/indian-express-bangla/media/media_files/2025/09/09/nepal-p-2025-09-09-16-12-51.jpg)
Nepal youth protest: অশান্তির আগুন নেপালে।
Nepal Protest: সরকার বিরোধী বিক্ষোভের জেরে উত্তপ্ত নেপাল। ফেসবুক-ইন্সটাগ্রাম সহ ২৬টি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম বন্ধের প্রতিবাদে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ যুবসম্প্রদায়ের। ধীরে ধীরে সেই বিক্ষোভ হিংসাত্মক রূপ নেয়, যার ফলে মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে কাঠমান্ডু বিমানবন্দর সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এর প্রভাবে ইন্ডিগো, স্পাইসজেট ও এয়ার ইন্ডিয়া কাঠমান্ডু গামী সমস্ত ফ্লাইট বাতিল করেছে।
আরও পড়ুন- আন্দোলনের নামে ব্যাপক হিংসা, লুটপাট, অগ্নিসংযোগ, দেশজুড়ে কারফিউ, কবে শান্তি ফিরবে নেপালে?
দুই দিনে কাঠমান্ডুসহ বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ চলাকালীন কমপক্ষে ২২ জন নিহত এবং ৫০০ জনের বেশি আহত হয়েছেন। বিক্ষোভকারীরা সংসদভবন সহ সরকারি অফিসে আগুন ধরিয়ে দেয়। পরিস্থিতির চাপে প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি পদত্যাগ করেন। অশান্তির আঁচ পশুপতিনাথ মন্দিরেও।
অশান্ত নেপালে আটকে রয়েছেন বহু বাঙালি পর্যটক। আর কয়েকশো কিলোমিটার দূরে কলকাতায় পেটের তাগিদে আসা অনিতা থাপার বুক কেঁপে উঠছে অশান্ত নেপালে পরিবারের চিন্তায়। ইতিমধ্যে কাঠমান্ডু সহ দেশের বিভিন্ন শহরে নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন বাড়ানো হয়েছে এবং ইন্টারনেট পরিষেবা আংশিকভাবে প্রভাবিত হয়েছে। সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার জন্য প্রশাসন বারবার অনুরোধ করেছে।
আরও পড়ুন- 'প্রিয় মমতা দিদুন, মাকে বাড়ি ফিরিয়ে দাও', মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি একরত্তির, ঝড়ের বেগে ভাইরাল
ক্রমবর্ধমান হিংসা এবং চাপের কারণে প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি গতকালই পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। কেপি শর্মা ওলির পদত্যাগের পর থেকে নেপালের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী কে হবেন তা নিয়ে জল্পনা তীব্র হয়েছে। বর্তমানে সেনার নিয়ন্ত্রণে নেপাল। কবে ফিরবে শান্তি সেই প্রশ্নই উঁকি দিচ্ছে সকলের মনে।
পেটের তাগিদে নেপাল থেকে কলকাতার সোনাগাছি এলাকায় যৌন পেশার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অনিতা থাপা (নাম পরিবর্তিত)। আসল বাড়ি কাঠমান্ডুতে।পদাতিক সংগঠনের তরফ থেকে নেপাল থেকে আসা যেসব যৌন কর্মীরা রয়েছেন তাদের সবাইকে সব রকম সাহায্যে করছে। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বাংলাকে ফোনে তিনি জানিয়েছেন, "বাড়ির লোকের সঙ্গে ঠিকমত ফোনে কথা হচ্ছে না। খুবই উদ্বেগের মধ্যে রয়েছি এখানে। এখন একটাই চাহিদা পরিস্থিতি তাড়াতাড়ি স্বাভাবিক হয়ে যাক। বাড়ির লোকে কিছু ভিডিও-ছবি পাঠিয়েছে। সেসব ছবি ভয়ঙ্কর। আমি বাড়ি ফিরে যাওয়ার কথা জানিয়েছিলাম। মা বারণ করে বলল এখন আসার দরকার নেই। তোর যদি কিছু একটা হয়ে যায়...! পরিবারে বাবা-মা, ভাই, ছোট-ছেলে মেয়েরা রয়েছে। মাত্র কয়েকমাস আগেই নেপাল থেকে ঘুরে এসেছি। তখন পুরোপুরি শান্ত ছিল পরিস্থিতি। আমরা এখানে চারপাঁচ জন আছি। গ্রামে তেমন অশান্তির আঁচ পড়েনি। অশান্তির আগুন ছড়িয়েছে কাঠমান্ডু ও পার্শ্ববর্তী এলাকায়"।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us