/indian-express-bangla/media/media_files/2025/09/22/cats-2025-09-22-14-13-53.jpg)
ভয়ঙ্কর এয়ারস্ট্রাইক, মৃত্যুমিছিল, হাহাকার, স্বজন হারানোর বেদনা
পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের তিরাহ উপত্যকায় ভয়াবহ বিমান হামলায় অন্তত ৩০ জন নিহত হয়েছেন। মৃতদের মধ্যে অধিকাংশই নারী ও শিশু। জানা গিয়েছে পাকিস্তানি সেনারা JF-17 ফাইটার জেট থেকে বিমান হামলা চালিয়েছে। রাত আড়াইটে নাগাদ এই ভয়াবহ বিমান হামলা চালানো হয়। পাকিস্তানের নিজস্ব জে.এফ-১৭ ফাইটার জেট থেকে LS-6 বোমা ছোঁড়ে পাক সেনা। মুহূর্তে প্রায় নিশ্চিহ্ন হয়ে যায় গোটা গ্রাম। স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, প্রায় ৮টি বোমা নিক্ষেপ করা হয়। মৃত্যু হয় ৩০ জন গ্রামবাসীর। এছাড়াও আহত হয়েছেন ২০ জনেরও বেশি মানুষ। পাক সরকারের দাবি, এই অভিযানটি "সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রম" হিসেবে চালানো হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাতের অন্ধকারে গ্রামের মানুষরা ঘুমাচ্ছিলেন। হঠাৎ যুদ্ধবিমান থেকে ভয়ঙ্কর স্ট্রাইক চালানো হয়। বোমার ভয়ঙ্কর শব্দে সকলে ঘুম ভেঙে যায়। বাইরে বেরোতেই দেখা যায় এলোপাথাড়ি বোমা ছুঁড়ছে পাক সেনার সদস্যরা। রাতভর চিৎকার-চেচামেচি চলতে থাকে। সকাল হলে ধ্বংসস্তূপ ও লাশের পাহাড়ে বুক কেঁপে ওঠে । স্থানীয় পুলিশ উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করেন।
মানবাধিকার কমিশন হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে এবং পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছে। পাকিস্তান সরকার এখনও পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো অফিসিয়াল বিবৃতি জারি করেনি। এই ঘটনা পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরেছে। পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া ও বেলুচিস্তান প্রদেশে সামরিক ও সরকারী নিপীড়ন নতুন ঘটনা নয়। অতীতে সেনারা ‘সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান’ বলে সাধারণ মানুষকে লক্ষ্য করেছে পাক সেনা।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us