/indian-express-bangla/media/media_files/2026/03/04/pakistan-defence-minister-khawaja-asif-on-us-israel-iran-war-conspiracy-claim-2026-03-04-12-45-28.jpg)
দিবাস্বপ্নেও ভারতের ভূত তাড়া করে বেড়াচ্ছে
আমেরিকা-ইজরায়েলের লাগাতার হামলায় এবার বুক কেঁপে উঠল পাকিস্তানের। ইরান-এর উপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েল-এর সামরিক হামলার জেরে উদ্বেগ বেড়েছে পাকিস্তানের। ইরানের সঙ্গে পাকিস্তানের ৯০০ কিলোমিটারেরও বেশি সীমান্ত থাকায় পরিস্থিতি ঘিরে ইসলামাবাদের কৌশলগত চিন্তা বাড়ছে। মঙ্গলবার (৩ মার্চ, ২০২৬) পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ এক বিবৃতিতে ইজরায়েলের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তোলেন। তাঁর দাবি, ইজরায়েল পাকিস্তানকে নিজেদের প্রভাবের মধ্যে আনতে চায় এবং এই পরিকল্পনায় ভারতও যুক্ত থাকতে পারে।
খাজা আসিফ বলেন, চলমান সংঘাতে যদি ইজরায়েল কৌশলগত সুবিধা পায়, তবে তারা আফগানিস্তান, ভারত ও ইরানের সঙ্গে সমন্বয় করে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে একটি জোট গঠন করতে পারে। সেক্ষেত্রে পাকিস্তান চারদিক থেকে চাপে পড়বে এবং দেশের নিরাপত্তা দুর্বল হয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। উল্লেখ্য, পাকিস্তানের সঙ্গে আফগানিস্তান-এর সম্পর্ক ইতিমধ্যেই টানাপোড়েনের মধ্যে যা মন্ত্রীর ভাষায় কার্যত ‘প্রকাশ্য যুদ্ধ’-এর পরিস্থিতি। পাশাপাশি ২০২৫ সালের মে মাসে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে চার দিনের সামরিক সংঘর্ষও হয়েছিল। ইরান-পাকিস্তান সীমান্তবর্তী বেলুচিস্তান অঞ্চল দীর্ঘদিন ধরেই অস্থিরতায় জর্জরিত।
আরও পড়ুন-Kolkata Metro: ইডেনে বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল! ম্যাচ শেষে বাড়ি ফেরার চিন্তা নেই, মাঝরাতে ছুটবে মেট্রো
সামাজিক মাধ্যম X-এ এক পোস্টে খাজা আসিফ আরও দাবি করেন, ১৯৪৮ সালে ইজরায়েল রাষ্ট্র গঠনের পর থেকে ইসলামী বিশ্বের একাধিক সংঘাতে ইহুদিবাদ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভূমিকা পালন করেছে। তাঁর অভিযোগ, মুসলিম দেশগুলির বড় বড় সংঘাতের নেপথ্যে এই মতাদর্শের প্রভাব রয়েছে এবং বিশ্ব অর্থনীতির দিকনির্দেশনাতেও তার ছাপ পড়েছে। বর্তমান পরিস্থিতির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ইরান আলোচনার জন্য প্রস্তুত থাকলেও তাদের উপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁর মতে, এই সংঘাত পাকিস্তানের সীমান্তের কাছে ইজরায়েলের প্রভাব বিস্তারের বৃহত্তর কৌশলের অংশ।
এদিকে খাজা আসিফ পাকিস্তানের নাগরিকদের রাজনৈতিক ও ধর্মীয় বিভাজনের ঊর্ধ্বে উঠে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান। তিনি দেশের পারমাণবিক সক্ষমতার কথা উল্লেখ করে বলেন, ১৯৯৮ সালের পারমাণবিক পরীক্ষার পর থেকে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা শক্তি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। একইসঙ্গে তিনি “মুক্ত প্যালেস্তাইন” স্লোগান পুনর্ব্যক্ত করে মুসলিম দেশগুলিকে একজোট হওয়ার আহ্বান জানান।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us