SIR প্রসঙ্গে ফের কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সরব হলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার শিলিগুড়ির উত্তরকন্যার প্রশাসনিক সভা থেকে তিনি বলেন, “এত অল্প সময়ে এসআইআর (SIR) হওয়া সম্ভব নয়। যেকোনও নাগরিক নিজের ঠিকানা পরিবর্তন করতে পারেন, এতে অপরাধ কোথায়?”
তিনি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নাম না করে কটাক্ষ ছুড়ে বলেন, “বিএসএফ, সিআরপিএফ সব তো আপনাদের হাতে। ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় এখনও গরম বিল রয়েছে—এটা কীভাবে সম্ভব? আপনারা এর উত্তর দিন।”
নাম না করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ-এর দিকে তীর ছুঁড়ে মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, “দেশের গণতন্ত্রের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করা হচ্ছে। আজকের এই ‘মীরজাফর’রা বাংলার মাটিতে কোনওদিন জায়গা পাবে না।”
আরও পড়ুন- West Bengal News Live Updates: SIR আবহে বাংলার CAA আবেদনকারীদের জন্য বিরাট স্বস্তি! হাইকোর্টে বড় সিদ্ধান্ত জানাল কেন্দ্র
ফের উত্তরবঙ্গে গিয়ে দুর্যোগ পরবর্তী পরিস্থিতি পর্যালোচনা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। প্রশাসনিক বৈঠকে ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলের দ্রুত পুনর্বাসন, সড়ক ও সেতু নির্মাণ, এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর আর্থিক সাহায্য নিশ্চিত করতে একাধিক নির্দেশ দেন তিনি। একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় নীতিকে কটাক্ষ করে কয়েক দফা তীব্র মন্তব্যও করেন মুখ্যমন্ত্রী।
সোমবার শিলিগুড়ির উত্তরকন্যায় প্রশাসনিক বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “আমি কথা দিয়েছিলাম চাকরি দেব—৫ লাখ টাকা করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি ছিল, ইতিমধ্যেই আমরা সেসব প্রদান শুরু করেছি। সড়ক কাজ শুরু হয়ে গেছে, একটি স্থায়ী ব্রিজও হচ্ছে, বাকি কাজও চলছে।” তিনি আরও জানান, প্রাকৃতিক দুর্যোগে গুরুতর ক্ষতিগ্রস্ত মোট ১৪,৭৯৪টি পরিবারকে মোট ১৬১ কোটি ৩৩ লক্ষ টাকা দেওয়া হবে এবং ওই তহবিল ব্যাংকের মাধ্যমে সরাসরি গ্রাহকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।
আরও পড়ুন- Suvendu Adhikari: “রাজ্যকে দেউলিয়া করে দিয়েছে তৃণমূল সরকার”, মমতাকে তুলোধনা করে ফের বিস্ফোরক শুভেন্দু
মুখ্যমন্ত্রী এদিন কেন্দ্রের নীতি ও বরাদ্দ নিয়ে ক্ষোভ উগরে বলেন, “আমরা ক্ষমতায় আসার পর ২০২১-২২ সালের মধ্যে প্রায় ৪৬ লাখ বাড়ি করিয়েছিলাম। তার পর থেকে চার বছর ধরে কেন্দ্র থেকে নানা তহবিল বন্ধ রাখা হয়েছে। গ্রামীণ রাস্তার কাজও চার বছর ধরে আটকে আছে। অন্য রাজ্যকে টাকা দিয়ে আমাদের টাকা আটকে রাখা হচ্ছে—বাংলাকে ভাতে মারা চলছে। কিন্তু বাংলার মানুষ ও বাংলার মাটি নিজের ভাষায় কথা বলে।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন, কেন্দ্রীয় তহবিল বন্ধ হওয়ার পরে রাজ্য নিজস্ব অর্থে ১২ লাখ যোগ্য পরিবারকে ১৪ হাজার ৪০০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি জানান, আগামী ডিসেম্বর থেকে জানুয়ারির মধ্যে আরও ১৬ লাখ পরিবারকে অর্ধেক অনুদান দেওয়া শুরু হবে এবং বাকি তহবিল মে মাসে পৌঁছে দেওয়া হবে।
আরও পড়ুন- Suvendu Adhikari: “২০১১-তে ভুল করেছিলাম, এবার আমরাই আনব আসল পরিবর্তন”, শুভেন্দুর মন্তব্যে তুঙ্গে চর্চা!
