/indian-express-bangla/media/media_files/2025/12/13/kandi-2025-12-13-09-14-31.jpg)
Kandi Police Station: কান্দি থানা।
রাত পোহালেই নাবালিকার বিয়ের পিঁড়িতে বসার কথা ছিল। পরিবারের পক্ষ থেকে ১৬ বছরের এক স্কুলছাত্রীর সঙ্গে ৩৫ বছরের এক যুবকের বিয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। কিন্তু বিয়ের আসরে না বসে সটান থানায় হাজির হল নাবালিকা। আর সেখানেই বদলে গেল তার ভবিষ্যতের দিশা।
ঘটনাটি মুর্শিদাবাদের বড়ঞা থানা এলাকার। জানা গিয়েছে, ওই নাবালিকা একটি উচ্চ বিদ্যালয়ের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী। তার বাবা ওড়িশায় বিদ্যুতের কাজ করেন এবং পরিযায়ী শ্রমিক হিসেবে দীর্ঘদিন বাড়ির বাইরে থাকেন। পরিবারের অন্যান্য সদস্য-দাদু, জেঠু, কাকু-কাকিমা ও ভাইদের সঙ্গে থাকলেও বাবার সিদ্ধান্তেই মেয়ের বিয়ে ঠিক করা হয় বড়ঞা থানা এলাকার এক ৩৬ বছরের যুবকের সঙ্গে।
বিয়েতে স্পষ্ট আপত্তি ছিল ছাত্রীর। সে জানায়, বিয়ে নয়, তার ইচ্ছা পড়াশোনা করে নিজের পায়ে দাঁড়ানো। বিয়ের দিনেই সাহসিকতার পরিচয় দিয়ে সে হাজির হয় কান্দি থানায় এবং নিজের অবস্থান জানায় পুলিশকে।
নাবালিকার কথা শোনার পরই তৎপর হন কান্দি থানার আইসি মৃণাল সিনহা। তিনি বিয়ে বন্ধের পাশাপাশি ওই ছাত্রীর পড়াশোনা ও ভবিষ্যৎ সুরক্ষার সমস্ত দায়িত্ব গ্রহণের আশ্বাস দেন। পুলিশের হস্তক্ষেপে আপাতত বন্ধ হয় নাবালিকার বিয়ে।
উল্লেখ্য, রাজ্য সরকারের তরফে নাবালিকা বিয়ে রুখতে একাধিক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। স্কুলে স্কুলে সচেতনতা প্রচার চালানো হলেও, অভিভাবকদের একাংশ এখনও সেই বিষয়ে উদাসীন, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ফের সেই প্রশ্নই উঠে এল।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us