/indian-express-bangla/media/media_files/2026/01/23/mamata-2026-01-23-13-37-15.jpg)
Netaji 129th birth anniversary: রেড রোডের মঞ্চে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
Netaji 129th birth anniversary: আজ ২৩ জানুয়ারি, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর ১২৯তম জন্মজয়ন্তী। কলকাতার রেড রোডে নেতাজির মূর্তিতে মাল্যদান ও শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদনের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে ফের একবার কেন্দ্র সরকারকে তীব্র আক্রমণ শানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নেতাজির জন্মদিনকে 'জাতীয় ছুটি' ঘোষণা না করা এবং বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বিজেপিকে কড়া ভাষায় বিঁধলেন তিনি।
'ইতিহাস মোছার চেষ্টা হচ্ছে': সরব মুখ্যমন্ত্রী
রেড রোডের অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন যে, বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকার দেশের প্রকৃত ইতিহাসকে ভুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, গান্ধীজি, নেতাজি, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, আম্বেদকর, বিদ্যাসাগর থেকে শুরু করে মাতঙ্গিনী হাজরা, সমস্ত মণীষীদেরই কোনো না কোনোভাবে অসম্মান করা হচ্ছে।দেশের সংবিধানকে লাঞ্ছিত করা হচ্ছে এবং সাধারণ মানুষের অধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। ভাষার ওপর আঘাত হানা হচ্ছে বলেও তিনি সরব হন।
আরও পড়ুন- chardham-yatra-2026: পূণ্যার্থীদের জন্য সবথেকে বড় খবর! ১১ দিন আগেই শুরু হতে চলেছে চারধাম যাত্রা
প্ল্যানিং কমিশন ও আজাদ হিন্দ ফৌজ প্রসঙ্গ
নেতাজির অবদান স্মরণ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মনে করিয়ে দেন যে, নেতাজিই প্রথম প্ল্যানিং কমিশন বা পরিকল্পনা কমিশনের ভাবনা এনেছিলেন। কেন্দ্রের বর্তমান সরকারকে নিশানা করে তিনি বলেন, "জেনে বুঝে আজ প্ল্যানিং কমিশন তুলে দিয়ে একটা 'নীতি আয়োগ' করা হয়েছে।" নেতাজির তৈরি ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল আর্মি ও আজাদ হিন্দ ফৌজের গৌরবময় ইতিহাসকেও তিনি শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন।
জাতীয় ছুটি ও অন্তর্ধান রহস্য
নেতাজির জন্মদিনকে আজও জাতীয় ছুটি হিসেবে ঘোষণা না করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, "এটা আমাদের দুর্ভাগ্য যে আজও তাঁর জন্মদিন জাতীয় ছুটি হলো না। এমনকি দেশনায়ক দেশ ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার পর তাঁর ভাগ্যে শেষ পর্যন্ত কী ঘটেছিল, তাও আজও রহস্যই থেকে গেল।"
এসআইআর ও নির্বাচন কমিশনকে তোপ
ভাষণের এক পর্যায়ে মুখ্যমন্ত্রী অত্যন্ত আক্রমণাত্মক মেজাজে এসআইআর (SIR) এবং নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তাঁর অভিযোগ, "প্রায় ৫৮ লক্ষ মানুষের নাম একতরফাভাবে তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি-র নাম করে সাধারণ মানুষকে ডেকে পাঠিয়ে হেনস্থা করা হচ্ছে। এমনকি নেতাজি বেঁচে থাকলে তাঁকেও হয়তো কৈফিয়ত দিতে হতো যে তিনি ভারতীয় কি না।
আরও পড়ুন- বিড়ি, গুটখা, তামাক, সিগারেট সব নিষিদ্ধ! সরকারি বিরাট ঘোষণা
এই পরিস্থিতির ভয়ে রাজ্যে ১১০ জনেরও বেশি মানুষ মারা গিয়েছেন এবং অনেকে আত্মহত্যা করছেন।" মুখ্যমন্ত্রী প্রশ্ন তোলেন, "এত মানুষের মৃত্যুর দায় কেন নির্বাচন কমিশন বা ভারত সরকার নেবে না?"


/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us