সভায় উপস্থিত প্রশাসনিক কর্তারা পুনর্নিমাণ কার্যক্রম, সড়ক–নির্মাণ ও আবাস পুনর্নির্মাণ প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে রিপোর্ট দেন। মুখ্যমন্ত্রী স্থানীয় দফতরগুলিকে পুনর্বাসন ত্বরান্বিত করার ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগে থাকার নির্দেশ দেন।
SIR নিয়ে ফের কেন্দ্রকে একহাত মুখ্যমন্ত্রীর, নাম না করে অমিত শাহকে ‘মীরজাফর’ বলে আক্রমণ
Mamata Banerjee: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে নাম না করে তীব্র আক্রমণ শানালেন। এস আই আর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এত অল্প সময়ে এস আই আর হতে পারে না। যে কেউ ঠিকানা পরিবর্তন করতে পারেন।”
Mamata Banerjee: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে নাম না করে তীব্র আক্রমণ শানালেন। এস আই আর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এত অল্প সময়ে এস আই আর হতে পারে না। যে কেউ ঠিকানা পরিবর্তন করতে পারেন।”
News in West bengal Live: গুরুত্বপূর্ণ খবরের টাটকা আপডেট জানুন।
SIR প্রসঙ্গে ফের কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সরব হলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার শিলিগুড়ির উত্তরকন্যার প্রশাসনিক সভা থেকে তিনি বলেন, “এত অল্প সময়ে এসআইআর (SIR) হওয়া সম্ভব নয়। যেকোনও নাগরিক নিজের ঠিকানা পরিবর্তন করতে পারেন, এতে অপরাধ কোথায়?”
তিনি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নাম না করে কটাক্ষ ছুড়ে বলেন, “বিএসএফ, সিআরপিএফ সব তো আপনাদের হাতে। ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় এখনও গরম বিল রয়েছে—এটা কীভাবে সম্ভব? আপনারা এর উত্তর দিন।”
নাম না করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ-এর দিকে তীর ছুঁড়ে মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, “দেশের গণতন্ত্রের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করা হচ্ছে। আজকের এই ‘মীরজাফর’রা বাংলার মাটিতে কোনওদিন জায়গা পাবে না।”
আরও পড়ুন- West Bengal News Live Updates: SIR আবহে বাংলার CAA আবেদনকারীদের জন্য বিরাট স্বস্তি! হাইকোর্টে বড় সিদ্ধান্ত জানাল কেন্দ্র
ফের উত্তরবঙ্গে গিয়ে দুর্যোগ পরবর্তী পরিস্থিতি পর্যালোচনা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। প্রশাসনিক বৈঠকে ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলের দ্রুত পুনর্বাসন, সড়ক ও সেতু নির্মাণ, এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর আর্থিক সাহায্য নিশ্চিত করতে একাধিক নির্দেশ দেন তিনি। একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় নীতিকে কটাক্ষ করে কয়েক দফা তীব্র মন্তব্যও করেন মুখ্যমন্ত্রী।
সোমবার শিলিগুড়ির উত্তরকন্যায় প্রশাসনিক বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “আমি কথা দিয়েছিলাম চাকরি দেব—৫ লাখ টাকা করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি ছিল, ইতিমধ্যেই আমরা সেসব প্রদান শুরু করেছি। সড়ক কাজ শুরু হয়ে গেছে, একটি স্থায়ী ব্রিজও হচ্ছে, বাকি কাজও চলছে।” তিনি আরও জানান, প্রাকৃতিক দুর্যোগে গুরুতর ক্ষতিগ্রস্ত মোট ১৪,৭৯৪টি পরিবারকে মোট ১৬১ কোটি ৩৩ লক্ষ টাকা দেওয়া হবে এবং ওই তহবিল ব্যাংকের মাধ্যমে সরাসরি গ্রাহকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।
আরও পড়ুন- Suvendu Adhikari: “রাজ্যকে দেউলিয়া করে দিয়েছে তৃণমূল সরকার”, মমতাকে তুলোধনা করে ফের বিস্ফোরক শুভেন্দু
মুখ্যমন্ত্রী এদিন কেন্দ্রের নীতি ও বরাদ্দ নিয়ে ক্ষোভ উগরে বলেন, “আমরা ক্ষমতায় আসার পর ২০২১-২২ সালের মধ্যে প্রায় ৪৬ লাখ বাড়ি করিয়েছিলাম। তার পর থেকে চার বছর ধরে কেন্দ্র থেকে নানা তহবিল বন্ধ রাখা হয়েছে। গ্রামীণ রাস্তার কাজও চার বছর ধরে আটকে আছে। অন্য রাজ্যকে টাকা দিয়ে আমাদের টাকা আটকে রাখা হচ্ছে—বাংলাকে ভাতে মারা চলছে। কিন্তু বাংলার মানুষ ও বাংলার মাটি নিজের ভাষায় কথা বলে।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন, কেন্দ্রীয় তহবিল বন্ধ হওয়ার পরে রাজ্য নিজস্ব অর্থে ১২ লাখ যোগ্য পরিবারকে ১৪ হাজার ৪০০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি জানান, আগামী ডিসেম্বর থেকে জানুয়ারির মধ্যে আরও ১৬ লাখ পরিবারকে অর্ধেক অনুদান দেওয়া শুরু হবে এবং বাকি তহবিল মে মাসে পৌঁছে দেওয়া হবে।
আরও পড়ুন- Suvendu Adhikari: “২০১১-তে ভুল করেছিলাম, এবার আমরাই আনব আসল পরিবর্তন”, শুভেন্দুর মন্তব্যে তুঙ্গে চর্চা!
সভায় উপস্থিত প্রশাসনিক কর্তারা পুনর্নিমাণ কার্যক্রম, সড়ক–নির্মাণ ও আবাস পুনর্নির্মাণ প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে রিপোর্ট দেন। মুখ্যমন্ত্রী স্থানীয় দফতরগুলিকে পুনর্বাসন ত্বরান্বিত করার ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগে থাকার নির্দেশ দেন।