/indian-express-bangla/media/media_files/2026/01/14/proloy-chaki-dead-bangladesh-2026-01-14-09-47-55.jpg)
জেলেই মৃত্যু কোলে ঢলে পড়লেন জনপ্রিয় গায়ক প্রলয় চাকি
Bangladesh singer proloy chaki death: বাংলাদেশি জনপ্রিয় গায়ক তথা আওয়ামী লীগ নেতা প্রলয় চাকির হেফাজতে থাকাকালীন মৃত্যুকে ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। পরিবারের অভিযোগ, কারা প্রশাসনের অবহেলা এবং যথাযথ চিকিৎসার অভাবেই তার মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে পরিবারের লোকজন একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছে।
আরও পড়ুন-Murshidabad News: ভিন রাজ্যে নির্যাতনের মুখে, বাংলার মাটিতে জেগে উঠল মানবিকতার আলো
প্রলয় চাকি ছিলেন একজন সুপরিচিত বাংলাদেশি গায়ক ও আওয়ামী লীগ নেতা। ১৯৮০–এর দশকে বিটিভির জনপ্রিয় শিল্পী হিসেবে তিনি দর্শকদের কাছে ছিলেন এক 'পরিচিত মুখ'। সংগীতজগতের পাশাপাশি তিনি রাজনীতিতেও সক্রিয় ছিলেন এবং পাবনা জেলা আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। এই পদে থেকে তিনি বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন এবং স্থানীয় শিল্পীদের জন্য মঞ্চ তৈরি করেন। ফলে তার পরিচয় কেবল একজন শিল্পীতে সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক পরিসরে তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।
আরও পড়ুন-West Bengal weather: মাঘের শুরুতেই ফের তাণ্ডব দেখাবে শীত! হুড়মুড়িয়ে নামবে পারদ, কাঁপবে গোটা বাংলা
গত ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে ঘিরে একটি কথিত হামলার ঘটনায় প্রলয় চাকিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরিবারের দাবি, গ্রেপ্তারের সময় তার নাম কোনও এফআইআর বা মামলার নথিতে ছিল না। গ্রেপ্তারের পর তাকে পাবনা জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। কারা কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, তিনি আগে থেকেই ডায়াবেটিস ও হৃদরোগসহ একাধিক জটিল রোগে ভুগছিলেন।
কারা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কারাগারে থাকা অবস্থায় প্রলয় চাকির শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। শুক্রবার তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হলে প্রথমে তাকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার আরও অবনতি হলে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। সেখানেই রাত আনুমানিক ৯টা নাগাদ তার মৃত্যু হয়। পাবনা জেল সুপার মো. ওমর ফারুক জানান, অসুস্থতার কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে।
আরও পড়ুন-Madhyamik 2026: মাধ্যমিকে জীবন বিজ্ঞান পরীক্ষায় ভালো ফল করতে চাইলে পড়ুন এই সাজেশন
তবে পরিবারের অভিযোগ ভিন্ন। প্রলয় চাকির ছেলে সোনি চাকি বলেন, 'কারাগারে বাবার শারীরিক অবস্থার অবনতির বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে পরিবারকে জানানো হয়নি'। তিনি দাবি করেন, দীর্ঘদিন ধরে ডায়াবেটিস ও হৃদরোগে ভুগলেও কারাগারে তার জন্য প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও বিশেষ তত্ত্বাবধান নিশ্চিত করা হয়নি। পরিবারের বক্তব্য, খবর পেয়ে তারা হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।
পরিবারের আরও অভিযোগ, 'গুরুতর অসুস্থতায় ভোগা একজন বয়স্ক ব্যক্তিকে হেফাজতে রাখার সময় বিশেষ চিকিৎসা ব্যবস্থার প্রয়োজন ছিল, যা করা হয়নি'। প্রলয় চাকির হেফাজতে মৃত্যু তাই শুধু একটি ব্যক্তিগত ট্র্যাজেডি নয়, বরং কারা ব্যবস্থায় চিকিৎসা ও মানবাধিকার রক্ষার বিষয়টি নতুন করে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে।
আরও পড়ুন- ‘বেআইনি তল্লাশি’ বনাম ‘নথি চুরি’, আইপ্যাক মামলায় আজ হাইকোর্টে টানটান লড়াই


/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us