/indian-express-bangla/media/media_files/2026/01/18/rockeya-2026-01-18-21-26-49.jpg)
Rokeya Prachy: রোকেয়া প্রাচী।
Bangladesh Crisis: অস্কার প্রতিযোগিতাতেও তাঁর একাধিক ছবি মনোনয়ন পেয়েছিল। বাংলাদেশের জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেত্রী তথা আওয়ামী লীগের অন্যতম শীর্ষ নেত্রী রোকেয়া প্রাচী (Rokeya Prachy) মুখোমুখি হয়েছিলেন ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বাংলার প্রতিনিধির। জঙ্গি কার্যকলাপ থেকে অরাজকতা, লাগাতার হিন্দু ও আওয়ামী লীগ কর্মীদের ওপর নির্যাতন, বাংলাদেশের নির্বাচন, পাশাপাশি মব কালচার নিয়ে বিষ্ফোরক মন্তব্য করেছেন রোকেয়া প্রাচী।
ইউনূসের বাংলাদেশে কি চলছে?
ক্রিমিনাল গ্যাংরা এখন দাপিয়ে বেড়াচ্ছে সারা দেশ জুড়ে। বহু ক্রিমিনালকে জেল থেকে বের করে এনে, তাদের গ্যাং দিয়ে অপরাধ ঘটানো হচ্ছে। ৭১ সালের পরাজিত শত্রুরাই এখন দেশের দখল নিয়েছে। বাংলাদেশ এখন অপরাধী ও জঙ্গিদের হাতে। যা পরিচালনা করছেন মহঃ ইউনূস (Muhammad Yunus)। সোশ্যাল মিডিয়া বা সংবাদ মাধ্যমে যা এসেছে তা চার ভাগের এক ভাগ মাত্র। ছাত্র লীগ করার অপরাধে বাড়ির মা-মেয়েদের ওপর নির্মম অত্যাচার করছে। রেপ,অত্যাচার করে সেই ভিডিও তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোড করছে। সন্ত্রাসের নমুনা ছড়িয়ে দিয়ে আরও সন্ত্রস্ত করে তোলা হচ্ছে।
'মব কালচার' চলছে দেশজুড়ে...
বাংলাদেশে এখন মব ক্যালচার, জঙ্গি কালচার চলছে। প্রকাশ্যে বলছে পুলিশ মেরেছে। ৪৫০টা থানা পুড়িয়ে দিয়েছে। কারাগার থেকে অস্ত্র লুঠ করেছে। জঙ্গি ও ফাঁসির আসামিদের বের করে নিয়েছে। এই অপরাধের জন্য কোনও শাস্তি হবে না। জঙ্গি, ক্রিমিনালরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। থানা পোড়ানোর কথা বলছে। পুলিশ প্রশাসন কিছু বলছে না। আসলে ইউনূস তাদের জনক। প্রথম আলো, ডেইলি স্টার পোড়ানোর সময় কেন ধরেনি? ইউনূস চায় মব রাজনীতি থাকুক। জামাতে ইসলামী জঙ্গি, পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গার জঙ্গি এখন বাংলাদেশে তান্ডব করছে। উল্টে যার বাড়িতে ভাঙচুর, হামলা করা হচ্ছে, তাঁর বিরুদ্ধেই মামলা করছে, তাঁকেই গ্রেফতার করছে।
সংস্কৃতির হাল?
