/indian-express-bangla/media/media_files/2025/11/27/mamata-jay-hind-vande-mataram-rajya-sabha-controversy-2025-11-27-07-53-07.jpg)
‘জয় হিন্দ’, ‘বন্দে মাতরম’ স্লোগানে নিষেধাজ্ঞা, আগুনে হুঁশিয়ারি মমতার
সংসদের শীতকালীন অধিবেশন শুরুর ঠিক আগে রাজ্যসভায় ‘জয় হিন্দ’ ও ‘বন্দে মাতরম’ স্লোগানে নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত নির্দেশিকাকে কেন্দ্র করে তোলপাড় রাজনীতি। এই ইস্যুতে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নের উত্তরে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “এগুলো আমাদের স্বাধীনতার স্লোগান, জাতীয় সঙ্গীতের অংশ। যে কেউ'ই এর বিরোধিতা করবে টক্কর নিতে আসবে তাকে চুরমার করা হবে"। মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, “সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতীক রাজা রামমোহন রায়ের মতো ব্যক্তিত্বদের ধারণা ও চেতনাকেও অসম্মান, অপমান করেছে এই নির্দেশিকা"।
আরও পড়ুন- ফের বাংলার মুকুটে নয়া পালক, আপ্লুত মমতা, বাঙালি হিসাবে গর্বে বুক ভরে উঠবে
মমতা বলেন, “জয় হিন্দ নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর স্লোগান। বন্দে মাতরম আমাদের স্বাধীনতার চেতনায় গাঁথা। কেন এগুলো নিষিদ্ধ করা হবে? আমরা বাংলায় ‘জয় বাংলা’ বলি, বন্দে মাতরম বলি, এগুলো আমাদের জাতীয় পরিচয়ের অংশ।” তিনি সতর্ক করে দেন যে এই দেশাত্মবোধক স্লোগানকে দমন করার কোনও প্রচেষ্টা বরদাস্ত করা হবে না"।
উল্লেখ্য, রাজ্যসভার সাম্প্রতিক বুলেটিন ঘিরে বিতর্ক সৃষ্টি হয়। ওই বুলেটিনে সংসদের ভেতরে ‘জয় হিন্দ’, ‘বন্দে মাতরম’, ‘ধন্যবাদ’ বা এ ধরনের কোনও স্লোগান ব্যবহার না করার জন্য সাংসদদের পরামর্শ দেওয়া হয়। এই সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি আরও প্রশ্ন তোলেন “এভাবে কি বাংলার পরিচয়কে দুর্বল করার চেষ্টা চলছে?” রাজ্যসভা সচিবালয় ২০২৪ সালেও সাংসদদের ‘জয় হিন্দ’ বা ‘বন্দে মাতরম’–এর মতো স্লোগান সংসদে ব্যবহার করা উচিত নয় বলে এক নির্দেশ জারি করে। পাশাপাশি এই ধরণের আচরণকে সাংসদীয় শিষ্টাচারের পরিপন্থী বলেও উল্লেখ করা হয়েছিল। ‘রাজ্যসভার সদস্যদের হ্যান্ডবুক’-এও এই পরামর্শের উল্লেখ রয়েছে।
আরও পড়ুন- EPIC নম্বর লিংক না থাকলে জমা হবে না SIR ফর্ম! কীভাবে লিংক করবেন জানুন
একই সঙ্গে তিনি SIR নিয়েও কেন্দ্রকে তুলোধোনা করেন। মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, সার্ভারের সমস্যা সমাধান না হওয়ায় অনেকেই সময়মতো ভোটার তথ্য আপলোড করতে পারছেন না। তিনি আরও দাবি করেন, SIR-এর মতো বিস্তৃত প্রক্রিয়া দুই মাসে সম্পন্ন করা সম্ভব নয়, বরং অন্তত তিন বছর সময় প্রয়োজন।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us