/indian-express-bangla/media/media_files/2025/10/19/mandirbajar-suvendu-convoy-attack-2025-10-19-11-45-48.jpg)
Suvendu Adhikari: বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
Calcutta High Court-West Bengal politics: দীর্ঘ চার বছরের আইনি লড়াইয়ের পর শেষমেশ কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজ হল। দলত্যাগ বিরোধী আইন অনুযায়ী এই রায় দিয়েছে হাইকোর্ট। একই সঙ্গে বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের সিদ্ধান্তকেও খারিজ করে দিয়েছে আদালত।
এই মামলাটি দায়ের করেছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, যিনি দাবি করেন— BJP-র টিকিটে নির্বাচিত হয়েও মুকুল রায় তৃণমূলে যোগ দিয়ে সংবিধানের ১০ নম্বর তফসিল ভঙ্গ করেছেন।
আরও পড়ুন- West Bengal News Live Updates: মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজ, বিরাট নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের
বৃহস্পতিবার আদালতের রায়ের পর শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “এটা সংবিধানের জয়। দল পরিবর্তন করলে বিধায়ক পদ স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়— সংবিধানে তাই বলা আছে। আমি নিজেও বিজেপিতে যোগ দেওয়ার আগে সব পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলাম।”
তিনি আরও বলেন, “মুকুল রায়ের পর এখন পালা তৃণমূলের আরও কয়েকজন বিধায়কের। তন্ময় ঘোষ (বিষ্ণুপুর), সুমন কাঞ্জিলাল (আলিপুরদুয়ার), তাপসী মণ্ডল (হলদিয়া) — এদের প্রস্তুত থাকতে বলছি। এবার একে একে সকলের বিধায়ক পদ খারিজ হবে।”
বিরোধী দলনেতার অভিযোগ, “২০১১ সাল থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার ও অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় ৫০ জনেরও বেশি বিধায়ককে দলবদল করিয়েছেন, অথচ তাঁদের সদস্যপদ খারিজ হয়নি। এই রায় প্রমাণ করল, সংবিধানই শেষ কথা।”
প্রসঙ্গত, মুকুল রায় বিজেপির টিকিটে জয়ী হয়েও তৃণমূলে ফিরে যান পুত্র শুভ্রাংশু রায়কে নিয়ে। এরপর শুভেন্দু অধিকারী তাঁর বিধায়ক পদ খারিজের আবেদন জানান হাইকোর্টে। অবশেষে আদালত জানায়, মুকুল রায় আর বিজেপি বিধায়ক নন, তাঁর পদ খারিজ। হাইকোর্টের এই রায়ের পর রাজ্য রাজনীতিতে তোলপাড় শুরু হয়েছে। বিজেপি শিবিরে উচ্ছ্বাস।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us