উদীচী, ছায়ানটের ওপর হামলা ও ভাঙচুর হয়েছে। সংস্কৃতি কর্মীরা দেশে থাকতে পারছে না। কোনও কাজ করতে পারছে না। কেউ নিরাপদে নেই। মুক্তি যুদ্ধের সপক্ষের শিল্পীদের নামে ভুরি ভুরি মিথ্যা খুনের অভিযোগ দিয়েছে। আমার নামেও খুনের কেস আছে। আমি নাকি চার-পাঁচটা খুন করেছি! বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ওপর সব থেকে বেশি রাগ। আওয়ামী লিগের সংস্রব থাকলেই হামলা হবে। স্কুলগুলিতে গান ও খেলার শিক্ষকদের পোস্ট তুলে দেওয়া হচ্ছে। জেমস পর্যন্ত শো করতে পারেননি। কেউই অনুষ্ঠান করতে পারছে না। পাকিস্তানের শিল্পীরা হিন্দী গান করলে সমস্যা নেই। তবে ভারত বিদ্বেষ চলবে। তৌহিদী জনতার মেয়েদের বিরুদ্ধে ফতোয়া জারি করাই কাজ। নারী সংস্কার কমিটি গড়েছে এই সরকার। তার নামে চলছে নারীদের ওপর অত্যাচার।
গত বছর ৫ অগাস্টের পর আপনি তো কোনও কাজ করতে পারছেন না। কি বলবেন?
নতুন কাজ তো হচ্ছেই না। আমার করা কাজ এড়ানোর অপচেষ্টা করছে। আমি স্বাভাবিক জীবনেই ফিরতে পারছি না। আমি রাস্তার বের হলে আমার দেহ পাঁচ টুকরো পাঁচ জায়গায় পাওয়া যাবে। আমি ঘরেই থাকতে পারব না। ওরা কেউ মানুষ না। মুক্তি যুদ্ধের সপক্ষে, বঙ্গ বন্ধুর পক্ষে কিছু বলতে পারব না। আইন আদালত নয়, ইউনূসের মব বাহিনী আমাদের বিচার করবে। মব আমাকে মেরে ফেলবে, কাপড় ছিঁড়ে ফেলবে, তারপর ভিডিও করে সোশাল মিডিয়ায় আপলোড করবে। শান্তিতে ঘুমাতেও পারবো না। বাড়িতে থাকতে পারবো না। কাজের তো কোনও কথা নেই।
কোটা আন্দোলনের আদৌ উদ্দেশ্য কি ছিল? কি হয়েছিল তখন?
প্রথম যখন কোটা আন্দোলন হয়েছে তা রাষ্ট্র মেনে নিয়েছিল। কোটা ছিল একটা আছিলা। জনগনকে চিট করে রাস্তায় নামাবে। তারপর লাশ ব্যবহার করবে। ওরা স্নাইপার শট ব্যবহার করেছে। ৭.৬২ বুলেট কোথা থেকে কি ভাবে ব্যবহার হল? স্নাইপার শটের অ্যাঙ্গেলগুলো কি, ড্রোন ক্যামেরা, গ্রাফিক ডিজাইন করেছে। কি করে সম্ভব ওই ভিডিও পাওয়া। সমস্ত খুনই মেটিকিউলাস ডিজাইনের অন্তর্ভুক্ত। ওরা কিন্তু পোস্টমর্টেম করতেও দেয়নি। ৫ অগাস্ট চক্রান্ত সফল হল। তখনও বলা হল লাশের তদন্ত হোক, ঠিকানা দাও, কারা তাঁরা। সব টার্গেটেড ছিল। পোস্ট মর্টেম করতে দেয়নি। আমরা চেয়েছিলাম পোস্ট মর্টেম হোক। কেউ পাউরুটি আটকে স্ট্রোক করে মারা গিয়েছে, কেউ জ্বরে মারা গিয়েছে, কেউ রোগে মারা গিয়েছে। তাঁরা সবাই জুলাই শহিদ।
