/indian-express-bangla/media/media_files/2025/04/07/XxZY7sBTBitS9bb87isc.jpg)
প্রতীকী ছবি।
আর কয়েক মাস পরেই পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন। সেই প্রাক্কালে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সেই উত্তাপের প্রেক্ষাপটে নন্দীগ্রামে সমবায় সমিতির নির্বাচনে বিজেপি প্রার্থীরা ত্রাসহীনভাবে তৃণমূল কংগ্রেসকে হারিয়ে সুনামি বিজয় অর্জন করেছেন।
নন্দীগ্রামের ১ নম্বর গাংড়া সমবায় কৃষি উন্নয়ন সমিতি লিমিটেডের নির্বাচনে ন’টি আসনের মধ্যে ন’টিতেই জয়ী হয়েছে BJP সমর্থিত প্রার্থীরা। শাসকদল তৃণমূলের জন্য একটিও আসনে খাতা খোলার সুযোগ হয়নি। সমিতির নির্বাচনে বামপন্থীরা মাত্র দুটি আসনে প্রার্থী দিয়েছিলেন, কিন্তু সেগুলিতেও তারা কোনও ভোট জেতেননি। এই ফলাফলের পরেই রাজ্যের রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা ভবিষ্যতে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের ইঙ্গিত খুঁজছেন।
আরও পড়ুন- Kolkata News: পুরনো বাড়ির মৃত্যুফাঁদ! খাস কলকাতায় পুরনো বাড়ির ছাদ ধসে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা
রবিবার কড়া পুলিশি প্রহরার মধ্য দিয়ে নন্দীগ্রামের ওই সমবায় সমিতিতে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়। পুলিশ নিরাপত্তার পাশাপাশি এলাকায় যেকোনও ধরণের অশান্তি রোধে সর্তক ছিল। নন্দীগ্রাম থানার আইসি নিজে দাঁড়িয়ে পুরো নির্বাচনী প্রক্রিয়ার তদারকি করেন। ভোট গ্রহণ চলাকালীন সময়ে এলাকায় যেকোনও ধরনের জমায়েত দেখা দিলে আইসি নিজে তা সরিয়ে দেন। এই নিরাপত্তার পরিবেশে ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়।
নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক ও রাজ্য বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সোমবার এই জয়ের খবরে অভিবাদন জানান। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, “নন্দীগ্রাম বিধানসভায় নন্দীগ্রাম ১ এর গাংড়া সমবায় কৃষি উন্নয়ন সমিতি লিমিটেডের পরিচালন সমিতির নির্বাচনে বিজেপি সমর্থিত রাষ্ট্রবাদী প্রার্থীরা তৃণমূলকে হারিয়ে ৯-০ ফলাফলে জয়ী হয়েছেন। প্রত্যেক সমবায়ী বন্ধুকে নির্বাচিত রাষ্ট্রবাদী প্রার্থীদের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। জয়ী সকল সদস্যদের জাতীয়তাবাদী অভিনন্দন।”
রাজ্য রাজনৈতিক মহলে এই নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে তীব্র আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রকে ভোটের আগে রাজনৈতিক মহলের দৃষ্টি আকর্ষণের কেন্দ্র হিসাবে দেখা হয়। সমবায় সমিতি নির্বাচনের ফলাফল রাজনৈতিক সমীকরণে বড় ধরনের ইঙ্গিত দেয় বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
এই জয়ের মাধ্যমে বিজেপি প্রমাণ করতে চেয়েছে যে তারা নন্দীগ্রাম অঞ্চলে রাজনৈতিক শক্তি বাড়াতে সক্ষম এবং তৃণমূলের প্রভাবকে চ্যালেঞ্জ করতে পারছে। নির্বাচনের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ও সুনামি জয়ের কারণে রাজনৈতিক মহলে এবারের ফলাফলকে রাজ্যের সামনের বিধানসভা নির্বাচনের অন্যতম পূর্বাভাস হিসেবে দেখা হচ্ছে।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us