/indian-express-bangla/media/media_files/2026/01/17/beldanga-2026-01-17-14-32-28.jpg)
Beldanga Violence: বেলডাঙা হিংসা কাণ্ডের তদন্তভার তুলে দেওয়া হল NIA-এর হাতে
মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় হিংসার ঘটনার তদন্তভার হাতে নিল জাতীয় তদন্ত সংস্থা (এনআইএ)। এক পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে চলতি মাসেই বেলডাঙা জুড়ে যে ব্যাপক অশান্তি ছড়িয়েছিল, সেই ঘটনার তদন্ত এখন এনআইএর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের নির্দেশের পরেই এই তদন্তের ভার নিচ্ছে NIA।
আরও পড়ুন- অর্থমন্ত্রী কি মধ্যবিত্তদের প্রত্যাশা পূরণ করবেন? কর ছাড়ের সীমা আরও বাড়বে? বাজেটের আগে জোর জল্পনা
উল্লেখ্য, গত ১৬ জানুয়ারি বেলডাঙায় ব্যাপক হিংসার ঘটনা ঘটে। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ দীর্ঘক্ষণ রাস্তা অবরোধ করে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখায়। সারাদিন ধরে চলা এই অবরোধের সময় কর্তব্যরত এক মহিলা সাংবাদিকের উপর হামলার ঘটনাও ঘটে। পরদিন, ১৭ জানুয়ারিতেও একই ধরনের বিক্ষোভ ও অশান্তি ছড়ায় এবং সেদিনও আরও এক সাংবাদিক আক্রান্ত হন। টানা দু’দিন ধরে পরিস্থিতি অত্যন্ত উত্তপ্ত ছিল বলে জানিয়েছে প্রশাসন।
প্রাথমিকভাবে এই আন্দোলনকে পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুর প্রতিবাদ হিসেবে তুলে ধরা হলেও তদন্তে উঠে আসে আরও গুরুতর ও সংগঠিত উসকানির তথ্য। পুলিশ জানতে পারে, এক ব্যক্তি ফেসবুকে একটি উস্কানিমূলক পোস্ট করে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) ইস্যুকে সামনে রেখে উস্কানিমূলক পোস্ট করেছিলেন। এই অভিযোগে বেলডাঙা থানার অন্তর্গত জালালপুর এলাকার বাসিন্দা হায়দার আলির ছেলে সওকত আলিকে গ্রেপ্তার করে মুর্শিদাবাদ জেলা পুলিশ।
আরও পড়ুন- SIR-এর ধাক্কায় বাংলা জুড়ে আলোড়ন, মুখ্যমন্ত্রীর খাসতালুকে বাদ ৪৫ হাজার নাম, তড়িঘড়ি বৈঠকে মমতা
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত সওকত আলি ২০২৬ সালের ১৫ জানুয়ারি নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে উস্কানিমূলক পোস্টটি করেন। এর জেরে বেলডাঙা ও সংলগ্ন এলাকায় বিপুল সংখ্যক মানুষ জমায়েত হয়। পরে দুষ্কৃতীরা জাতীয় সড়ক ১২ অবৈধভাবে অবরোধ করে এবং ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগে জড়িয়ে পড়ে, যার ফলে জনজীবন সম্পূর্ণভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত আরও এক অভিযুক্ত মতিউর রহমানকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট হিংসার ঘটনায় এখনও পর্যন্ত চারটি মামলা রুজু হয়েছে এবং মোট গ্রেপ্তারির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৬-এ। সমস্ত অভিযুক্ত বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রয়েছে এবং আগামী ৩১ জানুয়ারি ফের তাদের আদালতে পেশ করা হবে।
বেলডাঙা হিংসা সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে আদালত আরও জানিয়েছে, ওই এলাকায় মোতায়েন কেন্দ্রীয় বাহিনীকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কার্যকরভাবে ব্যবহার করতে হবে। একইসঙ্গে আদালত স্পষ্ট করেছে, এই মামলার তদন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে এনআইএর হাতেই থাকবে কি না, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে কেন্দ্রীয় সরকার।
আরও পড়ুন- ১০ লক্ষ জমায়েত! আজই মিমের সঙ্গে জোট? মমতার 'মৃত্যুঘন্টা' বাজানোর বিস্ফোরক হুঁশিয়ারি হুমায়ুনের


/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us