শহিদ হয়েও ফিরে এসেছে ৫৬ জন। কোনও পরিবার আবার জানেই না তাঁদের পরিবারের কেউ শহিদ হয়েছে। ওই বাড়ির ছেলেকে মেরে আমরা যে আসামি তাও ওই বাড়ির লোকেরা জানে না। এগুলি সবই মেটিকিউলাস ডিজাইন করা। একেবারে ড্রামাটাইজ। সব করেছে ইউনূসের মদতে। ডিজাইনার হাউজ, কনটেন্ট ক্রিয়েটার, প্রডিউসার দিয়ে এই সব করেছে। ডিজিট্যাল প্রযুক্তি ব্যবহার করেছে। যার জন্য ১৭ কোটি টাকা বছরে খরচ করছে। আমাদের আইডি নষ্ট করা এদের অন্যতম কাজ। একটা প্রতিষ্ঠান জ্বালাতে কি গান পাউডার লাগে, কেমন প্রস্তুতি লাগে, এক যোগে পুরো বাংলাদেশ পুড়িয়ে দিতে এত সরঞ্জাম কোথায় পেল শিক্ষার্থী ও সাধারণ জনতা। এটা কি সম্ভব? কখনও না। ৫ তারিখের পর বিএনপি বলেছে, এই আন্দোলন আমরা সৃষ্টি করেছি, আমরা বড় সহযোগী, আমরা অর্থ দিয়েছি, সহযোগিতা করেছি। হিজবুত তাহিরি বলেছে আমরা করেছি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে লাইট অফ করে গ্যাং রেপ করা হয়েছে বলে মিথ্যা প্রোপাগান্ডা করেছে। কখনও কিশোর টোকাই গ্যাংককে ভাড়া করেছে। সাধারণ মানুষ মারলে ৭ হাজার, পুলিশ মারলে ১০ হাজার, অফিসার মারলে ২০ হাজার। পুরো রেট করা ছিল। অর্থ নিয়ে ক্রিমিনাল গ্যাংগুলো এসব কাজ করেছে।
১৪ অগাস্ট ধানমন্ডীতে কি ঘটেছিল?
আমি বলেছিলাম আমি বাংলাদেশেই থাকবো। আমি ধানমন্ডীতেই যাব। এটা সোশাল মিডিয়ায় ঘোষণা করেছিলাম। তখন জবাই শুরু হয়ে গিয়েছিল বাংলাদেশে। ধানমন্ডী ৩১ দাউ দাউ করে জ্বলছে সেটা নিতে পারছিলাম না। ওই ঘটনা সভ্য়তাকে হারিয়ে দিচ্ছিল। বাংলাদেশকে তারা লজ্জিত করেছে। প্রতিবাদ না করলে সারা জীবন আমি নিজের দিকে তাকাতে পারব না। আমি নিজেও হামলার আশঙ্কা করছিলাম। অনেকে বলছিল দেশের বাইরে চলে যেতে। মৃত্যু তো যখন তখন ঘটতে পারে। তখন আমার জীবন ও মৃত্যুর মাঝের পথ। ১৪ তারিখে অবস্থান করব, ১৫ তারিখ অবধি থাকব। ওই দিন আমি একাই বসেছিলাম। তখন অনেকের সম্মতি থাকলেও সরাসরি সামনে আসতে পারছে না। তখন অনেকে আমাকে ধমকানো শুরু করেছে। ১০০-১৫০ লোক এল। আমরা শ্রদ্ধা জানালাম, স্লোগান চলল, মোমবাতি জ্বালালাম। অনুষ্ঠান শেষ হতেই একদল লোক এল। মারতে মারতে সবাইকে বের করে দিল। ছবি ভেঙে দেওয়ার পর আমি চিৎকার করলাম। তখন আমাকে সেই সন্ত্রাসী মব ঘিরে ছিল। একজন বলল তোর এত সাহস। লাঠি দিয়ে আমার মাথায় আঘাত করছিল। আমার হাতে এত জোরে মারল যে ছবিটা পড়ে গেল। এক ক্যামেরাম্যানকে মারতে শুরু করলো। আমাকে যাতে না মারে তার জন্য মারমুখীদের পা পর্যন্ত ধরেছে সে। দুজন আমাকে প্রাণে বাঁচিয়েছে। আমাকে ধাক্কা দিতে থাকে ফেলে পেটানোর জন্য। তারপর কোনও ভাবে ওই দুই ছেলেকে নিয়ে প্রাণ বাঁচাতে সক্ষম হই। আমাকে টান দিয়ে নিয়ে যায় তারা। আমার জন্য ওই যুবক প্রচুর মার খেয়েছে। দেড় ঘণ্টা আতঙ্কে প্রাণ হাতে নিয়ে ধানমন্ডী এলাকার রাস্তায় রাস্তায় ঘুরেছি।
'মব' কারা?
