/indian-express-bangla/media/media_files/2026/02/25/pl-2026-02-25-13-15-30.jpg)
Manikchak Murder: এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।
বন্ধুত্বের সুযোগ নিয়ে ছবি চুরি করে তৈরি করা হয়েছিল ভুয়ো ফেসবুক প্রোফাইল। আর সেই জালিয়াতির প্রতিবাদ করতে গিয়েই জীবন দিতে হলো দশম শ্রেণীর ছাত্র সোহেলকে। বন্ধুর বাবা ও তার বেধড়ক মারে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কলকাতায় মৃত্যু হলো প্রতিবাদী যুবকের। মালদা জেলার মানিকচক থানার চৌকি মীরদাদপুর অঞ্চলের সাহেবনগর এলাকায় এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনা ছড়িয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সাহেবনগর হাইস্কুলের দুই পড়ুয়া সোহেল ও আমরাজ ছিল একে অপরের ঘনিষ্ঠ বন্ধু। পরিবারের অভিযোগ, আমরাজ তার বন্ধু সোহেলের ছবি ব্যবহার করে একটি ফেক ফেসবুক প্রোফাইল চালাচ্ছিল। শুধু জালিয়াতিই নয়, সেই ভুয়ো প্রোফাইল থেকে গ্রামের তরুণীদের কুরুচিপূর্ণ ও অশ্লীল মেসেজ পাঠানো হতো বলেও অভিযোগ।
আরও পড়ুন- West Bengal News Live: ভোটের ময়দানে নতুন সমীকরণ! বাম-ISF জোট নিয়ে বড় ধামাকার অপেক্ষায় বাংলা
নিজের ছবি দিয়ে এমন কুকীর্তির কথা জানতে পেরে গত রবিবার অভিযুক্ত বন্ধু আমরাজের বাড়িতে প্রতিবাদ জানাতে যায় সোহেল। অভিযোগ, প্রতিবাদ করতেই রণমূর্তি ধারণ করে আমরাজ এবং তার বাবা শেখ ফিজুর। সোহেলকে লক্ষ্য করে লাঠি ও বাঁশ নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে বাবা-ছেলে। সোহেলকে রাস্তায় ফেলে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে পরিবারের দাবি।
রক্তাক্ত অবস্থায় সোহেলকে উদ্ধার করে প্রথমে মানিকচক গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে মালদা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। পরে শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হওয়ায় তাকে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেখানে মঙ্গলবার লড়াই থামে সোহেলের।
আরও পড়ুন-Howrah Murder: ভোরের শান্ত গোলাবাড়িতে রক্তের হোলি! খাস হাওড়ায় হিন্দি সিনেমার স্টাইলে শ্যুটআউট
ছেলের মৃত্যুর খবর এলাকায় পৌঁছাতেই সাহেবনগর গ্রামে শোকের ছায়া নেমে আসে। উত্তেজিত গ্রামবাসীরা অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তির দাবি তুলেছেন। অভিযুক্ত আমরাজ ও তার বাবা শেখ ফিজুরের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে মানিকচক থানার পুলিশ। সাইবার অপরাধ এবং খুনের ধারায় মামলা রুজু করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us