্রই আমরা বাহিনী পাঠাই। বাচ্চাদের উদ্ধারের পাশাপাশি গাড়িটি উদ্ধার করা হয়েছে। চালককে আটক করা হয়েছে এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।"
আরও পড়ুন-'বাবরি যাত্রা'থেকে মমতার পাশাপাশি বিজেপিকেও হুঙ্কার ছুঁড়লেন হুমায়ুন, ভোটের আগে বাড়ালেন উত্তেজনা
স্কুলের প্রধান শিক্ষক তরণী পণ্ডা বলেন, "সব পড়ুয়া সুস্থ ও নিরাপদ রয়েছে। ঠিক কী কারণে দুর্ঘটনা ঘটল, তা আমরা খতিয়ে দেখছি। ভবিষ্যতে যাতে এই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না হয়, সেদিকে আমাদের কড়া নজর থাকবে।"
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us