এরা সব জঙ্গি। জেল থেকে ছাড়িয়ে নিয়েছে। এদের হাতে প্রচুর অস্ত্র। বাইরে থেকে অস্ত্র এসেছে। আমাদের শিল্পী, সাহিত্যিক, সাংবাদিক অনেকেই এদের সঙ্গে যুক্ত। আওয়ামী লীগের মধ্যে শিবিরের লোক ছিল। আমাদের থেকে বেশি ফারুকি ও তার স্ত্রীর সঙ্গে নেত্রীর ছবি আছে। তারা এজেন্টের কাজ করে পাউন্ড, ডলার পেয়েছে। ৫ তারিখের পর বাংলাদেশকে জঙ্গি, ক্রিমিনালদের অভয়ারন্য করে দিয়েছে। আওয়ামী লীগের রাজত্বে তাঁরা পড়াশুনা করেছে। ইউনূস বলেছেন রিসেট বাটান দেবেন। ইতিহাস পাল্টে দেবেন। উনি উসকাচ্ছেন আওয়ামী লীগের কর্মীদের নিধন করার জন্য়। আওয়ামী লীগ নিশ্চিহ্ন করাই এখন ইউনূস সরকারের মূল কাজ।
আপনার পরিবার কি মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে যুক্ত ছিল?
আমার বাবা ও দুই চাচা মুক্তি যোদ্ধা। আমাদের গ্রামের বাড়ির গেটে মুক্তি যোদ্ধা লেখা রয়েছে। বঙ্গ বন্ধু বেঁচে থাকার সময় বাবা শ্রমিক লীগের সভাপতি ছিলেন। ১৯৮১ সালে বাবাকে আক্রমণ করেছিল। দীর্ঘদিন জখম ছিলেন। আমাদের বাড়ি তখনও ভাঙচুর হয়েছে। ১৯৭১-এর পরাজিত শত্রুরা সব সময় নৃশংস। মাঝখানে তারা ঘাপটি মেরেছিল। ১৬ ডিসেম্বর আমরা বিজয় উল্লাস করেছি, ভেবেছিলাম তারা ভদ্র হয়ে গিয়েছে। ওই দিন তারা প্রতিজ্ঞা করেছে প্রতিশোধ নেবে বলে। ৭৫ সালে চক্রান্ত হয়েছে। জঙ্গি হামলা বাংলাদেশে তারাই করেছে। বঙ্গবন্ধু কন্যা বাংলাদেশে জঙ্গি শূন্য করেছিলেন। সার্বভৌমত্বে আপোষ করেননি। শেখ হাসিনাকে সরানো দরকার ছিল। আসলে কোটা কোটা কোনও আন্দোলন নয়, বহত্তর ষড়যন্ত্র। ১৯৭১ সালে তারা পরাজিত হয়েছিল। সেটা মানতে পারেনি।
কিন্তু কেন ভারত বিদ্বেষ, ভারত আমাদের সহযোগী ছিল, ভারত আমাদের মিত্র ছিল। ভারতের কাছে বাংলাদেশকে বিক্রি করে দিয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, এমন অভিযোগ করছে। তাহলে ভারতের সঙ্গে যে সব চুক্তি হয়েছিল তা বাতিল কেন করল না। সেভেন সিস্টার নিয়ে যা বলছে তাও পাকিস্তানের প্রেসক্রিপশন।
হাদিকে আইকন করছে বাংলাদেশের একাংশ। কি বলবেন?
৫ অগাস্টের আগে হাদি কেউ ছিল না। হাদি একটা লাশ। হাদিকে প্রোজেক্ট করল। অশ্রাব্য গালি দেওয়া হাদির বৈশিষ্ট্য। হাদিকে দিয়ে জামাত ও মৌলবাদ গৌষ্ঠীর রাস্তা দখল করা কাজ। হাদিকে আইকন করা হয়েছে জঙ্গি তৈরি করার জন্য। বিদ্রোহী কবি কাজি নজরুল ইসলামের পাশে তাকে কবর দেওয়া হয়েছে। হাদির মাধ্যমে দেশের মানুষকে আবার সন্ত্রস্ত করল। আনসার উল্লা বাংলা ভাই এখন সক্রিয়। রাজনৈতিক মেটিকুলাস ডিজাইন পার্ট ২তে হাদির লাশ দরকার ছিল।
হিন্দুদের কি অবস্থা?
