/indian-express-bangla/media/media_files/2026/01/15/same-aadhaar-number-issued-to-two-children-murshidabad-2026-01-15-14-06-05.jpg)
একই আধার নম্বর, স্কুলে ভর্তি হতে গিয়ে বিপাকে শিশু ও পরিবার
একই আধার কার্ড নম্বর কীভাবে দু’জন আলাদা শিশুর নামে ইস্যু হতে পারে, এই প্রশ্ন ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল মুর্শিদাবাদের ফারাক্কা থানার শিবনগর গ্রামে। ঘটনায় সামনে এসেছে মারাত্মক প্রশাসনিক গাফিলতির অভিযোগ। নাম ও বাবার নাম এক হলেও, বয়স, মায়ের নাম, ঠিকানা, জন্মতারিখ এবং ছবি সম্পূর্ণ ভিন্ন। তা সত্ত্বেও দু’টি শিশুর আধার কার্ডে একই ইউনিক নম্বর থাকার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই হতবাক পরিবার এবং শিক্ষকরা।
Madhyamik 2026: মাধ্যমিকে জীবন বিজ্ঞান পরীক্ষায় ভালো ফল করতে চাইলে পড়ুন এই সাজেশন
ঘটনার সূত্রপাত আলী আসগরের স্কুলে ভর্তি প্রক্রিয়া ঘিরে। শিবনগরের বাসিন্দা জাহাঙ্গীর শেখ জানান, তাঁর ছেলে আলী আসগরের জন্ম ২০২০ সালে। চলতি বছরে ছেলেকে ক্লাস ওয়ানে ভর্তি করার জন্য তিনি স্থানীয় অর্জুনপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যান। কিন্তু অনলাইনে নথি জমা দিতে গিয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষ জানায়, ওই আধার নম্বর অনুযায়ী আলী আসগর ইতিমধ্যেই সামসেরগঞ্জ থানার অন্তর্গত হিজরতলা এলাকার শিতেশচন্দ্রপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি রয়েছে।
SIR ইস্যুতে তোলপাড় রাজ্য, মমতার হুঁশিয়ারির পরই 'অ্যাকশনে' তৃণমূল বিধায়ক
এই তথ্য পেয়ে কার্যত হতভম্ব হয়ে পড়েন জাহাঙ্গীর শেখ। তিনি দাবি করেন, তাঁর ছেলে কোথাও ভর্তি নয়। শিক্ষকদের পরামর্শে তড়িঘড়ি ছেলেকে নিয়ে ধুলিয়ানের ওই স্কুলে পৌঁছান তিনি। সেখানে গিয়ে একই নামের আরেক ছাত্রকে ডেকে পাঠানো হয়। দুই পরিবারের আধার কার্ড পাশাপাশি মিলিয়ে দেখতেই চক্ষু চড়কগাছ হয়ে যায় সকলের।
দেখা যায়, দু’জন শিশুর নাম ও বাবার নাম এক পাশাপাশি আধার নম্বর হুবহু একই। অথচ দু’জনের বয়সে রয়েছে পার্থক্য একজনের বয়স ছয় বছর, অন্যজনের নয় বছর। ঠিকানা, মায়ের নাম, জন্মতারিখ, ছবি সহ অন্যান্য সমস্ত তথ্যও আলাদা। ধুলিয়ানের ওই ছাত্র বর্তমানে তৃতীয় শ্রেণীতে পড়াশোনা করছে বলে জানা গেছে।
সিঙ্গুরে ফের টাটা? মোদীর সভার আগে সুকান্তর আশ্বাসে রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে
এই ঘটনায় অবাক হয়ে গিয়েছেন স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকারাও। কীভাবে বায়োমেট্রিক যাচাইয়ের পরেও একই আধার নম্বর দু’জন আলাদা শিশুর নামে ইস্যু হল, তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, আধার তৈরির সময় কীভাবে ফিঙ্গারপ্রিন্ট নেওয়া হয়েছিল, তা নিয়েই বড় প্রশ্ন উঠছে।
ঘটনায় চরম বিপাকে পড়েছে দুই পরিবারই। বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তাঁরা এবং দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন। একই আধার নম্বরের কারণে ভবিষ্যতে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সরকারি পরিষেবা পেতে আরও জটিলতা তৈরি হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন পরিবারের সদস্যরা।
আরও ভালো রেঞ্জ, দুর্দান্ত লুক, চা-সিগারেটের দামে অফিস-বাড়ি, Bajaj লঞ্চ করল নতুন Chetak C25


/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us