/indian-express-bangla/media/media_files/2025/11/22/death-2025-11-22-14-41-51.jpg)
BLO Death: এই সেই BLO। বামদিকে, সেই সুইসাইড নোট। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এক্স পোস্ট থেকে নেওয়া ছবি।
SIR: রাজ্যে এসআইআর–এর অতিরিক্ত কাজের চাপ নিয়ে তীব্র বিতর্কের মধ্যেই ফের আত্মহত্যার ঘটনা। নদিয়ার কৃষ্ণনগর ষষ্ঠীতলায় এক মহিলা BLO–র ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হওয়ায় নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃতের পরিবার অভিযোগ করেছে, মানসিক অবসাদ ও কাজের অস্বাভাবিক চাপই তাঁকে চরম সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করেছে।
মৃত কর্মীর নাম রিঙ্কু তরফদার (৫১)। তিনি চাপড়া বাঙালঝি স্বামী বিবেকানন্দ বিদ্যামন্দিরের পার্শ্ব শিক্ষক ছিলেন। পাশাপাশি নিজের এলাকাতেই BLO হিসেবে বিশেষ সার্ভে—এসআইআর (Special Intensive Revision)—এর দায়িত্ব পালন করছিলেন। শনিবার সকালেই তাঁর বাড়ি থেকে ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়।
সুইসাইড নোটে কাজের চাপের অভিযোগ
পরিবারের দাবি, ঘটনাস্থল থেকে একটি সুইসাইড নোট উদ্ধার হয়েছে। সেখানে রিঙ্কু তরফদার নিজের দুই মেয়ের উদ্দেশে লিখে গেছেন, “বাবার খেয়াল রাখিস। আমার কিছু করার নেই… সংসার ছেড়ে যেতে খুব কষ্ট হচ্ছে। BLO–র কাজ ঠিকমতো করতে না পারলে প্রশাসনিক চাপ আসবে, সেই চাপ আর নিতে পারছি না।” আরও লেখা আছে, “আমার মৃত্যুর জন্য নির্বাচন কমিশন দায়ী। আমি কোনও রাজনৈতিক দলের সমর্থক নই, কিন্তু অমানুষিক কাজের চাপ আমি আর নিতে পারছি না।”
আরও পড়ুন- Eastern Railway: যাত্রীদের সুবিধার্থে দুরন্ত পদক্ষেপ রেলের, দীর্ঘদিনের দাবি পূরণে আনন্দের বন্যা!
রাজ্যজুড়ে আতঙ্কের আবহ
গত কয়েক সপ্তাহে এসআইআর সংক্রান্ত কাজ করতে গিয়ে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে একাধিক BLO–র অসুস্থতা, মানসিক অবসাদ, এমনকি আত্মহত্যার অভিযোগ সামনে এসেছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শুরু থেকেই দাবি করে আসছেন যে, রাজ্যজুড়ে এসআইআর নিয়ে তীব্র আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে।
Profoundly shocked to know of the death of yet another BLO, a lady para- teacher,who has committed suicide at Krishnanagar today . BLO of part number 201 of AC 82 Chapra, Smt Rinku Tarafdar, has blamed ECI in her suicide note ( copy is attached herewith) before committing… pic.twitter.com/xG0TyD4VNy
— Mamata Banerjee (@MamataOfficial) November 22, 2025
এর আগে রাজ্যের দুই BLO–র মৃত্যুর খবর প্রকাশ্যে এসেছে। কৃষ্ণনগরের এই নতুন ঘটনা সেই তালিকায় আরও একটি সংযোজন। স্থানীয় প্রশাসন ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। তবে পরিবার, সহকর্মী ও স্থানীয়দের দাবি—“অতিরিক্ত কাজের চাপ না কমালে আরও বিপদ ঘটতে পারে।”
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us