/indian-express-bangla/media/media_files/2025/12/16/nitish-2025-12-16-08-09-29.jpg)
Nitish Kumar controversy: এক মহিলা চিকিৎসকের হিজাব টানছেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী। এই ঘটনা ঘিরে তুমুল বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
Hijab controversy Bihar: বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারকে ঘিরে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত এক মহিলা আয়ুষ চিকিৎসকের হিজাব টেনে নামানোর অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিরোধীরা মুখ্যমন্ত্রীর “মানসিক স্থিতিশীলতা” নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে।
ঘটনাটি ঘটে রাজ্যের সচিবালয় ‘সংবাদ’-এ, যেখানে এক অনুষ্ঠানে এক হাজারেরও বেশি আয়ুষ চিকিৎসকের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেওয়া হচ্ছিল। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিও ক্লিপে দেখা যায়, হিজাব পরিহিত এক মহিলা চিকিৎসক যখন নিয়োগপত্র নিতে মঞ্চের সামনে যান, তখন মুখ্যমন্ত্রী তাঁর দিকে তাকিয়ে প্রশ্ন করেন, “এটা কী?” এরপর তিনি সামান্য ঝুঁকে ওই চিকিৎসকের হিজাব টেনে নামিয়ে দেন।
ঘটনায় হতভম্ব হয়ে পড়া ওই মহিলা চিকিৎসককে সঙ্গে সঙ্গে মঞ্চের পাশে থাকা এক আধিকারিক সরিয়ে নিয়ে যান। একইসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর পাশে দাঁড়ানো উপ-মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরীকেও নীতীশ কুমারের হাত ধরে তাঁকে থামানোর চেষ্টা করতে দেখা যায়।
আরও পড়ুন-SIR: আজই খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ, তালিকায় আপনার নাম আছে তো? এখনই জানুন
এই ঘটনার ভিডিও শেয়ার করে আরজেডি ও কংগ্রেসসহ বিরোধী দলগুলি দাবি করেছে, এটি জেডিইউ সভাপতি নীতীশ কুমারের “অস্থিতিশীল মানসিক অবস্থার” প্রমাণ। আরজেডি মুখপাত্র মৃত্যুঞ্জয় তিওয়ারি দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-কে বলেন, “এই ধরনের ঘটনা প্রমাণ করে মুখ্যমন্ত্রী নিজেকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারছেন না। কোনও মহিলার হিজাব টানার চেষ্টা অত্যন্ত অরুচিকর। এটি তাঁর আচরণের এক দুঃখজনক প্রতিফলন।”
আরও পড়ুন-পুরসভার সাপ্লাই করা জল পান করেই অসুস্থ কমপক্ষে ৫০, মৃত্যুর ভয়ঙ্কর অভিযোগ, চূড়ান্ত চাঞ্চল্যে হুলস্থূল
যদিও মুখ্যমন্ত্রীর পক্ষ নিয়ে পাল্টা সওয়াল করেছে জেডিইউ। দলের প্রধান মুখপাত্র নীরজ কুমার বলেন, “নারী ক্ষমতায়ন ও সংখ্যালঘু কল্যাণে নীতীশ কুমার যা করেছেন, তার সামগ্রিক দিকটি দেখা উচিত। একটি বিচ্ছিন্ন দৃশ্যকে নিয়ে বিরোধীদের অযথা রাজনীতি করা উচিত নয়।”
আরও পড়ুন-Salt Lake Stadium chaos: মেসি সফরে চরম বিশৃঙ্খলা যুবভারতীতে, উসকে দিল একাংশের বাংলাদেশির উচ্ছৃঙ্খলতা
মুখ্যমন্ত্রী দপ্তর (CMO) সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই নিয়োগপ্রাপ্তদের মধ্যে ছিলেন ৬৮৫ জন আয়ুর্বেদ চিকিৎসক, ৩৯৩ জন হোমিওপ্যাথ এবং ২০৫ জন ইউনানি চিকিৎসক। এর মধ্যে ১০ জনকে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী নিয়োগপত্র দেন, বাকিরা অনলাইনে নিয়োগপত্র পান। এই ঘটনার জেরে বিহারের রাজনীতিতে নতুন করে বিতর্ক তীব্র হয়েছে।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us