/indian-express-bangla/media/media_files/2025/12/29/sir-2025-12-29-13-29-17.jpg)
SIR hearing: প্রতীকী ছবি।
রাজ্যে বিধানসভা ভোটের মুখে এবার নির্বাচন কমিশনের স্ক্যানারে রাজ্যের প্রতিমন্ত্রী তাজমুল হোসেন। তথ্যে অসঙ্গতি বা এসআইআর (SIR) শুনানির জন্য এবার খোদ মন্ত্রী ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের নোটিশ পাঠাল কমিশন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মালদা জেলা জুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। শুরু হয়েছে তৃণমূল ও বিজেপির রাজনৈতিক তরজা।
বর্তমানে রাজ্য জুড়ে ভোটার তালিকায় তথ্যের অসঙ্গতি মেটাতে কমিশনের এসআইআর শুনানি চলছে। মালদা জেলার প্রতিটি বিধানসভাতেই লক্ষ লক্ষ মানুষের কাছে এই শুনানির নোটিশ পৌঁছেছে। যার ফলে বিভিন্ন কেন্দ্রে সাধারণ মানুষের হয়রানির ছবি সামনে আসছে, ছড়িয়েছে উত্তেজনাও। হরিশ্চন্দ্রপুর বিধানসভা এলাকাতেও প্রায় লক্ষাধিক মানুষ এই নোটিশ পেয়েছেন। কিন্তু খোদ এলাকার বিধায়ক তথা রাজ্যের প্রতিমন্ত্রী তাজমুল হোসেন ও তাঁর পরিবারের কাছে নোটিশ পৌঁছানোয় রাজনৈতিক পারদ চড়েছে।
তজমুল হোসেনের সরাসরি অভিযোগ, "বিজেপির চক্রান্তে সাধারণ মানুষকে হেনস্তা করছে কমিশন। এসআইআর-এর নাম করে আসলে এনআরসি (NRC) আনার ষড়যন্ত্র চলছে। মূলত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কেই এখানে টার্গেট করা হচ্ছে।" তিনি আরও দাবি করেন, সাধারণ মানুষ যখন নথিপত্র নিয়ে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে হয়রানির শিকার হচ্ছেন, তখন সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা সত্ত্বেও তাঁকে ছাড় দেওয়া হয়নি।
অন্যদিকে, তৃণমূলের এই অভিযোগকে গুরুত্ব দিতে নারাজ বিজেপি। গেরুয়া শিবিরের পাল্টা দাবি, ভোটার তালিকায় বহু ভুয়ো নাম এবং তথ্যের গরমিল রয়েছে। কমিশন তার স্বচ্ছতা বজায় রাখতেই এই পদক্ষেপ করছে। বিজেপির মতে, মন্ত্রী হোন বা সাধারণ মানুষ, আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নন। এনআরসি-র জুজু দেখিয়ে তৃণমূল আসলে রাজনৈতিক ফায়দা তুলতে চাইছে।
সব মিলিয়ে, মালদহে এসআইআর শুনানিকে কেন্দ্র করে শাসক ও বিরোধী শিবিরের সংঘাত এখন তুঙ্গে। আগামী দিনে এই শুনানির প্রক্রিয়া কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।


/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us