/indian-express-bangla/media/media_files/2026/01/10/mausam-noor-returns-to-congress-malda-warm-reception-2026-01-10-18-24-08.jpg)
বিপুল ভিড়, উষ্ণ অভ্যর্থনায় আবেগাপ্লুত মৌসম
তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দিয়ে মালদায় ফিরতেই জনজোয়ারে ভাসলেন প্রয়াত প্রাক্তন রেলমন্ত্রী গনিখান চৌধুরীর ভাগ্নি মৌসম নূর। শনিবার দিল্লি থেকে কলকাতা হয়ে ট্রেনে মালদায় পৌঁছন তিনি। মালদা টাউন স্টেশনে তাঁকে স্বাগত জানাতে ও সংবর্ধনা দিতে হাজির হন জেলা কংগ্রেসের শতাধিক নেতাকর্মী। বিপুল ভিড় ও উষ্ণ অভ্যর্থনায় আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন মৌসম।
বছরের শুরুতেই কেঁপে উঠল চম্পাহাটি! বাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ
সংবর্ধনার মঞ্চে মৌসম নূর বলেন, কংগ্রেস ছেড়ে যাওয়াটা তাঁর ভুল ছিল। দীর্ঘ কয়েক বছর পর নিজের পুরনো দলে ফিরতে পেরে তিনি স্বস্তি অনুভব করছেন। এখনও এত মানুষ তাঁকে ভালোবাসেন, তা ভাবতেই পারছেন না বলেও জানান তিনি। আগামী দিনে দলের হয়ে মানুষের জন্য কাজ করার অঙ্গীকারও করেন মৌসম।
এদিন মালদা টাউন স্টেশনে মৌসম নূরকে শুভেচ্ছা জানাতে হাজির হন জেলা কংগ্রেস সভাপতি তথা দক্ষিণ মালদার সাংসদ ঈশাখান চৌধুরী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন প্রাক্তন বিধায়কসহ দলের একাধিক নেতা ও কর্মী। ঈশাখান চৌধুরী বলেন, 'মৌসম নূরের দলে ফেরা কংগ্রেস কর্মীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা ও অক্সিজেন জোগাবে'। এতদিন ‘কোতুয়ালি ভবন’ কেন এক হচ্ছিল না, তা নিয়ে নানা জল্পনা চলছিল। অবশেষে গনিখানের কোতুয়ালি ভবন আবার এক হয়েছে এবং এখন একসঙ্গে দলের হয়ে মানুষের জন্য কাজ করার সময় এসেছে।
অন্যদিকে, মৌসম নূরের দলবদল নিয়ে চর্চা করতে নারাজ তৃণমূল নেতৃত্ব। দলের জেলা সভাপতি তথা বিধায়ক আব্দুর রহিম বক্সী বলেন, কে কোন দলে যাবেন তা তাঁর ব্যক্তিগত বিষয়। তৃণমূলের শেষ কথা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ই বলেও মন্তব্য করেন তিনি। মৌসম নূরের রাজ্যে পরিবর্তন আনার বক্তব্যকে হাস্যকর বলে কটাক্ষ করে বলেন, যে দল গত বিধানসভা নির্বাচনে একটি আসনও পায়নি, তারা রাজ্যে পরিবর্তনের কথা বলছে এভাবে মানুষকে বোকা বানানো যায় না।
এদিন মৌসম নূর আরও বলেন, কে কোথায় প্রার্থী হবেন তা দলের হাইকমান্ডই ঠিক করবে। নিজের পুরনো দলে ফিরে আসাই তাঁর কাছে সবচেয়ে বড় স্বস্তির বিষয়। এত বিপুল মানুষের ভালোবাসা তিনি আশা করেননি বলেও জানান। কংগ্রেস ছাড়াটা যে তাঁর ভুল ছিল, তা স্বীকার করে তিনি বলেন, আগামী দিনে পরিবর্তনের সরকার আসবে এবং কংগ্রেস নতুন করে ঘুরে দাঁড়াবে।
প্রসঙ্গত, গনিখান চৌধুরীর কোতুয়ালি ভবন দীর্ঘদিন ধরেই কংগ্রেসের দুর্গ হিসেবে পরিচিত। গনিখানের বোন রুবি নূর জেলা কংগ্রেসের সভাপতি ও বিধায়ক ছিলেন। তাঁর মেয়েই মৌসম নূর। গনিখানের ভাই আবু হাসেম খান চৌধুরী দীর্ঘদিন দক্ষিণ মালদার কংগ্রেস সাংসদ ছিলেন। তাঁর অসুস্থতার পর বর্তমানে সেই আসনের সাংসদ তাঁর ছেলে ঈশাখান চৌধুরী। অন্যদিকে, গনিখানের আরেক ভাই আবু নাসের খান চৌধুরী একসময় তৃণমূলের বিধায়ক হলেও বর্তমানে বার্ধক্যজনিত কারণে রাজনীতি থেকে দূরে রয়েছেন।
১ ফেব্রুয়ারি রবিবার, পিছিয়ে যাবে বাজেট পেশের দিন? কী কী প্রত্যাশা মধ্যবিত্ত শ্রেণীর?
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us