/indian-express-bangla/media/media_files/2025/12/19/messi-2025-12-19-12-22-02.jpg)
Lionel Messi Kolkata visit: যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গণে মেসির সফরকে কেন্দ্র করে তুমুল অশান্তি ছড়িয়েছিল।
সল্টলেক স্টেডিয়ামে লিওনেল মেসিকে নিয়ে আয়োজিত কনসার্টে তান্ডব নিয়ে তদন্ত চালাচ্ছে বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT)। এবার টিকিটের টাকা ফেরত দেওয়ার বিষয়ে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার কথা ভাবছে বিশেষ তদন্তকারী দলের আধিকারিকরা। পুলিশ সূত্রে খবর, আদালতের অনুমতি মিললে ১৩ ডিসেম্বরের ওই অনুষ্ঠানের জন্য যাঁরা টিকিট কিনেছিলেন, তাঁদের টাকা ফেরতের প্রক্রিয়া শুরু করা যেতে পারে।
পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, ওই অনুষ্ঠানের জন্য প্রায় ৩৫ হাজার টিকিট বিক্রি হয়েছিল। কিন্তু আয়োজকদের চরম অব্যবস্থাপনার জেরে অধিকাংশ দর্শকই লিওনেল মেসির এক ঝলকও দেখতে পাননি। এর জেরে ক্ষুব্ধ দর্শকরা স্টেডিয়ামের ভিতরে ভাঙচুর চালান। গ্যালারির আসন ভেঙে মাঠে ছুড়ে ফেলা হয়, মাঠের দিকে ছোড়া হয় জলের বোতলও। অভিযোগ, নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই ক্ষুব্ধ হয়ে স্টেডিয়াম ছেড়ে চলে যান মেসি।
এই ঘটনার দিনই মূল আয়োজক শতদ্রু দত্তকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ঘটনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পুলিশ, যে সংস্থা টিকিট বিক্রি করেছিল, তাদেরকে টিকিট বিক্রির অর্থ হস্তান্তরে নিষেধাজ্ঞা জারি করে।তদন্তে উঠে এসেছে, টিকিট বিক্রি করে প্রায় ১৯ কোটি টাকা আয় হয়েছিল। পাশাপাশি, শতদ্রু দত্তের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে প্রায় ২২ কোটি টাকা পাওয়া গিয়েছে, যা বর্তমানে ফ্রিজ করা হয়েছে।
তদন্তকারী পুলিশ আধিকারিকদের দাবি, প্রাথমিক তদন্তে স্পষ্ট হয়েছে যে টিকিট ক্রেতাদের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে। স্টেডিয়ামে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল এবং যার ফলে মেসি মাঝপথে অনুষ্ঠান ছেড়ে চলে যান, তা এড়ানো সম্ভব ছিল বলেই মনে করছেন তদন্তকারীরা। সেই কারণেই SIT আদালতের কাছে টিকিটের টাকা ফেরতের অনুমতি চাইতে পারে।
পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, নিয়ম অনুযায়ী অপরাধলব্ধ অর্থ বা বাজেয়াপ্ত সামগ্রী আদালতের মাধ্যমে প্রকৃত মালিকদের ফেরত দেওয়াই প্রোটোকল। সেই কারণেই আদালতের নির্দেশ প্রয়োজন। একই সঙ্গে টিকিট বিক্রয়কারী সংস্থার কাছ থেকে মোবাইল নম্বর বা ই-মেল আইডির মাধ্যমে টিকিট কাটা দর্শকদের সম্পূর্ণ তথ্যভাণ্ডার সংগ্রহের জন্যও আবেদন জানানো হবে।
১৩ ডিসেম্বর গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকেই শতদ্রু দত্ত বর্তমানে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে রয়েছেন। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত তিনিই একমাত্র গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তি। পাশাপাশি, রাজ্য সরকার এই ঘটনার তদন্তে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করেছে, যেখানে রয়েছেন এক জন অবসরপ্রাপ্ত হাই কোর্টের বিচারপতি, রাজ্যের মুখ্যসচিব এবং স্বরাষ্ট্রসচিব। ওই কমিটি ইতিমধ্যেই রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার, বিধাননগর পুলিশ কমিশনার মুকেশ এবং ক্রীড়া ও যুবকল্যাণ দফতরের সচিব রাজেশ কুমার সিনহাকে শোকজ নোটিস পাঠিয়েছে। একই সঙ্গে বিধাননগরের ডেপুটি কমিশনার অনীশ সরকারকে সাসপেন্ড করা হয়েছে।
আরও পড়ুন-নতুন বছরের শুরুতেই ঝরল রক্ত, তৃণমূলের দাপুটে নেতা খুনের নেপথ্যে কি পরিচিতরাই?
আরও পড়ুন- শীত হোক বা উইকেন্ড, কলকাতার কাছে 'সেরার সেরা' এই ৫ পিকনিক স্পট মিস করবেন না
আরও পড়ুন- রাজ্যের প্রথম মহিলা মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী, বড় পদে 'বিদায়ী' মনোজ পন্থও
আরও পড়ুন- পহেলগাঁও জঙ্গি হামলা থেকে আহমেদাবাদ বিমান দুর্ঘটনা, ফিরে দেখা ২০২৫-এর দেশ-বিদেশের শীর্ষ সংবাদ
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us