/indian-express-bangla/media/media_files/2026/01/28/murder-2026-01-28-15-42-25.jpg)
Murshidabad Bhagwangola Murder: ঘটনাস্থলে ভিড় স্থানীয় বাসিন্দাদের।
একই পরিবারের চারজনের রহস্যমৃত্যুকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদ (Murshidabad News) জেলার ভগবানগোলা থানা এলাকার কুঠিবাড়িতে। একটি ভাড়াবাড়ি থেকে স্ত্রী ও দুই শিশুকন্যার গলাকাটা দেহ উদ্ধারের পাশাপাশি উদ্ধার হয়েছে গৃহকর্তার ঝুলন্ত দেহ। মৃত ব্যক্তির নাম মানিক ব্যাপারী।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সকাল ১০টা পর্যন্ত ওই বাড়ির দরজা ভিতর থেকে বন্ধ ছিল। দীর্ঘক্ষণ কোনও সাড়াশব্দ না পেয়ে প্রতিবেশীদের সন্দেহ হয়। এরপরই খবর দেওয়া হয় ভগবানগোলা থানায়। পুলিশ এসে দরজা ভেঙে ভিতরে ঢুকতেই আঁতকে ওঠেন সকলে। দেখা যায়, বিছানায় রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে স্ত্রী ও দুই মেয়ের গলাকাটা দেহ। আর ঘরের মধ্যেই ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার হয় মানিক ব্যাপারীর দেহ।
এলাকাবাসীদের প্রাথমিক ধারনা, পারিবারিক কোনও বিবাদ বা মানসিক অবসাদের জেরে মানিক ব্য়াপারী প্রথমে তাঁর দুই মেয়ে ও স্ত্রীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে খুন করেন। পরিবারের সকলকে শেষ করে দিয়ে নিজেও আত্মহত্যার পথ বেছে নেন। তবে মানিক কেন এমন চরম পথ বেছে নিলেন, তা নিয়ে ঘনিয়েছে রহস্য।
খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান ভগবানগোলা মহকুমার এসডিপিও (SDPO) বিমান হালদার। তিনি নিজে গোটা বাড়িটি পরিদর্শন করেন এবং তদন্তের নির্দেশ দেন। পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, দেহগুলি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। এটি নিছকই আত্মহত্যা নাকি এর পিছনে অন্য কোনো ষড়যন্ত্র বা বহিরাগত কারও হাত রয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ফরেনসিক রিপোর্ট আসার পরেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
ভরদুপুরে এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ডের (Murder) খবর ছড়িয়ে পড়তেই কুঠিবাড়ি এলাকায় শোক ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। যারা মানিক ব্যাপারীকে চিনতেন, তাঁরাও বিশ্বাস করতে পারছেন না শান্ত স্বভাবের এক ব্যক্তি এমন কাণ্ড ঘটাতে পারেন। পুলিশ ওই এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ এবং মানিক ব্যাপারীর মোবাইল ফোনটি পরীক্ষা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।


/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us