/indian-express-bangla/media/media_files/2025/11/30/malda-husband-murder-wife-arrest-north-salalpur-2025-11-30-17-08-13.jpg)
পরকীয়ার জেরেই স্বামীকে পরপর কোপ?
স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে বিবাদ। ঘরে ঢুকতে বাধা স্বামীকে। জোর করে ঘরে ঢুকতে গেলে স্বামীকে ছুরি দিয়ে পরপর কোপ মারার অভিযোগ স্ত্রীর বিরুদ্ধে। ঘটনার জেরে মৃত্যু হয়েছে স্বামীর। শনিবার গভীর রাতে মালদার বামনগোলা থানার পাকুয়াহাট পঞ্চায়েতের উত্তর সালালপুর গ্রামের ঘটনা।রাতেই পুলিশ অভিযুক্ত স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করেছে। যদিও মৃতের পরিবারের অভিযোগ, ওই মহিলার বিবাহ বর্হিভূত সম্পর্ক রয়েছে এলাকারই কোনও যুবকের সঙ্গে। সেটি জেনে ফেলার কারণেই এভাবেই নিজের স্বামীকে চাকু দিয়ে কুপিয়ে খুন করেছে সে।
বিরাট লাফ! সোনার দাম বাড়ল ৪হাজার টাকা, জানুন আপনার শহরের আজ হলুদ ধাতুর দর
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে,মৃতের নাম বিশ্বজিৎ সরকার (৩১)। অভিযুক্ত স্ত্রী পম্পা রায় সরকার। বিশ্বজিতের পরিবারে চার বছরের একটি কন্যা রয়েছে। বিশ্বজিৎ গাজোল টোল ট্যাক্সে কাজ করতেন। পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায় বিগত ছয় বছর আগে বিশ্বজিৎ ও পম্পার মধ্যে প্রেম-ভালবাসা করে বিবাহ হয়। পম্পার বাড়ি দক্ষিণ সালালপুর এলাকায়।প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশ জানতে পেরেছে, এদিন রাত দেড়টা নাগাদ বাড়িতেই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে তুমুল অশান্তি হয়। সেই চিৎকারও নাকি আশেপাশের প্রতিবেশীরাও শুনতে পেয়েছিল। এরপরই হঠাৎ বিশ্বজিতের আত্মচিৎকার শুনে লোকজন ছুটে আসেন। তাঁরা দেখে হাতে ছুরি নিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে ওই মহিলা। উঠোনে রক্তাক্ত অবস্থায় ছটফট করছে বিশ্বজিৎ। তড়িঘড়ি তাঁকে নিকটবর্তী সরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা মৃত বলে জানিয়ে দেয়।
দীঘার মুকুটে জুড়ল নয়া পালক, ভ্রমণ প্রিয় বাঙালি হিসাবে এই খবরে গর্ব হবে আপনারও
এরপরই গৃহবধূ পম্পাকে স্থানীয়রা ধরে পুলিশে হাতে তুলে দেয়। মৃতের এক ভাই প্রসেনজিৎ সরকার বলেন, দাদা ও বৌদি আলাদা বাড়িতে ভাড়া নিয়ে থাকতো। মাঝেমধ্যে নেশা করতো দাদা। কিন্তু যে কারণে খুন করার কথা পুলিশকে বৌদি বলেছে সেটা মানা সম্ভব না। রাত করে বাড়িতে ফেরার জন্য একজন স্ত্রী তার স্বামীকে কখনোই এভাবে কুপিয়ে খুন করতে পারে না। আমাদের ধারণা এই ঘটনার পিছনে পরকীয়া। এমনকি ঘটনার সময় হয়তো বহিরাগত কোন যুবক ঘরে ছিল। সেটা আজ করতে আঁচ করতে পেরেছিল দাদা।
বিরাট বিপাকে কংগ্রেস, রাহুল সোনিয়ার বিরুদ্ধেই দায়ের FIR
যদিও পুলিশ জানিয়েছে, বিশ্বজিতের বুকের বাঁ দিকেই কয়েকবার ধারালো চাকু দিয়ে আঘাত করা হয়েছে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণেই মৃত্যু হয়েছে ওই যুবকের। যদিও পুলিশি জেরায় ধৃত ওই গৃহবধূ বারবার একই কথা বলেছে। প্রতিদিন রাতে নেশা করে দেরিতে ফিরতো তার স্বামী। এমনকি তাকে মারধর করতো। চরম অশান্তি চলতো পরিবারে। সেই অত্যাচার থেকে মুক্তি পেতেই এই ভাবেই ভয় দেখিয়ে হামলা চালায়। তবে খুন করার কোনও উদ্দেশ্য তার ছিল না। বামনগোলা থানার পুলিশ জানিয়েছে, পুরো বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করা হয়েছে।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us