বাংলাদেশকে হিন্দু শূন্য শুধু নয়, এক ধরনের নির্যাতন করছে। শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করছে। মানসিক নির্যাতন মৃত্যুর থেকেও কঠিন।
নির্বাচনে কি হবে?
এই পার্ট টুতে নির্বাচন নিয়ে ইউনূস খেলছে। বিএনপি বা জামাত প্রধানমন্ত্রী হবে। এই নির্বাচন অবৈধ, সরকার অবৈধ, জুলাই সনদ অবৈধ। গণভোট করতে হবে। বাংলাদেশ প্রেসিডেন্সিয়াল সরকার হবে। সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী তিনি নিয়ন্ত্রণ করবেন। নির্বাচন হলেও বা নাহলেও তাঁর ক্ষমতা থাকবে। পার্ট টুতে গণভোট নিয়ে ক্ষমতায় থাকবে। লোকটার বয়স ৮৫। ইনি ইনোসেন্ট! একেবারেই না। মানি লন্ডারিং থেকে নানা অভিযোগে অভিযুক্ত তিনি। এযাবত কালের গণহত্যা, রেপ, ধংসের নায়ক তিনি। বিএনপি ইউনূসের ছকে গড়া গর্তে পরে গেল।
আওয়ামী লীগের কর্মীদের কি অবস্থা?
তারা মিছিল করছে। তারা নেত্রীর দিকে তাকিয়ে প্রস্তুত হয়ে আছে। তবে ১০ লক্ষ লোক নিয়ে ক্ষমতা দখল করবে না। সবাই যার যার জায়গায় প্রস্তুত। আওয়ামী লীগ নির্বাচনে যেতে যায়। কিন্তু আওয়ামী লিগকে নেত্রী বলেছেন প্রস্তুত থাকো। ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন প্রস্তুত থাকতে। দেশ স্বাধীন করতে। নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত থাকো, আন্দোনের জন্য প্রস্তুত থাকো। হয়তো রিক্সা চালক বা যে কোনও ক্ষেত্র থেকে আন্দোলন হতে পারে। ২৪ লক্ষ নারী শ্রমিক অর্থনৈতিক ভাবে সাবলীল ছিলেন। এখন তাঁরা ভালো নেই। এমনও হতে পারে বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের ১০ লক্ষ লোক রাস্তায় নামবে না। ভুক্তভোগী ১০ লক্ষ লোক রাস্তায় নামবে। গণঅভ্যুত্থান হতে পারে।
কতটা পিছিয়ে গেল বাংলাদেশ?
শিক্ষা- শূন্যের কোটায়। বাইরের দেশের মানুষ ভয় পায় শিক্ষার্থীদের। বিদেশে গেলে আরও খারাপ কাজ করবে। আমদানি, রপ্তানি, ব্যাংক, শেয়ারবাজার শূন্যের কোটায় গিয়েছে। বাংলাদেশ দুর্বিক্ষের মধ্যে দাঁড়িয়ে আছে। অর্থনীতিতে ৫০ বছর পিছিয়ে গিয়েছি। ইসলামিক উগ্র মৌলবাদের আশ্রয়স্থল এখন বাংলাদেশ। যুদ্ধ অপরাধী, জঙ্গির গলায় ফুলের মালা পড়ছে। কি প্রেজেন্ট করছে এই দেশ? শাহবাগে দাঁড়িয়ে আনসার উল্লা ভাইয়ের একজন মোটিভেশন বক্তব্য় রাখছে। যেভাবে ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছে তাতে এটা ঠিক করতে বাংলাদেশের আরও ৫০ বছর লাগবে। পাকিস্তান তো বাংলাদেশটাকে নিয়ে নিতে পারবে না। তারা আমাদের দেশকে ধংস করবে।


/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us