বিরাট পথদুর্ঘটনা, মুহূর্তে সব শেষ, ভিন রাজ্যে কাজে গিয়ে মর্মান্তিক পরিণতি বাংলার ২ শ্রমিকের

ভিন রাজ্যে কাজে গিয়ে মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন মালদহের দুই পরিযায়ী শ্রমিক। কর্ণাটকের বিজয়বাড়া এলাকায় ঘটে যাওয়া এই দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন মালদহের আরও তিন শ্রমিক।

ভিন রাজ্যে কাজে গিয়ে মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন মালদহের দুই পরিযায়ী শ্রমিক। কর্ণাটকের বিজয়বাড়া এলাকায় ঘটে যাওয়া এই দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন মালদহের আরও তিন শ্রমিক।

IE Bangla Web Desk & Madhumita Dey
New Update
মালদহ পরিযায়ী শ্রমিক, কর্ণাটকে পথ দুর্ঘটনা, মালদহের দুই শ্রমিকের মৃত্যু, বিজয়বাড়া দুর্ঘটনা, ভিন রাজ্যে কাজে গিয়ে মৃত্যু, পিকআপ ভ্যান লরি সংঘর্ষ, পরিযায়ী শ্রমিক খবর, মালদহ জেলা সংবাদ

দেহ গ্রামে পৌঁছাতেই গোটা এলাকায় নেমে আসে শোকের আবহ

ভিন রাজ্যে কাজে গিয়ে মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন মালদহের দুই পরিযায়ী শ্রমিক। কর্ণাটকের বিজয়বাড়া এলাকায় ঘটে যাওয়া এই দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন মালদহের আরও তিন শ্রমিক। মৃতদের নাম আসলাম শেখ (১৮) ও রেকাবাত শেখ (৬০)। দু’জনেরই বাড়ি মালদহ জেলার ইংরেজবাজার ব্লকের মিল্কি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়।

Advertisment

বেলডাঙ্গা অশান্তির ঘটনায় পুলিশের জালে ৩০

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় পাঁচ মাস আগে ঋণের বোঝা ও সংসারের দায়ে কাজের সন্ধানে ভিন রাজ্যে পাড়ি দেন আসলাম শেখ। দেড় মাস আগে একই উদ্দেশ্যে সেখানে যান রেকাবাত শেখ। বৃহস্পতিবার রাতে কাজ শেষে পিকআপ ভ্যানে করে বাড়ি ফেরার সময় একটি লরির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয় গাড়িটির। তীব্র সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় আসলাম ও রেকাবাতের। দুর্ঘটনায় আরও কয়েকজন শ্রমিক আহত হন, যাদের চিকিৎসা চলছে।

 '৪০ বার ভাঙন রোধে বাংলাকে টাকা, লুট প্রতিবারই', দুর্নীতি ইস্যুতে সুর চড়ালেন প্রধানমন্ত্রী মোদী  

দুর্ঘটনার খবর মালদহে পৌঁছাতেই শোকের ছায়া নেমে আসে মৃতদের পরিবার ও গোটা গ্রামজুড়ে। আসলাম শেখের দিদি সুলতানা খাতুন কান্নাভেজা গলায় জানান, আসলামই ছিল পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী। তিন বছর আগে টাওয়ারের কাজে গিয়ে তাঁর বাবার মৃত্যু হয়। মা গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় ভিক্ষা করে কোনওরকমে সংসার চালাতেন। প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর এই প্রথম ভিন রাজ্যে কাজে গিয়েছিল আসলাম। দিদির বিয়ে ও অন্যান্য খরচে পরিবার ঋণের বোঝায় জর্জরিত। বিদ্যুতের বিলও বকেয়া রয়েছে। কীভাবে সংসার চলবে, তা বুঝে উঠতে পারছেন না বলেও জানান তিনি।

'এজেন্সিগুলিকে অন্যায়ভাবে কাজে লাগানো হচ্ছে', প্রধান বিচারপতির সামনেই মোদী সরকারের বিরুদ্ধে বড় অভিযোগ মমতার

ঘটনার খবর পেয়ে মৃতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন স্থানীয় জেলা পরিষদ সদস্য জুয়েল রহমান সিদ্দিকী। তিনি দেহ বাড়ি ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করেন এবং পরিবারের পাশে থেকে সবরকম সাহায্যের আশ্বাস দেন। পরে দেহ গ্রামে পৌঁছাতেই গোটা এলাকায় নেমে আসে শোকের আবহ।

Migrant labour accident