/indian-express-bangla/media/media_files/2026/02/03/malda-2026-02-03-11-41-21.jpg)
Malda Fake Currency: জালনোট পাচার রুখতে বড়সড় সাফল্য পেল মালদা জেলা পুলিশ।
জালনোট পাচার রুখতে বড়সড় সাফল্য পেল মালদা (Malda) জেলা পুলিশ। রবিবার গভীর রাতে কালিয়াচক থানার চরিঅনন্তপুরের কামাত এলাকা থেকে ৫ লক্ষ টাকার জালনোট-সহ এক পাচারকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতের নাম মোশারফ হোসেন।
পুলিশি অভিযান ও গ্রেফতারি
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত মোশারফ হোসেনের বাড়ি বৈষ্ণবনগর থানার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী গ্রাম পারদেওনাপুরে। রবিবার রাতে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে কালিয়াচক থানার পুলিশ চরিঅনন্তপুর এলাকায় ওঁৎ পেতে থাকে। সেই সময় সন্দেহভাজন ওই ব্যক্তিকে আটক করে তল্লাশি চালাতেই উদ্ধার হয় বিপুল পরিমাণ জালনোট। পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া নোটগুলির সবকটিই ৫০০ টাকার ছিল। মোট ৫ লক্ষ টাকার জালনোট বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।
আরও পড়ুন- IPAC Case: ‘শুধুমাত্র দলের নথি নিয়েছিলাম’, সুপ্রিম কোর্টে জানালেন মমতা! আইপ্যাক কাণ্ডে নয়া মোড়
পাচারের অভিনব ছক
তদন্তকারী আধিকারিকরা জানিয়েছেন, পাচারের এই ছক ছিল অত্যন্ত সুপরিকল্পিত। রবিবার রাতে চরিঅনন্তপুর সীমান্তের কাঁটাতারের ওপার থেকে বাংলাদেশি পাচারকারীরা বিএসএফের নজর এড়িয়ে জালনোটের (Fake Currency) প্যাকেট এপারে ছুড়ে দেয়। আগে থেকেই সেখানে উপস্থিত ছিল মোশারফ। সেই প্যাকেট সংগ্রহ করে ইংরেজবাজার থানার মহদিপুর এলাকায় নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল তার। সেখানে অন্য এক ব্যক্তির হাতে এই টাকা তুলে দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু মহদিপুর পৌঁছনোর আগেই পুলিশের জালে ধরা পড়ে যায় সে।
কী বলছেন পুলিশ সুপার?
মালদার পুলিশ সুপার অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় এই ঘটনা প্রসঙ্গে বলেন, "উদ্ধার হওয়া জালনোটগুলি অত্যন্ত উন্নত মানের। বাংলাদেশের দুষ্কৃতীরা সীমান্তের ওপার থেকে ভারতীয় ভূখণ্ডে এই নোট পাচারের (smuggling) জন্য সক্রিয় হয়ে উঠেছে। তবে জেলা পুলিশ অত্যন্ত সতর্ক রয়েছে, সেই তৎপরতার কারণেই পাচারকারীরা ধরা পড়ছে।" ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এই চক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত, তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ।
আরও পড়ুন-Air India: মাঝ আকাশে ইঞ্জিন বন্ধের আতঙ্ক! পাইলটের তৎপরতায় কীভাবে বড় বিপদ এড়ালো এয়ার ইন্ডিয়া?


/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us