/indian-express-bangla/media/media_files/2025/11/19/al-falah-2025-11-19-09-15-38.jpg)
Jawad Ahmed Siddiqui arrest: আল ফালাহ চ্যারিটেবল ট্রাস্ট এবং আল ফালাহ গ্রুপের চেয়ারম্যান ও ম্যানেজিং ট্রাস্টি জওয়াদ আহমেদ সিদ্দিকিকে গ্রেফতার।
Red Fort blast: আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে আল ফালাহ চ্যারিটেবল ট্রাস্ট এবং আল ফালাহ গ্রুপের চেয়ারম্যান ও ম্যানেজিং ট্রাস্টি জওয়াদ আহমেদ সিদ্দিকিকে গ্রেফতার করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। মঙ্গলবার তাঁকে মানি লন্ডারিং আটক আইন—প্রিভেনশন অফ মানি লন্ডারিং অ্যাক্ট (PMLA), 2002–এর ধারা ১৯ অনুযায়ী হেফাজতে নেওয়া হয়।
গ্রেফতারের আগে দিল্লি–এনসিআর জুড়ে মোট ১৯টি স্থানে তল্লাশি চালায় ইডি। ফারিদাবাদের আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির বাড়ি ও দফতরে একযোগে এই অভিযান চলে। তল্লাশিতে উদ্ধার হয়েছে ৪৮ লক্ষ টাকারও বেশি নগদ, বেশ কয়েকটি ডিজিটাল ডিভাইস এবং একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নথি। সম্প্রতি "হোয়াইট-কলার টেরর মডিউল" উন্মোচন এবং Red Fort–এর কাছে ১০ নভেম্বরের দিল্লির লালকেল্লার কাছে বিস্ফোরণে ১৫ জনের মৃত্যুর ঘটনার পর থেকেই আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয় তদন্তের আওতায় ছিল।
ইডি-র তদন্তের ভিত্তি দুটি এফআইআর, যা দিল্লি পুলিশের তরফে দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগ, আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয় ভুয়ো NAAC অ্যাক্রেডিটেশন এবং UGC–র 12(B) মান্যতা দাবি করে বছরের পর বছর ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকদের বিভ্রান্ত করেছে। ইউজিসি ইতিমধ্যে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে বিশ্ববিদ্যালয়টি কেবলমাত্র UGC Section 2(f) অনুযায়ী তালিকাভুক্ত, ফলে কোনওভাবেই কেন্দ্রীয় অনুদানের যোগ্য নয়।
ইডি আরও অভিযোগ করেছে যে বিপুল পরিমাণ "অপরাধ থেকে আয়" (proceeds of crime) বিভিন্ন পথে শেল কোম্পানির মাধ্যমে ঘুরিয়ে অন্যত্র পাঠানো হয়েছে। এমনকি সিদ্দিকির স্ত্রী ও সন্তানদের মালিকানাধীন সংস্থাগুলিকে বেআইনি ভাবে চুক্তি দেওয়ার প্রমাণও মিলেছে বলে দাবি ইডি-র। গ্রেফতারের পর মঙ্গলবারই সিদ্দিকিকে বিশেষ আদালতে পেশ করা হয়। সেখানে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানিয়েছে ইডি।
আরও পড়ুন-Nadia News: দিল্লি বিস্ফোরণে নাম জুড়েছে নদিয়ার, জঙ্গি যোগের নতুন সূত্রে তোলপাড়!
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us