/indian-express-bangla/media/media_files/2025/11/27/gold-2025-11-27-16-03-59.jpg)
gold smuggling: বাজেয়াপ্ত করা সোনার বিস্কুট।
মালদা জেলা ও ভারত–বাংলাদেশ সীমান্তে চাঞ্চল্য। গোয়েন্দা সূত্রে খবর পাওয়ার পর ২৬ অক্টোবর দুপুর ৩ টে নাগাদ দক্ষিণবঙ্গ সীমান্তের ১১৯ ব্যাটালিয়নের বিএসএফ জওয়ানরা এক সাইকেল আরোহীকে থামান। দেখতে পান—সাইকেলের সামনের টায়ার অস্বাভাবিক রকম ফুলে রয়েছে, শক্তও মনে হচ্ছে।
ঘনিষ্ঠভাবে পরীক্ষা করে জওয়ানরা বুঝতে পারেন, টায়ারের ভিতর আসলে একটি ধাতব চেম্বার তৈরি করা হয়েছে। সেই গোপন ভাঁড়ার থেকেই উদ্ধার হয় সাতটি সোনার বিস্কুট, মোট ওজন ৮১৬.৪১ গ্রাম। বাজেয়াপ্ত সোনার বাজারমূল্য প্রায় ১ কোটি ২ লক্ষ টাকা।
আরও পড়ুন- China Train Accident Tragedy :চিনে মর্মান্তিক ট্রেন দুর্ঘটনা, মৃত্যু কমপক্ষে ১১ জনের
তবে বিএসএফের তল্লাশির সুযোগে পাচারকারী সাইকেল ফেলে পালিয়ে যায়। তাকে গ্রেফতার করা না গেলেও অদ্ভুত এই পাচার-কৌশল কর্মকর্তাদের হতবাক করে দিয়েছে।
বিএসএফ–এর এক আধিকারিক জানান, “১১৯ ব্যাটালিয়নের জওয়ানরা মালদা সীমান্ত এলাকায় সাতটি সোনার বিস্কুট উদ্ধার করেছে। বাজেয়াপ্ত সোনার ওজন ৮১৬.৪১ গ্রাম, বাজারমূল্য আনুমানিক ১,০২,৪০,২৩০ টাকা।”
গোয়েন্দা ইনপুট ছিল—এম এস পুর সীমান্ত চৌকি এলাকার মাধ্যমে স্থানীয় এক পাচারকারী সোনা নিয়ে যেতে পারে। সেই সূত্রেই বাড়ানো হয় নজরদারি। তল্লাশি চলাকালীন অভিযুক্ত ব্যক্তি সুযোগ নিয়ে সাইকেল ফেলে ভিড়ের মধ্যে ঢুকে পালিয়ে যায়।
পরে সাইকেলের টায়ার খুলে দেখা যায়, ভেতরেই বিশেষভাবে তৈরি চেম্বারে লুকানো ছিল সোনার বিস্কুট। উদ্ধার করা সোনা আইনি প্রক্রিয়ার জন্য উপযুক্ত সংস্থার হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।
বিএসএফ সীমান্তবাসীদের সোনা পাচার সংক্রান্ত কোনও তথ্য থাকলে সীমা সাথী হেল্পলাইন ১৪৪১৯ বা হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর ৯৯০৩৪৭২২২৭–এ বার্তা পাঠানোর অনুরোধ করেছে। তথ্যদাতার পরিচয় গোপন রাখা হবে বলেও আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
এক সিনিয়র বিএসএফ আধিকারিক জানান, দক্ষিণবঙ্গ সীমান্ত এলাকায় ২০২৩ সালে ১৬০ কেজির বেশি এবং গত বছর ১৭৬ কেজির বেশি সোনা বাজেয়াপ্ত হয়েছে। ২০২৩ সালে ৪৯৩ জন ভারতীয় এবং ১৮৬ জন বাংলাদেশি পাচারকারীকে গ্রেফতার করা হয়। অবৈধ অনুপ্রবেশে সাহায্য করার অভিযোগে ৪৫ জন ভারতীয় ও ৮ জন বাংলাদেশিকেও ধরা হয়েছিল।
২০২৪ সালে এ পর্যন্ত ৩৩৯ জন ভারতীয় এবং ১১৬ জন বাংলাদেশিকে পাচারের অভিযোগে গ্রেফতার করেছে বিএসএফ। একইসঙ্গে অবৈধ প্রবেশে সাহায্যের অভিযোগে ধরা হয়েছে ৪৩ ভারতীয় এবং তিন বাংলাদেশিকে।
কর্তাদের কথায়, পাচারের কায়দা নানা রকম—এমনকি সোনা গিলে ফেলা বা জুতোর ভেতর লুকিয়ে নেওয়ার ঘটনাও নথিভুক্ত হয়েছে।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us