/indian-express-bangla/media/media_files/2025/08/25/rahul-gandhi-2025-08-25-12-01-50.jpg)
রাহুল গান্ধী
বিচারক, আমলা, কূটনীতিক ও সেনা কর্মকর্তাসহ দেশের ২৭২ জন প্রাক্তন বিশিষ্ট ব্যক্তি রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন। একটি খোলা চিঠিতে তারা দাবি করেছেন, কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী বারবার নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে “ভোট চুরির” অভিযোগ এনে কমিশনের মানহানি করছেন এবং সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের প্রতি মানুষের আস্থা নষ্ট করার চেষ্টা করছেন।
চিঠিতে বলা হয়েছে, রাহুল গান্ধী বহুবার দাবি করেছেন যে দেশে ভোট চুরি হচ্ছে, কিন্তু আজ পর্যন্ত তিনি কোনও আনুষ্ঠানিক অভিযোগ, নথি বা হলফনামা নির্বাচন কমিশনের কাছে জমা দেননি। প্রাক্তন কর্মকর্তাদের অভিযোগ—রাহুল গান্ধীর বক্তব্যে “১০০% প্রমাণ”, “হাইড্রোজেন বোমা” বা “রাষ্ট্রদ্রোহ”–এর মতো শব্দ ব্যবহার করা হলেও তার কোনও ভিত্তি নেই।
“সাংবিধানিক কর্তৃপক্ষের উপর আক্রমণ”—শিরোনামে প্রকাশিত এই চিঠিতে স্বাক্ষরকারীরা লিখেছেন, কিছু বিরোধী নেতা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলিকে অকার্যকর বলে তুলে ধরছেন। সেনাবাহিনী, বিচার বিভাগ ও সংসদকে নিশানা করার পর এখন কংগ্রেস নির্বাচন কমিশনকে টার্গেট করছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
এছাড়া চিঠিতে দাবি করা হয়েছে, কংগ্রেস ও তার ঘনিষ্ঠ এনজিওগুলো বারবার নির্বাচন কমিশনকে “বিজেপির বি-টিম” বলে অপমান করছে, যদিও কমিশন ধারাবাহিকভাবে তাদের পদ্ধতি, তথ্য ও প্রক্রিয়া জনসমক্ষে প্রকাশ করেছে। আদালতের তত্ত্বাবধানে তদন্ত, প্রকাশিত ডেটা এবং অবৈধ ভোটার বাদ পড়ার বিষয়গুলি এসব অভিযোগকে মিথ্যা প্রমাণ করে বলে উল্লেখ করেছেন স্বাক্ষরকারীরা।
আরও পড়ুন-Nadia News: দিল্লি বিস্ফোরণে নাম জুড়েছে নদিয়ার, জঙ্গি যোগের নতুন সূত্রে তোলপাড়!
প্রাক্তন কর্মকর্তারা আরও বলেন, নির্বাচনী ব্যর্থতার হতাশা থেকেই এই ধরনের অভিযোগ করা হচ্ছে। তাদের মন্তব্য—“যখন রাজনৈতিক নেতারা জনমত থেকে দূরে সরে যান, তখন তারা নিজেদের দুর্বলতা ঢাকতে রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানগুলিকেই আক্রমণ করতে শুরু করেন। বিশ্লেষণের জায়গায় নাটক তৈরি হয়, জনসেবার পরিবর্তে জনপ্রিয়তা অর্জনের চেষ্টা চলে।”
চিঠিতে প্রাক্তন প্রধান নির্বাচন কমিশনার টি.এন. সেশান ও এন. গোপালস্বামীর মতো ব্যক্তিত্বদের উল্লেখ করে বলা হয়েছে, তারা জনপ্রিয়তার চেয়ে সুষ্ঠুভাবে কঠোর নির্বাচন পরিচালনাকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলেন।
শেষে নির্বাচন কমিশনকে স্বচ্ছতা বজায় রেখে তথ্য জনগণের সামনে প্রকাশ করার আহ্বান জানানো হয়েছে। রাজনৈতিক নেতাদের উদ্দেশে চিঠিতে বলা হয়েছে—আচরণবিধি মেনে নীতিগত লড়াই করুন, প্রমাণ ছাড়া জনসম্মুখে অভিযোগ ছড়াবেন না ।
আরও পড়ুন-TMC: বাবরি মসজিদ ধ্বংসের দিনেই কলকাতায় মেগা ইভেন্ট! 'সংহতি দিবস' পালন করবে তৃণমূল
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us