/indian-express-bangla/media/media_files/2026/02/02/malda-murder-case-2026-02-02-10-45-06.jpg)
বুক কাঁপানো ঘটনায় তুমুল চাঞ্চল্য
Malda Murder Case: পরকীয়ার জের! গাড়ি চালককে নৃশংস খুন। অভিযোগ কাছের বন্ধুর বিরুদ্ধেই। খুনের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত রাজু রায়কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পাশাপাশি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে ধৃতের স্ত্রী আরতি রায়কে। শনিবার গভীর রাতে মালদা জেলার বামনগোলা থানার অন্তর্গত মদনাবতী গ্রাম পঞ্চায়েতের নালাগোলা বেলডাঙ্গা এলাকায় এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতের নাম সুভাষ রায় (৪৮)। তিনি মদনাবতী গ্রাম পঞ্চায়েতের বেলডাঙ্গার বাসিন্দা এবং পেশায় গাড়ি চালক। শনিবার বিকেলে কাজের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বেরিয়ে আর বাড়ি ফেরেননি। গভীর রাতে পরিবারের লোকজন পুলিশের কাছ থেকে খবর পান যে বাড়ি থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার দূরে একটি কাঠ মিলের পাশের জঙ্গলে ক্ষতবিক্ষত অবস্থায় সুভাষের মৃতদেহ পড়ে রয়েছে।
আরও পড়ুন-Animal Cruelty: যাকে পাড়া শুদ্ধ সবাই ভালবাসত, তাকেই পাথরের ঘায়ে 'খুন'! নিভে গেল এক অবলা প্রাণ
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, মৃতের বুকের দুই পাশে অন্তত সাত থেকে আটবার ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানো হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। রবিবার ধৃত রাজু রায়কে মালদা জেলা আদালতে পেশ করা হলে পুলিশ তাকে সাত দিনের পুলিশি হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানিয়েছে।
তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, পেশাগত সূত্রে সুভাষের সঙ্গে পরিচয় হয় মদনাবতী গ্রামের যুবক রাজু রায়ের। দিনমজুরির কাজে রাজু প্রায়ই ভিন রাজ্যে থাকতেন। সেই সময়েই সুভাষের সঙ্গে রাজুর স্ত্রী আরতি রায়ের বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক গড়ে ওঠে বলে অভিযোগ। পুলিশ সূত্রে দাবি, বিভিন্ন সময়ের অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবি সুভাষ তার মোবাইলে রেখে দিয়েছিল।
জানা গিয়েছে, কয়েকদিন আগে রাজু দিল্লি থেকে গ্রামের বাড়িতে ফিরে আসেন। এরপর একদিন হঠাৎ করে নিজের স্ত্রী ও বন্ধু সুভাষকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে ফেলেন তিনি। তা নিয়ে দু’জনের মধ্যে তীব্র বচসা শুরু হয়। অভিযোগ, ওই আপত্তিকর ছবি দেখিয়ে রাজুকে ভয় দেখানো ও ব্ল্যাকমেইল করা হচ্ছিল। এরপরই সুভাষকে খুনের পরিকল্পনা করে অভিযুক্ত যুবক বলে পুলিশের অনুমান।
মৃতের দাদা শিশির রায় জানিয়েছেন, সুভাষের স্ত্রী পারুল রায় ও দুই সন্তান রয়েছে। পরিবারের কেউই সুভাষের পরকীয়া সম্পর্কের কথা জানতেন না বলে দাবি করেছেন তিনি। পুলিশের কাছ থেকেই তাঁরা পুরো বিষয়টি জানতে পারেন। এই ঘটনার জন্য অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও ফাঁসির দাবি জানিয়েছে মৃতের পরিবার।
মালদা জেলার পুলিশ সুপার অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, এই ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং পুরো বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে ধৃতের স্ত্রীকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
আরও পড়ুন- গোলপার্কে তুলকালাম! বোমাবাজি-গুলিবর্ষণে রণক্ষেত্র কাঁকুলিয়া রোড, পুলিশের গাড়িতে ভাঙচুর, ধৃত ১০


/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us