/indian-express-bangla/media/media_files/2026/02/02/mamata-banerjee-supreme-court-election-commission-sir-west-bengal-2026-02-02-10-01-49.jpg)
'শূন্যে নেমে আসবে বিজেপি'
বৃহস্পতিবার বিধানসভায় বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি রাজ্যে “শূন্যে নেমে যাবে” বলে মন্তব্য করেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, কেন্দ্র এখনও বাংলার প্রাপ্য প্রায় দু’লক্ষ কোটি টাকা বকেয়া মেটায়নি। তাঁর কথায়, “আপনারা আগে শূন্য ছিলেন, এখনও শূন্য থাকবেন। সব সংস্থা ব্যবহার করুন, তবু বাংলার মানুষ আপনাদের প্রত্যাখ্যান করবে।”
গঙ্গাসাগর মেলা নিয়েও কেন্দ্রকে নিশানা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি দাবি করেন, এই বৃহৎ হিন্দু তীর্থমেলার জন্য কেন্দ্র সরকার “এক পয়সাও” দেয়নি। সীমান্তে কাঁটাতার বসানোর জন্য জমি দেওয়া নিয়ে বিজেপির অভিযোগের জবাবে মমতা বলেন, “কাকে জমি দিইনি? আপনারা বাংলা দখল করতে চান। যে জমি দেওয়া হয়েছে, সেখানে কাজ শেষ করুন। জমি নিয়ে কোনও সমস্যা হবে না।” একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, পেগাসাস ব্যবহার করে মানুষকে কথা বলতে বাধা দেওয়া হচ্ছে।
আরও পড়ুন-দার্জিলিং গিয়েও এই 'স্বর্গ' দেখেননি? আফসোস করবেন! পাহাড়ের খাঁজে লুকিয়ে থাকা এক রূপকথার জগত
রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ প্রসঙ্গে বিজেপির বারবার তোলা অভিযোগকেও খণ্ডন করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, খসড়া ভোটার তালিকা ইতিমধ্যেই প্রকাশিত হয়েছে। “একজন রোহিঙ্গাকেও কি খুঁজে পেয়েছেন?” পাশাপাশি, ভিন্রাজ্যে কর্মরত বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকদের উপর হামলার ঘটনায় বিজেপির নীরবতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। মমতার বক্তব্য, “বাইরে বাংলার শ্রমিকদের ওপর অত্যাচার হলে আপনারা তখন প্রতিবাদ করেন না কেন? শুধু অনুপ্রবেশকারীদের কথাই ভাবেন।”
আরও পড়ুন-West Bengal Weather:ভোরের শিশিরে শীতের মায়া, বসন্তের আগে ফের কি কাঁপবে বাংলা?
মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, রাজ্যপাল নিজেও বাংলার সাফল্য স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, “রাজ্যপাল বলেছেন বাংলা এক নম্বরে। দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে তাঁর ফ্লাইট ছিল, তাই তিনি পুরো ভাষণ শেষ করতে পারেননি।” তবে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এই বক্তব্যে আপত্তি জানিয়ে দাবি করেন, ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারের সমালোচনা থাকায় রাজ্যপাল ভাষণ সংক্ষিপ্ত করেন।
এর আগে, বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) প্রক্রিয়া নিয়ে রাজ্য বিধানসভায় একটি প্রস্তাব আনে রাজ্য সরকার। শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় দাবি করেন, SIR-এর জেরে ভোটারদের হয়রানি হয়েছে এবং উদ্বেগে ১০৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। নির্বাচন কমিশনকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, এটি “নির্যাতন কমিশনে” পরিণত হয়েছে। তবে বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন থাকায় অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় ওই প্রস্তাব খারিজ করে দেন।
আরও পড়ুন-ভোটের মুখে মাস্টারস্ট্রোক মমতার, বাড়ল লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা, বেকার ভাতার ঘোষণা রাজ্যের


/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us