/indian-express-bangla/media/media_files/2026/01/19/netaji-subhas-chandra-bose-great-grandson-sir-notice-election-commission-2026-01-19-12-02-01.jpg)
নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর প্রপৌত্রকেও SIR-এর নোটিস!
West Bengal SIR 2025: রাজ্যে এবার SIR চলাকালীন দানা বাঁধল নতুন বিতর্ক। ভোটার তালিকা সংশোধনের আওতায় এবার কমিশনের তরফে নোটিস জারি করা হল নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর প্রপৌত্র চন্দ্র কুমার বসুকে। এই নোটিসকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। নির্বাচন কমিশনের তরফে পাঠানো নোটিশকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে আলোড়ন শুরু হয়েছে।
কলকাতার উপকণ্ঠে হাইভোল্টেজ সভা, বারাসাতের মঞ্চ থেকে কি BJP-বধের 'বিজয় মন্ত্র' দেবেন অভিষেক?
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, SIR প্রক্রিয়ার প্রথম ধাপে বুথ লেভেল অফিসাররা (BLO) বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার গণনা ফর্ম বিতরণ করেন এবং পূরণ করা ফর্ম সংগ্রহ করেন। সেই তথ্যের ভিত্তিতেই একটি খসড়া ভোটার তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। পরবর্তী ধাপে তথ্যের অসঙ্গতির কারণে একাধিক ভোটারকে শুনানির জন্য নোটিশ পাঠানো হচ্ছে। সেই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই চন্দ্র কুমার বসুকেও তলব করা হয়েছে বলে কমিশনের দাবি।
কমিশনের তরফে স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে, চন্দ্র বসু তাঁর SIR ফর্মে ‘লিংকেজ’ সংক্রান্ত অংশটি সম্পূর্ণ ফাঁকা রেখেছিলেন। এই কারণেই নিয়ম অনুযায়ী তাঁকে শুনানির জন্য নোটিশ পাঠানো হয়েছে। ‘লিংকেজ’ অংশে ভোটারদের উল্লেখ করতে হয়, তাঁদের নাম ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় ছিল কি না। যদি থাকে, তবে সেই সঙ্গে পরিবারের সদস্য যেমন বাবা-মা বা নিকটাত্মীয়দের যাঁদের নাম ওই তালিকায় ছিল, তাঁদের বিস্তারিত তথ্য দিতে হয়। কমিশনের দাবি, চন্দ্র বসু এই অংশটি পূরণ না করেই ফর্ম জমা দিয়েছিলেন।
লাইন দেওয়ার দিন শেষ! SIR-এ ই-শুনানির নতুন দুয়ার খুলল নির্বাচন কমিশন
নোটিশ প্রকাশ্যে আসার পর প্রশ্ন ওঠে, নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর প্রপৌত্রকেও কি নাগরিকত্বের প্রমাণ দিতে হবে। এই বিতর্কের প্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন একটি সোশ্যাল মিডিয়া বার্তার মাধ্যমে জানিয়েছে, চন্দ্র বসুকে নোটিশ পাঠানো নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। কমিশনের বক্তব্য, তিনি অন্যান্য সাধারণ ভোটারদের মতোই SIR নিয়মের আওতায় পড়েছেন এবং কোনও বিশেষ ব্যতিক্রম করা হয়নি।
এর আগেও এই SIR প্রক্রিয়া নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন, অভিনেতা ও তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ দীপক অধিকারী (দেব) এবং ভারতীয় ক্রিকেটার মোহাম্মদ শামির মতো একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বকে শুনানির নোটিশ পাঠানো হয়েছিল। এই নিয়ে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস বারবার নির্বাচন কমিশন ও বিজেপির বিরুদ্ধে প্রশ্ন তুলেছে।
উল্লেখ্য, চন্দ্র কুমার বসু ২০১৬ সালে ভারতীয় জনতা পার্টিতে যোগ দেন। তিনি বিজেপির টিকিটে ২০১৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন এবং ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও জয়ী হতে পারেননি। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বিজেপির সঙ্গে তাঁর দূরত্ব বাড়ে এবং শেষ পর্যন্ত ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে তিনি দল ত্যাগ করেন।
প্রবল ঝাঁকুনি, দুমড়ে মুচড়ে গেল যাত্রীবাহী ট্রেনের একের পর এক বগি, রাতের অন্ধকারে বিরাট দুর্ঘটনা


/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us